জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্র্যাব)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবু হেনা রাসেল আর নেই। বুধবার রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর।
ক্র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটে হাসপাতালটিতে তাঁর মৃত্যু হয়।
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে
জানা গেছে, রাজধানীর আসাদ গেট এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে জ্বালানি নেওয়ার সময় আবু হেনা রাসেলের হঠাৎ তীব্র বুকে ব্যথা অনুভূত হয়। এরপর দ্রুত তাঁকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের ইতি
আবু হেনা রাসেল পেশাগত জীবনে সংবাদমাধ্যমে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন। মৃত্যুর আগে তিনি খবর সংযোগে বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এর আগে তিনি দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর কর্মজীবনে ভোরের কাগজ, সমকাল এবং কালের কণ্ঠে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল। সাংবাদিকতায় পেশাগত অবদানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) এবং ক্র্যাবে নেতৃত্বের দায়িত্বও পালন করেন।
পরিবারে শোকের ছায়া
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজে গভীর শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত
বুধবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) প্রাঙ্গণে তাঁর প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সহকর্মী, সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীরা সেখানে উপস্থিত হয়ে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
ক্র্যাবের শোক
আবু হেনা রাসেলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল, সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ এবং সংগঠনের অন্যান্য নেতারা। এক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সাংবাদিক আবু হেনা রাসেল চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে ক্র্যাব।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















