বিশ্ব অর্থনীতিতে পুঁজি একসময় ছিল সীমান্ত অতিক্রমকারী শক্তি। যেখানে বেশি মুনাফার সম্ভাবনা, সেখানেই বিনিয়োগ—এটাই ছিল বৈশ্বিক পুঁজির স্বাভাবিক যুক্তি। রাজনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হলেও ব্যবসা চলত, বিনিয়োগের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেত না। কিন্তু সেই যুগ দ্রুত বদলে যাচ্ছে।
এখন পুঁজি শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জ্বালানি নয়; এটি হয়ে উঠছে রাষ্ট্রের কৌশলগত ক্ষমতার অংশ। কে অর্থ দেবে, কার অর্থ গ্রহণ করা যাবে, কোন কোম্পানি বিনিয়োগ পাবে এবং সেই অর্থের সঙ্গে কোন রাজনৈতিক শর্ত যুক্ত থাকবে—এসব প্রশ্ন ক্রমেই নির্ধারিত হচ্ছে ভূরাজনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তিতে।
ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন এক বিভাজন তৈরি হচ্ছে। পুঁজির প্রবাহ আর আগের মতো মুক্ত নয়। বরং অর্থ, প্রযুক্তি, তথ্য এবং মানবসম্পদের চলাচলও এখন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।
সবুজ অর্থায়নেও ভূরাজনীতির ছায়া
এপ্রিল মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্লোবাল গ্রিন বন্ড ইনিশিয়েটিভ বা জিজিবিআই চালু করে। অংশীদার দেশগুলোর টেকসই প্রকল্পে ইউরোপের বেসরকারি খাত থেকে ২০ বিলিয়ন ইউরো সংগ্রহ করাই এর লক্ষ্য। উদ্যোগটি মূলত উন্নয়ন ও সবুজ রূপান্তরের অর্থায়নের জন্য তৈরি হলেও খুব দ্রুত এর মধ্যে আরেকটি প্রশ্ন সামনে চলে আসে—এই অর্থ শেষ পর্যন্ত কোথায় যাবে?
ব্রাসেলসের আশঙ্কা, ইউরোপীয় অর্থ গ্রহণকারী দেশগুলো সেই অর্থ ব্যবহার করে চীনা কোম্পানিকে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ দিতে পারে। অর্থাৎ ইউরোপ যে পুঁজি দিয়ে অংশীদার দেশগুলোর উন্নয়ন করতে চাইছে, সেই অর্থ পরোক্ষভাবে চীনের প্রযুক্তি ও ব্যবসায়িক প্রভাব বাড়াতে পারে।
এ কারণেই ইউরোপে এখন এমন একটি ব্যবস্থার আলোচনা চলছে, যেখানে চীনের অংশগ্রহণ সীমিত করতে গ্রিন ফান্ডে ‘চায়না ক্লজ’ যুক্ত করা হতে পারে। এর পরিণতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভবিষ্যতে উন্নয়নশীল কোনো দেশ যদি সবুজ প্রকল্পের জন্য পশ্চিমা অর্থ নিতে চায়, তাহলে তাকে হয়তো সিদ্ধান্ত নিতে হবে—সে কি চীনা কোম্পানির সঙ্গে কাজ করবে, নাকি পশ্চিমা অর্থায়নের শর্ত মেনে চলবে?
একসময় উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অর্থ পাওয়া ছিল মূল লক্ষ্য। এখন অর্থের উৎসই হয়ে উঠছে রাজনৈতিক অবস্থানের প্রশ্ন।
চীনের নিজস্ব পুঁজি ও প্রযুক্তির দেয়াল
চীনও একই ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তবে তার কৌশল ভিন্ন। দীর্ঘদিন চীনা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আন্তর্জাতিক পুঁজির সুবিধা নিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা যত বেড়েছে, বেইজিং তত বেশি নিজস্ব অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে।
জুলাইয়ে চীনের সেমিকন্ডাক্টর খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সিএক্সএমটি সাংহাইয়ের স্টার মার্কেটে তালিকাভুক্ত হয়। ২০১০ সালের পর চীনের সবচেয়ে বড় চিপ আইপিও হিসেবে এটিকে দেখা হচ্ছে। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত স্টার মার্কেটের অন্যতম উদ্দেশ্যই ছিল চীনা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর পশ্চিমা পুঁজির ওপর নির্ভরতা কমানো।
এই পরিবর্তন কেবল একটি কোম্পানির শেয়ারবাজারে প্রবেশের ঘটনা নয়। এটি বৃহত্তর একটি অর্থনৈতিক প্রবণতার ইঙ্গিত। চীন এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছে, যার অর্থায়ন, গবেষণা এবং উৎপাদনের বড় অংশ দেশের ভেতরেই থাকবে।
আগে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক পুঁজির মাধ্যমে দ্রুত বিস্তার লাভ করত। এখন নতুন প্রজন্মের কোম্পানিগুলোকে এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যাতে পশ্চিমা অর্থের ওপর নির্ভরতা কম থাকে। ডিপসিকের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে এই দেশীয় পুঁজি ব্যবস্থার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হতে পারে।
অর্থাৎ প্রযুক্তিগত বিচ্ছিন্নতা শুধু চিপ বা সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে ঘটছে না; তার সঙ্গে একটি নতুন আর্থিক কাঠামোও তৈরি হচ্ছে।

পুঁজির ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ বাড়ছে
এই পরিবর্তনকে শুধু শেয়ারবাজার বা বন্ডের মাধ্যমে বোঝা যাবে না। রাষ্ট্রগুলো এখন পুঁজির সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য, প্রযুক্তি এবং মানুষের চলাচলকেও নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনছে।
জুনে চীন স্টেট কাউন্সিল ডিক্রি ৮৩৭-এর মাধ্যমে দেশের বাইরে যাওয়ার বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের ওপর নিয়ন্ত্রণকে একটি অভিন্ন কাঠামোর মধ্যে আনার উদ্যোগ নেয়। এর আওতা শুধু বিনিয়োগ বা তথ্যপ্রবাহে সীমাবদ্ধ নয়; বিদেশে প্রশিক্ষণের মতো কার্যক্রমও অনুমোদনের আওতায় আসতে পারে।
এর মাধ্যমে বোঝা যায়, চীনের কাছে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক এখন কেবল বাণিজ্যিক বিষয় নয়। দেশের বাইরে কী যাচ্ছে—অর্থ, প্রযুক্তি, তথ্য কিংবা দক্ষতা—সবকিছুই জাতীয় নিরাপত্তার বৃহত্তর কাঠামোর অংশ হয়ে উঠছে।
এভাবে চীন নিজের অর্থনীতিকে একটি নতুন ধরনের সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে নিয়ে যাচ্ছে। পুঁজির প্রবাহ কোথায় যাবে, কোন প্রযুক্তি বাইরে যাবে এবং কোন দেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়বে—এসব সিদ্ধান্ত ক্রমেই ভূরাজনৈতিক বিবেচনার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রও অর্থকে কৌশলগত হাতিয়ার করছে
শুধু চীন বা ইউরোপ নয়, যুক্তরাষ্ট্রও অর্থায়নকে বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে ব্যবহার করছে। ইউএসএআইডির অবসানের পর ওয়াশিংটন ‘আমেরিকা ফার্স্ট গ্লোবাল হেলথ স্ট্র্যাটেজি’ গ্রহণ করেছে। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়ার এই নীতির সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রতিযোগিতাও যুক্ত।
কেনিয়ার মতো দেশ থেকে রুয়ান্ডা, উগান্ডা ও তানজানিয়া—বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্য খাতে মার্কিন অর্থায়ন শুধু মানবিক সহায়তার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকে না। যখন কোনো দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বা স্বাস্থ্যব্যবস্থা একটি নির্দিষ্ট বিদেশি অর্থের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন সেই অর্থদাতা দেশের রাজনৈতিক প্রভাবও বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়।
ফলে স্বাস্থ্য, জ্বালানি কিংবা অবকাঠামো—যে খাতই হোক না কেন, অর্থায়ন ধীরে ধীরে কৌশলগত আনুগত্যের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কোনো দেশ যদি মার্কিন অর্থের ওপর বেশি নির্ভর করে, তাহলে ভবিষ্যতে চীন বা রাশিয়ার মতো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির প্রযুক্তি কিংবা জ্বালানি প্রকল্প বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাকে বাড়তি রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হতে পারে।
এখানেই সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি ঘটছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক আর আলাদা কোনো ক্ষেত্র নয়; তা নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, জ্বালানি এবং পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে একীভূত হয়ে যাচ্ছে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে আস্থার সংকট
পুঁজির এই ভূরাজনৈতিক রূপান্তরের প্রথম বড় ফল হবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রবেশাধিকারের পরিবর্তন। আগে কোনো দেশের বাজার বা কোম্পানি অর্থনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় হলে বিনিয়োগের দরজা খুলে যেত। এখন বিনিয়োগকারীর দেশ, সরকারের নীতি এবং সেই রাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক অবস্থানও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে ফ্রান্স পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে মার্কিন বিনিয়োগ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছিল। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হয়নি, কিন্তু এমন একটি ধারণা যে রাজনৈতিক আলোচনায় জায়গা করে নিতে পেরেছে, সেটিই পরিবর্তনের গভীরতা বোঝায়।
এখন একটি দেশের বিনিয়োগ অন্য দেশের কাছে শুধু অর্থ নয়; সেটি সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাবের বাহক।
ফলে বিশ্বে একটি নতুন ‘ট্রাস্ট ডেফিসিট’ তৈরি হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত ও ইউরোপের মতো বড় অর্থনীতির সামনে আগের চেয়ে বেশি অর্থের উৎস থাকলেও তারা বিনিয়োগের উৎস নিয়ে বেশি সতর্ক। অর্থ কোথা থেকে এসেছে, কোন রাষ্ট্রের সঙ্গে বিনিয়োগকারীর সম্পর্ক, সেই অর্থের পেছনে কোনো কৌশলগত উদ্দেশ্য আছে কি না—এসব প্রশ্ন ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
পুঁজির পথই বলে দেবে ভূরাজনীতির দিক
আফ্রিকাও এই পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিসরের বিদ্যুৎ গ্রিড সম্প্রসারণে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ইউরো ঋণ দিচ্ছে। একই সময়ে ইউরোপ আফ্রিকাকে সবুজ জ্বালানির দিকে এগিয়ে নিতে চাইছে। কিন্তু আফ্রিকার দেশগুলো নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অন্য পথও খুঁজছে।
এরই মধ্যে আফ্রিকান এনার্জি ব্যাংক জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্পে অর্থায়নের লক্ষ্য নিয়ে সামনে আসছে। পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানগুলো আফ্রিকার তেল ও গ্যাস প্রকল্পে অর্থায়ন করতে অনাগ্রহী হওয়াই এমন উদ্যোগের অন্যতম কারণ।
এখানে দ্বন্দ্বটি স্পষ্ট। ইউরোপ তার পুঁজি দিয়ে আফ্রিকার জ্বালানি রূপান্তরকে প্রভাবিত করতে চাইছে। অন্যদিকে আফ্রিকার দেশগুলো এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করছে, যা পশ্চিমা অর্থায়নের বাইরে গিয়ে তাদের নিজস্ব জ্বালানি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ দিতে পারে।
অর্থাৎ পুঁজি এখন শুধু উন্নয়নকে অনুসরণ করছে না; উন্নয়নের দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করছে।
পুঁজির স্বাধীনতার অবসান?
একসময় আন্তর্জাতিক পুঁজির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল অর্থনীতিকে সচল করা। বিনিয়োগ উৎপাদন বাড়াবে, কর্মসংস্থান তৈরি করবে, অবকাঠামো উন্নত করবে এবং বিনিয়োগকারীকে মুনাফা দেবে—এই ছিল মৌলিক সমীকরণ।
এখন সেই সমীকরণ বদলে যাচ্ছে।
পুঁজির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে রাজনৈতিক আনুগত্য, প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিযোগিতা। যে দেশ অর্থ দিচ্ছে, তাকে ক্রমে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর যে দেশ অর্থ নিচ্ছে, তার ওপরও নির্দিষ্ট নীতি গ্রহণের চাপ তৈরি হতে পারে।

কোথাও শর্ত হতে পারে চীনা কোম্পানিকে বাদ দেওয়া। কোথাও হতে পারে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানো। কোথাও আবার নির্দিষ্ট প্রযুক্তি বা জ্বালানি উৎস বেছে নেওয়ার চাপ আসতে পারে।
ফলে পুঁজি আর আগের মতো নিরপেক্ষভাবে বিশ্বজুড়ে চলাচল করছে না। রাষ্ট্রগুলো তাকে নিয়ন্ত্রণ করছে, নিরাপত্তা বলয় তৈরি করছে এবং নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ঠেকানোর জন্য ব্যবহার করছে।
বিশ্ব তখন এমন এক অর্থনৈতিক বাস্তবতার দিকে এগোচ্ছে, যেখানে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত আর কেবল মুনাফার হিসাব নয়। একটি দেশের রাজনৈতিক অবস্থান, তার মিত্রতা এবং তার প্রযুক্তিগত সম্পর্কও নির্ধারণ করবে সে কোন অর্থ পাবে এবং কোন অর্থ থেকে বঞ্চিত হবে।
এটি বিশ্বায়নের সম্পূর্ণ সমাপ্তি নয়। কিন্তু বিশ্বায়নের চরিত্র বদলে যাচ্ছে। একই সঙ্গে তৈরি হচ্ছে একাধিক পুঁজিবলয়—চীনা, পশ্চিমা, আঞ্চলিক এবং রাষ্ট্রনির্ভর।
আগামী দিনের বড় প্রশ্ন তাই কে কত পুঁজি নিয়ন্ত্রণ করে, শুধু তা নয়। বরং কে কোন পুঁজির সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে, সেই সিদ্ধান্ত কে নেবে—রাষ্ট্র, বাজার নাকি ভূরাজনৈতিক জোট?
যদি বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তাহলে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক মানচিত্র আর শুধু বাণিজ্যপথ দিয়ে আঁকা হবে না। বিনিয়োগের পথ, প্রযুক্তির প্রবাহ এবং অর্থের উৎসও দেখিয়ে দেবে পৃথিবী কোন দিকে ভাগ হয়ে যাচ্ছে।
পুঁজি তখন প্রবৃদ্ধির সেতু হওয়ার পাশাপাশি হয়ে উঠবে রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নতুন সীমারেখা টানার হাতিয়ার।
আবিশুর প্রকাশ 



















