নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে একই পরিবারের তিন সদস্য গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন মাইদুল (২৪), তার স্ত্রী বিউটি (২৪) এবং তাদের আট বছর বয়সী ছেলে মারুফ। তারা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা।
চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। মাইদুলের শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ, বিউটির ৮০ শতাংশ এবং মারুফের ৯০ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন জানান, আহত তিনজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দগ্ধের মাত্রা অত্যন্ত বেশি হওয়ায় তিনজনকেই নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
গ্যাস লিকেজের ঝুঁকি
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকেজের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে কীভাবে গ্যাসের লিকেজ হয়েছে এবং আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ কী, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জের এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গ্যাস সংযোগ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়মিত পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজের আগুনে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ। তাদের শরীরের বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় রাজধানীর বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসা চলছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















