প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সম্মানে সোমবার সন্ধ্যায় এক নৈশভোজের আয়োজন করেছেন। রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনে আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতীকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটি সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া দলগুলোর নেতাদের প্রধানমন্ত্রী নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
১৫০-এর বেশি রাজনৈতিক নেতা আমন্ত্রিত
সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এ নৈশভোজে শরিক দলগুলোর ১৫০ জনেরও বেশি নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে তাদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
সরকার গঠনের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক আয়োজন
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটি হবে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকধর্মী আয়োজন।
যুগপৎ আন্দোলনের অংশীদার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের একত্রিত করার এই উদ্যোগকে সরকার গঠনের পর রাজনৈতিক সৌজন্য বিনিময়ের প্রথম বড় আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যেসব দল আমন্ত্রণ পেয়েছে
আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতারা। এর মধ্যে রয়েছে ডেমোক্রেসি প্ল্যাটফর্ম, ১২-দলীয় জোট, গণতন্ত্র মঞ্চ, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, গণফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য এবং কয়েকটি ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
জামায়াতকে আমন্ত্রণ নয়
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে এই নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কারণ, দলটি যুগপৎ সরকারবিরোধী আন্দোলনের অংশ ছিল না।
রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নৈশভোজ সরকার গঠনের পর আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ ও সৌজন্য বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















