০২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
বিচারের ভিত্তি শুধু প্রমাণ নয়, প্রমাণের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রতিদিন কত কাপ কফি নিরাপদ? গবেষণায় মিলল হৃদযন্ত্রের জন্য নতুন তথ্য ঢাকা-বেইজিং বৈঠকে পরিবহন করিডর ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শিশুপুত্রকে বাঁচাতে বিশেষ হৃদযন্ত্রের আবেদন, অঙ্গদানে সচেতনতার আহ্বান পরিবারের বিদেশ নয়, দেশে থেকেই নতুন দক্ষতা শেখার ছুটি—জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নতুন ভ্রমণধারা হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরানকে দিলে বিশ্বে বিপজ্জনক নজির তৈরি হবে: আসিয়ানে রুবিওর সতর্কবার্তা বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১০ জঙ্গি নিহত, আটক দুই নারী আত্মঘাতী হামলাকারী ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: হরমুজে জাহাজে হামলা হলে ইরানের একটি সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে লক্ষ্য রাহুল গান্ধীর দাবি: ‘শিক্ষামন্ত্রী থাকার যোগ্য নন’ ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে সরকারের কড়া সমালোচনা বৈচিত্র্যময় খাদ্যাভ্যাসে বদল আনতে সেনাবাহিনীর খাবারে নতুন ভাবনা, মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশ

ইউক্রেনে জেলেনস্কির মন্ত্রিসভায় সংকট: প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত ঘিরে বিক্ষোভ, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব তীব্র

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাম্প্রতিক মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সংকট তৈরি করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে পদচ্যুত করার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে সমালোচনা ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারি ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কির সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতবিরোধের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলেনস্কির দাবি, ফেদোরভ ও সিরস্কি একসঙ্গে কাজ করতে পারছিলেন না এবং তাদের মধ্যে যোগাযোগও এতটাই ভেঙে পড়েছিল যে অনেক ক্ষেত্রে তাকে নিজেই মধ্যস্থতা করতে হতো।

ফেদোরভ অবশ্য নিজের অপসারণের জন্য সরাসরি সিরস্কিকে দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, সেনাপ্রধান দেশের ভেতরে বিভাজন তৈরি করছেন এবং তাকেই বরখাস্ত করা উচিত। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলেনস্কি পরিস্থিতি সামাল দিতে ফেদোরভকে অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে তিনি আগের পদ ছাড়া অন্য কোনো দায়িত্ব নিতে রাজি হননি বলে দাবি করা হয়েছে।

বর্তমানে জেলেনস্কি সিরস্কিকেও অপসারণের বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হলেও, শেষ পর্যন্ত তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ফেদোরভ কে?

মাত্র ৩৫ বছর বয়সী মিখাইলো ফেদোরভ দীর্ঘদিন ধরে জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। তিনি দীর্ঘ সময় ইউক্রেনের ডিজিটাল রূপান্তর কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। তবে মাত্র ছয় মাসের মাথায় ১৬ জুলাই তাকে পদচ্যুত করা হয়।

পশ্চিমা বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে ড্রোন যুদ্ধকৌশলের প্রবক্তা, দুর্নীতিবিরোধী সংস্কারক এবং সামরিক উদ্ভাবনের অন্যতম মুখ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে অতীতে তার বিরুদ্ধে অনলাইন প্রতারণা, ভুয়া ওজন কমানোর কোর্স বিক্রি, ফোন জালিয়াতি এবং অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থপাচারের অভিযোগও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। যদিও এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কোনো বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

বিক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

ফেদোরভকে অপসারণের পর কিয়েভ, লভিভ, ওডেসাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। আন্দোলনকারীরা দুর্নীতিবিরোধী পূর্ববর্তী আন্দোলনের মতোই বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করছেন।

পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। তবে পশ্চিমা সরকারগুলোর প্রতিক্রিয়া তুলনামূলক সংযত। বেশিরভাগই শুধু উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ফেদোরভের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলতে পারে।

সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিরোধ

সরকারি ব্যাখ্যায় ফেদোরভ ও সেনাপ্রধান সিরস্কির দ্বন্দ্বকেই সংকটের মূল কারণ বলা হয়েছে। সিরস্কিকে ইউক্রেনীয় ও পশ্চিমা কিছু গণমাধ্যমে বিতর্কিত সামরিক কমান্ডার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয় ছিল ইউক্রেনের বাধ্যতামূলক সেনা সংগ্রহ কার্যক্রম। ফেদোরভ নির্দিষ্ট মেয়াদের সামরিক চুক্তি ও দীর্ঘদিন কর্মরত সেনাদের অব্যাহতির প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং জোরপূর্বক সামরিক নিয়োগের অভিযোগ আরও বেড়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেদোরভ দাবি করেছেন, এসব অনিয়মের জন্য সেনাপ্রধান দায়ী। তবে আইনি কাঠামো অনুযায়ী সেনা সংগ্রহের প্রশাসনিক দায়িত্ব প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের, আর সেনাপ্রধানের ভূমিকা মূলত সামরিক অভিযান পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ।

দুর্নীতির অভিযোগও আলোচনায়

ফেদোরভকে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের জন্যও পরিচিত করা হলেও তার সমালোচকদের দাবি, সরকারি অস্ত্র ক্রয়সংক্রান্ত চুক্তির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতার লড়াইই ছিল বিরোধের অন্যতম কারণ।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি ইউক্রেনের দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। একই সঙ্গে জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক বলয়ের জন্য সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেও তাকে দেখা হচ্ছিল। তবে তার বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন, পুরোনো প্রভাববলয় ভেঙে তিনি নতুন করে নিজের ঘনিষ্ঠদের সুবিধা করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

ইউক্রেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই সংকট কীভাবে শেষ হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে সৃষ্ট বিরোধ এখন দেশটির সরকার, সামরিক নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

ইউক্রেনে জেলেনস্কির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিক্ষোভ, সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিরোধ এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন নতুন সংকট তৈরি করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিচারের ভিত্তি শুধু প্রমাণ নয়, প্রমাণের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব

ইউক্রেনে জেলেনস্কির মন্ত্রিসভায় সংকট: প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত ঘিরে বিক্ষোভ, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব তীব্র

০৮:৪৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাম্প্রতিক মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সংকট তৈরি করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে পদচ্যুত করার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে সমালোচনা ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারি ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কির সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতবিরোধের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলেনস্কির দাবি, ফেদোরভ ও সিরস্কি একসঙ্গে কাজ করতে পারছিলেন না এবং তাদের মধ্যে যোগাযোগও এতটাই ভেঙে পড়েছিল যে অনেক ক্ষেত্রে তাকে নিজেই মধ্যস্থতা করতে হতো।

ফেদোরভ অবশ্য নিজের অপসারণের জন্য সরাসরি সিরস্কিকে দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, সেনাপ্রধান দেশের ভেতরে বিভাজন তৈরি করছেন এবং তাকেই বরখাস্ত করা উচিত। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলেনস্কি পরিস্থিতি সামাল দিতে ফেদোরভকে অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে তিনি আগের পদ ছাড়া অন্য কোনো দায়িত্ব নিতে রাজি হননি বলে দাবি করা হয়েছে।

বর্তমানে জেলেনস্কি সিরস্কিকেও অপসারণের বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হলেও, শেষ পর্যন্ত তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ফেদোরভ কে?

মাত্র ৩৫ বছর বয়সী মিখাইলো ফেদোরভ দীর্ঘদিন ধরে জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। তিনি দীর্ঘ সময় ইউক্রেনের ডিজিটাল রূপান্তর কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। তবে মাত্র ছয় মাসের মাথায় ১৬ জুলাই তাকে পদচ্যুত করা হয়।

পশ্চিমা বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে ড্রোন যুদ্ধকৌশলের প্রবক্তা, দুর্নীতিবিরোধী সংস্কারক এবং সামরিক উদ্ভাবনের অন্যতম মুখ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে অতীতে তার বিরুদ্ধে অনলাইন প্রতারণা, ভুয়া ওজন কমানোর কোর্স বিক্রি, ফোন জালিয়াতি এবং অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থপাচারের অভিযোগও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। যদিও এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কোনো বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

বিক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

ফেদোরভকে অপসারণের পর কিয়েভ, লভিভ, ওডেসাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। আন্দোলনকারীরা দুর্নীতিবিরোধী পূর্ববর্তী আন্দোলনের মতোই বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করছেন।

পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। তবে পশ্চিমা সরকারগুলোর প্রতিক্রিয়া তুলনামূলক সংযত। বেশিরভাগই শুধু উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ফেদোরভের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলতে পারে।

সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিরোধ

সরকারি ব্যাখ্যায় ফেদোরভ ও সেনাপ্রধান সিরস্কির দ্বন্দ্বকেই সংকটের মূল কারণ বলা হয়েছে। সিরস্কিকে ইউক্রেনীয় ও পশ্চিমা কিছু গণমাধ্যমে বিতর্কিত সামরিক কমান্ডার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয় ছিল ইউক্রেনের বাধ্যতামূলক সেনা সংগ্রহ কার্যক্রম। ফেদোরভ নির্দিষ্ট মেয়াদের সামরিক চুক্তি ও দীর্ঘদিন কর্মরত সেনাদের অব্যাহতির প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং জোরপূর্বক সামরিক নিয়োগের অভিযোগ আরও বেড়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেদোরভ দাবি করেছেন, এসব অনিয়মের জন্য সেনাপ্রধান দায়ী। তবে আইনি কাঠামো অনুযায়ী সেনা সংগ্রহের প্রশাসনিক দায়িত্ব প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের, আর সেনাপ্রধানের ভূমিকা মূলত সামরিক অভিযান পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ।

দুর্নীতির অভিযোগও আলোচনায়

ফেদোরভকে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের জন্যও পরিচিত করা হলেও তার সমালোচকদের দাবি, সরকারি অস্ত্র ক্রয়সংক্রান্ত চুক্তির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতার লড়াইই ছিল বিরোধের অন্যতম কারণ।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি ইউক্রেনের দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। একই সঙ্গে জেলেনস্কির ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক বলয়ের জন্য সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেও তাকে দেখা হচ্ছিল। তবে তার বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন, পুরোনো প্রভাববলয় ভেঙে তিনি নতুন করে নিজের ঘনিষ্ঠদের সুবিধা করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

ইউক্রেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই সংকট কীভাবে শেষ হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে সৃষ্ট বিরোধ এখন দেশটির সরকার, সামরিক নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

ইউক্রেনে জেলেনস্কির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিক্ষোভ, সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিরোধ এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন নতুন সংকট তৈরি করেছে।