বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ভ্রমণ, পড়াশোনা বা অন্যান্য অস্থায়ী উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহী ভিসাপ্রার্থীদের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ সঙ্গে রাখার আহ্বান জানিয়েছে। দূতাবাস বলেছে, ভিসা সাক্ষাৎকারে আবেদনকারীদের এমন তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে, যাতে বোঝা যায় তারা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে নিজের সব ধরনের ব্যয় বহন করতে সক্ষম।
সাক্ষাৎকারে কী ধরনের প্রস্তুতি দরকার
সোমবার দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে আবেদনকারীদের এমন আর্থিক প্রস্তুতি থাকতে হবে, যাতে তারা ভ্রমণ ব্যয়, আকস্মিক যাতায়াতের জটিলতা কিংবা চিকিৎসা-সংক্রান্ত জরুরি খরচও নিজ উদ্যোগে বহন করতে পারেন।
দূতাবাসের ভাষ্য, ভিসা সাক্ষাৎকারে এমন নথি বা প্রমাণ সঙ্গে রাখা উচিত, যা আবেদনকারীর আর্থিক স্বনির্ভরতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল না হওয়ার বার্তা
দূতাবাস আরও জানিয়েছে, আবেদনকারীদের দেখাতে হবে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন না। অর্থাৎ, অবস্থানকালীন সময়ে নিজেদের ব্যয়ভার বহনের যথেষ্ট সক্ষমতা তাদের রয়েছে—এমন প্রমাণ ভিসা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
ভবিষ্যৎ ভিসায়ও প্রভাব পড়তে পারে
মার্কিন দূতাবাস সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সরকারি সুবিধার অপব্যবহার করলে তার দীর্ঘমেয়াদি অভিবাসন-সংক্রান্ত প্রভাব পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ, পড়াশোনা কিংবা কাজের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
দূতাবাসের এই স্মরণ করিয়ে দেওয়া বার্তাটি মূলত অ-অভিবাসী ভিসার আবেদনকারীদের জন্য, যাতে তারা সাক্ষাৎকারে প্রয়োজনীয় আর্থিক নথি ও প্রস্তুতি নিয়ে উপস্থিত হন এবং নিজেদের স্বনির্ভরতা যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারেন।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















