কিউবায় চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এসব স্থাপনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ এবং সমুদ্রপথের বিভিন্ন তৎপরতার ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
কিউবায় গোয়েন্দা উপস্থিতি নিয়ে নতুন অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কিউবার ভৌগোলিক অবস্থান চীনের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দেশটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সামরিক স্থাপনা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সামুদ্রিক চলাচল পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি হয়।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিউবায় দীর্ঘদিন ধরেই চীনের গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সেখানে থাকা মোট ১৮টি পরিচিত সংকেত-গোয়েন্দা স্থাপনার মধ্যে তিনটি সরাসরি চীনের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
জনবলও বেড়েছে কয়েক গুণ
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের পর থেকে কিউবার বিভিন্ন গোয়েন্দা স্থাপনায় চীন ও রাশিয়ার গোয়েন্দা-সংশ্লিষ্ট জনবলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দাবি করা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে তাদের উপস্থিতি প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।
বাড়ছে কৌশলগত প্রতিযোগিতা
যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়নে, কিউবায় চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতারও অংশ। ওয়াশিংটনের মতে, এই অবস্থান ব্যবহার করে বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও যোগাযোগসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে আরও সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করছে।
চীনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়ার কথা জানা যায়নি।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















