সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা মন্তব্যকে ঘিরে অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্রোহী উইলসনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। রায়ের ফলে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ে স্বস্তি ফিরেছে অভিনেত্রীর জীবনে।
অস্ট্রেলিয়ার একটি আদালত রায় দিয়েছে, অভিনেত্রী বিদ্রোহী উইলসনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টগুলো আইনগতভাবে মানহানিকর নয়। ফলে সহশিল্পী শার্লট ম্যাকইনেসের করা মানহানির মামলা খারিজ হয়ে গেছে।
মামলাটি ছিল বিদ্রোহী উইলসনের পরিচালনায় নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্রকে ঘিরে। অভিযোগে বলা হয়েছিল, অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন দাবি করেছিলেন, যাতে বোঝানো হয় শার্লট ম্যাকইনেস ব্যক্তিগতভাবে তাকে জানিয়েছিলেন যে চলচ্চিত্রটির এক প্রযোজকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন বিদ্রোহী উইলসন।
আদালতের পর্যবেক্ষণ

রায়ে আদালত জানায়, বিদ্রোহী উইলসনের প্রকাশিত পোস্টগুলো মানহানির পর্যায়ে পড়ে না। এ কারণে মামলাটি খারিজ করা হয়েছে।
এই রায়ের মাধ্যমে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে টেকেনি এবং তিনি আইনি দায় থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
রায়ের পর যা বললেন অভিনেত্রী
রায় ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্রোহী উইলসন জানান, যারা পুরো সময় তাকে সমর্থন করেছেন তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, জীবনের এই অধ্যায় শেষ হওয়ায় তিনি স্বস্তি অনুভব করছেন এবং এখন পরিবার ও নিজের কাজেই আবার মনোযোগ দিতে চান।
একই সঙ্গে তিনি আদালত ও অস্ট্রেলিয়ার বিচারব্যবস্থার প্রতিও সম্মান প্রকাশ করেন।

অন্য পক্ষের প্রতিক্রিয়া
রায় ঘোষণার পরপরই শার্লট ম্যাকইনেস কিংবা তার আইনজীবী দলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এখনও কোনো তথ্য জানা যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আইনি বিরোধের এই মামলার সমাপ্তি বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















