নাটোর সদর উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় এক রিকশাচালক ও এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুটি মৃত্যুর কারণ ঘিরেই তদন্ত চলছে। একটি ঘটনায় প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হলেও অন্যটির ক্ষেত্রে আত্মহত্যার দাবি নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুকুর থেকে রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার
রোববার সকালে নাটোর শহরের লেংগুরিয়া এলাকায় একটি পুকুর থেকে ৩৭ বছর বয়সী রিকশাচালক কামাল রুইদাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। রোববার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে নাটোর সদর থানার পুলিশ জানায়, কামাল নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতে পুকুরপাড়ে মাদক গ্রহণের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি পানিতে পড়ে যেতে পারেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায়ও তদন্ত
অন্যদিকে, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার রায় আমহাটি এলাকায় নিজ বাড়িতে ৬৫ বছর বয়সী মোতালেব খানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের দাবি, তিনি ছুরি দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, এই মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। ফলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মোতালেব খানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার শরিকদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের সঙ্গে মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনারই ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















