শিগগির পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, আলোচনায় কে
প্রথম আলো,
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগির পদত্যাগ করতে পারেন। শারীরিক অসুস্থতাকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে।
সরকার ও বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের জন্য ইতিমধ্যে বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে।

রাষ্ট্রপতির কাছে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের বার্তা পাঠানো সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের সঙ্গে গতকাল বুধবার রাতে এ প্রতিবেদকের কথা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্র খুব শিগগির রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।
পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়েও ক্ষমতাসীন বিএনপির উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে থাকা একজন সচিবের নাম সম্ভাব্য পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে হঠাৎ করে আলোচনায় এসেছে। যদিও এর আগে এ পদের জন্য বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খানসহ কয়েকজনের নাম আলোচনায় ছিল।
জিয়া হত্যা মামলার আসামি মোজাফফর ট্রাইব্যুনালে
যুগান্তর,
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আলোচিত আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এদিন ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশন জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে আজ হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করবে প্রসিকিউশন।
এর আগে, ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফরের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন।
উল্লেখ্য, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মানহীন পণ্য প্রত্যাহারে গড়িমসি করছে কোম্পানিগুলো
জাগো নিউজ২৪,
গত এক সপ্তাহে দুদফায় ১১টি পণ্য নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে সরকারের দুটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে সেগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহারে গড়িমসি করছে কোম্পানিগুলো। বরং এখনো দেদারসে বিক্রি হচ্ছে প্রায় এসব পণ্য।
গত বৃহস্পতিবার মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাস্টার্ড কেক ও ব্রেড (পাউরুটি) বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। কিন্তু প্রায় এক সপ্তাহ বাদেও এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে পাড়া-মহল্লার দোকানে।

এরমধ্যে ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডকে ইস্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট) ও ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট) এখনো দোকানে সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া আরবোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেডের স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যামও রয়েছে কিছু দোকানে।
তবে বাজার থেকে এসব পণ্য তুলে নেওয়ার পাশাপাশি কোম্পানি তিনটিকে খাদ্যপণ্যের বিপণন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল বিএফএসএ।
অন্যদিকে, গত সোমবার চার প্রতিষ্ঠানের আট ধরনের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের পণ্যের মান প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। সেসব পণ্যও প্রত্যাহারের কোনো উদ্যোগের কথা জানা যায়নি।
সারাক্ষণ ডেস্ক 



















