০৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬
সঙ্গীতের গণ্ডি ভেঙে নিজেদের পথ: স্বাধীন ব্যান্ড দ্য অ্যারিস্টোক্র্যাটসের সাফল্যের গল্প যুদ্ধের পরিসংখ্যানের আড়ালে যে মানুষগুলো থাকে ইংল্যান্ডের ৬০ বছরের বিশ্বকাপ আক্ষেপ: ৪৫৪ অভিষেক, ১৫ কোচ, তবু অধরাই শিরোপা ব্রড পিকে তুষারধস: নিখোঁজ ৭ আরোহীর সন্ধানে আবারও উদ্ধার অভিযান, তিনজনের মরদেহ উদ্ধার আলজেরিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৪ বাংলাদেশি, অবৈধ অবস্থানের অভিযোগে আটক ছিলেন ভাঁজযোগ্য ফোনের লড়াইয়ে স্যামসাং এগিয়ে, কিন্তু শেষ জয় নির্ভর করবে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার গল্পে চ্যাটজিপিটিকে শুধু প্রশ্ন নয়, বলুন ‘আমাকে মুগ্ধ করো’—ওপেনএআই কর্মকর্তার ভিন্নধর্মী পরামর্শ মোদিকে ‘স্বৈরশাসক হতে শেখার’ কটাক্ষ শেহজাদের, টানলেন রাহুল-ইন্দিরা প্রসঙ্গ বিদ্যুৎ বিভ্রাট হবে অতীত? কোয়ান্টাম প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ গ্রিডে বড় পরিবর্তনের পথে চীন করাচিতে হালকা বৃষ্টি, সোমবার পর্যন্ত আরও ঝরার পূর্বাভাস পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগের

শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, ৪৯ জনের অব্যাহতির সুপারিশ

রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাকিবুল হোসেন (২৯) নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সঙ্গে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় আরও ৪৯ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. মমিনুল ইসলাম গত ১৩ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও সার্বিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, যাদের বিরুদ্ধে ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট এলাকায় উপস্থিত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি অথবা যাদের নাম অসৎ উদ্দেশ্যে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে, তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

ঘটনায় প্রথমে শেখ হাসিনাসহ ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

স্বীকৃত অভিযোগপত্রে যাদের নাম

অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনার পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ, পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য মাইনুল হোসেন খান নিখিল, কামাল আহমেদ মজুমদার, ইলিয়াস মোল্লা, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা এস এম মান্নান কচি, এখলাস উদ্দিন মোল্লা এবং সাবেক কাউন্সিলর কাসেম মোল্লাসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে।

অন্যদিকে, অব্যাহতির সুপারিশ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান, কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাবেক এমপি কামরুল আরেফিন, পাবনা-৪ আসনের সাবেক এমপি গালিবুর রহমান শরিফ, আলোক হেলথকেয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. লোকমান হোসেন এবং গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ইলিয়াস আহমেদ তালুকদার।

তদন্তে যা উল্লেখ করা হয়েছে

অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালে সরকারি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পর ২০২৪ সালের ৫ জুন উচ্চ আদালত সেই প্রজ্ঞাপন অবৈধ ঘোষণা করলে কোটা সংস্কার আন্দোলন নতুন করে গতি পায়। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে এবং তা দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, আন্দোলন দমনে তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনাসহ অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা গোপন বৈঠকের মাধ্যমে আন্দোলন দমনের নির্দেশনা দেন এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এসব বিষয় তদন্তে উঠে এসেছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

ময়নাতদন্ত হয়নি

তদন্ত চলাকালে নিহত রাকিবুলের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়। আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কবরস্থানে গেলেও পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের আপত্তির কারণে মরদেহ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি।

নিহতের মৃত্যুর ঘটনা

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি মিছিল রাত ৯টার দিকে মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পৌঁছালে গুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির ছোড়া গুলিতে রাকিবুল হোসেন গলার বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে ড. আজমল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা মো. আবু বক্কর সিদ্দিক্ক ঝিনাইদহ থেকে ঢাকায় এসে মরদেহ নিয়ে যান। সে সময়কার পরিস্থিতির কারণে সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই ২০ জুলাই ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার বাসুদেবপুর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।

বাদীর প্রতিক্রিয়া

মামলার বাদী আবু বক্কর সিদ্দিক্ক জানান, নিহত রাকিবুল তার দুই ছেলের মধ্যে ছোট ছিলেন। তিনি ২০২১ সালে এমআইএসটি থেকে বিএসসি ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে একটি প্রতিষ্ঠানে সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং মিরপুর-১১ এলাকায় থাকতেন। অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। তার প্রত্যাশা, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে এবং তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।

মিরপুরে রাকিবুল হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পিবিআই। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় ৪৯ জনের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্গীতের গণ্ডি ভেঙে নিজেদের পথ: স্বাধীন ব্যান্ড দ্য অ্যারিস্টোক্র্যাটসের সাফল্যের গল্প

শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, ৪৯ জনের অব্যাহতির সুপারিশ

০৫:৪০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাকিবুল হোসেন (২৯) নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সঙ্গে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় আরও ৪৯ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. মমিনুল ইসলাম গত ১৩ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও সার্বিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, যাদের বিরুদ্ধে ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট এলাকায় উপস্থিত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি অথবা যাদের নাম অসৎ উদ্দেশ্যে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে, তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

ঘটনায় প্রথমে শেখ হাসিনাসহ ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

স্বীকৃত অভিযোগপত্রে যাদের নাম

অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনার পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ, পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য মাইনুল হোসেন খান নিখিল, কামাল আহমেদ মজুমদার, ইলিয়াস মোল্লা, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা এস এম মান্নান কচি, এখলাস উদ্দিন মোল্লা এবং সাবেক কাউন্সিলর কাসেম মোল্লাসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে।

অন্যদিকে, অব্যাহতির সুপারিশ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান, কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাবেক এমপি কামরুল আরেফিন, পাবনা-৪ আসনের সাবেক এমপি গালিবুর রহমান শরিফ, আলোক হেলথকেয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. লোকমান হোসেন এবং গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ইলিয়াস আহমেদ তালুকদার।

তদন্তে যা উল্লেখ করা হয়েছে

অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালে সরকারি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পর ২০২৪ সালের ৫ জুন উচ্চ আদালত সেই প্রজ্ঞাপন অবৈধ ঘোষণা করলে কোটা সংস্কার আন্দোলন নতুন করে গতি পায়। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে এবং তা দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, আন্দোলন দমনে তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনাসহ অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা গোপন বৈঠকের মাধ্যমে আন্দোলন দমনের নির্দেশনা দেন এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এসব বিষয় তদন্তে উঠে এসেছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

ময়নাতদন্ত হয়নি

তদন্ত চলাকালে নিহত রাকিবুলের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়। আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কবরস্থানে গেলেও পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের আপত্তির কারণে মরদেহ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি।

নিহতের মৃত্যুর ঘটনা

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি মিছিল রাত ৯টার দিকে মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পৌঁছালে গুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির ছোড়া গুলিতে রাকিবুল হোসেন গলার বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে ড. আজমল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা মো. আবু বক্কর সিদ্দিক্ক ঝিনাইদহ থেকে ঢাকায় এসে মরদেহ নিয়ে যান। সে সময়কার পরিস্থিতির কারণে সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই ২০ জুলাই ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার বাসুদেবপুর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।

বাদীর প্রতিক্রিয়া

মামলার বাদী আবু বক্কর সিদ্দিক্ক জানান, নিহত রাকিবুল তার দুই ছেলের মধ্যে ছোট ছিলেন। তিনি ২০২১ সালে এমআইএসটি থেকে বিএসসি ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে একটি প্রতিষ্ঠানে সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং মিরপুর-১১ এলাকায় থাকতেন। অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। তার প্রত্যাশা, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে এবং তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।

মিরপুরে রাকিবুল হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পিবিআই। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় ৪৯ জনের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।