০২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬
ঠান্ডা যুদ্ধের অন্ধকার গোপন অভিযান: কমিউনিস্ট আলবেনিয়ায় সিআইএ ও এমআই৬-এর ব্যর্থ লড়াই বর্ণবাদের দেয়াল ভেঙে যুদ্ধের ময়দানে বীরত্ব, ৫০ বছর পর সর্বোচ্চ সম্মান পেলেন ভার্নন বেকার যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে হঠাৎ ধাক্কা, জুলাইয়ে ২৩ হাজার চাকরি  হারিয়েছে ভারতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশের দমন: লাঠি, কাঁদানে গ্যাসের পর ছোড়া হয় পেলেট গান ইয়েমেনে ফের যুদ্ধের শঙ্কা, সৌদি-সমর্থিত সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের ড্রোন-মিসাইল হামলা রাশিয়ার ধনী নারী তাতিয়ানা কিমের সাম্রাজ্যে ইউক্রেনের হামলা, পুড়ছে বিলিয়ন ডলারের পণ্য ড্যামবাস্টারদের সেই ভয়ংকর পরিণতি: ৭৭ জন ফিরেছিলেন, শেষ পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন মাত্র ৪৮ জন যুদ্ধের আলোকে: দখল করা জার্মান জেট বাংলাদেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৭ বছরে ১৫,৭১২ মৃত্যু, নিহতদের ৫৮ শতাংশই তরুণ বিশ্ববাজারে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৭ বছরে ১৫,৭১২ মৃত্যু, নিহতদের ৫৮ শতাংশই তরুণ

বাংলাদেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ভয়াবহ মাত্রায় প্রাণহানি ঘটাচ্ছে। ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সারা দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১২ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ১৪৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ থেকে ৩৫ বছর বয়সীরা ৫৮ শতাংশ। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের (আরএসএফ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

দুর্ঘটনার প্রধান কারণ ভারী যানবাহন

আরএসএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সবচেয়ে বড় অংশ ঘটেছে ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে। মোট ৬ হাজার ৩১৪টি দুর্ঘটনা, যা মোট ঘটনার ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ, ভারী যানবাহনের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেওয়ার কারণে ঘটেছে।

এ ছাড়া ৫ হাজার ৪৯৭টি দুর্ঘটনা বা ৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ ঘটেছে মোটরসাইকেল চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে। মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটেছে ৩ হাজার ৫৪৮টি দুর্ঘটনা, যা মোটের ২২ দশমিক ৮ শতাংশ। অন্যান্য কারণে ঘটেছে ৭০৬টি দুর্ঘটনা বা ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

সাড়ে ৭ বছরে সড়কে নিহত ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থী, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেল  দুর্ঘটনায়

পণ্যবাহী যানবাহনের ঝুঁকি বেশি

দুর্ঘটনার জন্য দায়ী যানবাহনের হিসাবে পণ্যবাহী যান সবচেয়ে এগিয়ে। ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ, ট্রাক্টর, ট্রলি ও লরিসহ পণ্য পরিবহনকারী যানবাহন ৬ হাজার ৪৮১টি দুর্ঘটনার জন্য দায়ী, যা মোটের ৪০ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

মোটরসাইকেল চালকদের নিজেদের ভুলে ঘটেছে ৫ হাজার ৮৩১টি দুর্ঘটনা বা ৩৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। বাসচালকদের দায় রয়েছে ২ হাজার ১৬৪টি দুর্ঘটনায়, যা ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

এ ছাড়া তিন চাকার যান ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও জিপ ২ দশমিক ৭২ শতাংশ, পথচারী ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং সাইকেল ও রিকশা শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আঞ্চলিক সড়কে দুর্ঘটনা বেশি

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সবচেয়ে বড় অংশ ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। এসব সড়কে ৬ হাজার ৬৮৯টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা মোট দুর্ঘটনার ৪১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

জাতীয় মহাসড়কে ঘটেছে ৪ হাজার ৭৭৩টি দুর্ঘটনা বা ২৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। শহরের সড়কে ২ হাজার ৬৪৬টি এবং গ্রামীণ সড়কে ১ হাজার ৯৫৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আরএসএফ বলছে, বাংলাদেশে নিবন্ধিত মোট মোটরযানের প্রায় ৭১ শতাংশই মোটরসাইকেল। এসব মোটরসাইকেলের উল্লেখযোগ্য অংশ কিশোর ও তরুণরা চালায়।

Surge in motorcycle accidents: A growing concern on the roads | The  Business Standard

বেপরোয়া গতি ও দুর্বল নজরদারি

প্রতিবেদনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার পেছনে বেপরোয়া চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য, আইন প্রয়োগের দুর্বলতা, অপর্যাপ্ত সড়ক অবকাঠামো, সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ঘাটতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির অভাবকে বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সাশ্রয়ী ও পর্যাপ্ত গণপরিবহনের অভাব এবং তীব্র যানজটও মানুষকে মোটরসাইকেল ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল নির্মাতা ও বিপণনকারীদের কিছু বিজ্ঞাপনী কৌশলে তরুণদের কাছে উচ্চগতির বাইক চালানোকে উত্তেজনাপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যা বেপরোয়া চালনার প্রবণতা বাড়াতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হেলমেট ব্যবহারে ঘাটতি

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করার বিষয়টিও তুলে ধরেছে আরএসএফ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার চাকার যানবাহনের তুলনায় মোটরসাইকেল প্রায় ৩০ গুণ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)

বছর বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যু

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যায়ও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২০ সালে নিহত হন ১ হাজার ৪৬৩ জন। ২০২১ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২১৪ জনে এবং ২০২২ সালে ৩ হাজার ৯১ জনে। ২০২৩ সালে ২ হাজার ৪৮৭ জন, ২০২৪ সালে ২ হাজার ৬০৯ জন এবং ২০২৫ সালে ২ হাজার ৬৭১ জন নিহত হন। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ১৭৭ জন।

দুর্ঘটনা কমাতে সুপারিশ

মোটরসাইকেলে নিরাপত্তা ও নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি মানসম্মত হেলমেট বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে আরএসএফ। ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানোর কথাও বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক প্রচার বাড়ানো এবং মোটরসাইকেলের বিজ্ঞাপনের ভাষা ও উপস্থাপনায় পরিবর্তনেরও সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং সাশ্রয়ী, যাত্রীবান্ধব গণপরিবহন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠান্ডা যুদ্ধের অন্ধকার গোপন অভিযান: কমিউনিস্ট আলবেনিয়ায় সিআইএ ও এমআই৬-এর ব্যর্থ লড়াই

বাংলাদেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৭ বছরে ১৫,৭১২ মৃত্যু, নিহতদের ৫৮ শতাংশই তরুণ

০১:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ভয়াবহ মাত্রায় প্রাণহানি ঘটাচ্ছে। ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সারা দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১২ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ১৪৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ থেকে ৩৫ বছর বয়সীরা ৫৮ শতাংশ। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের (আরএসএফ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

দুর্ঘটনার প্রধান কারণ ভারী যানবাহন

আরএসএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সবচেয়ে বড় অংশ ঘটেছে ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে। মোট ৬ হাজার ৩১৪টি দুর্ঘটনা, যা মোট ঘটনার ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ, ভারী যানবাহনের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেওয়ার কারণে ঘটেছে।

এ ছাড়া ৫ হাজার ৪৯৭টি দুর্ঘটনা বা ৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ ঘটেছে মোটরসাইকেল চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে। মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটেছে ৩ হাজার ৫৪৮টি দুর্ঘটনা, যা মোটের ২২ দশমিক ৮ শতাংশ। অন্যান্য কারণে ঘটেছে ৭০৬টি দুর্ঘটনা বা ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

সাড়ে ৭ বছরে সড়কে নিহত ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থী, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেল  দুর্ঘটনায়

পণ্যবাহী যানবাহনের ঝুঁকি বেশি

দুর্ঘটনার জন্য দায়ী যানবাহনের হিসাবে পণ্যবাহী যান সবচেয়ে এগিয়ে। ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ, ট্রাক্টর, ট্রলি ও লরিসহ পণ্য পরিবহনকারী যানবাহন ৬ হাজার ৪৮১টি দুর্ঘটনার জন্য দায়ী, যা মোটের ৪০ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

মোটরসাইকেল চালকদের নিজেদের ভুলে ঘটেছে ৫ হাজার ৮৩১টি দুর্ঘটনা বা ৩৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। বাসচালকদের দায় রয়েছে ২ হাজার ১৬৪টি দুর্ঘটনায়, যা ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

এ ছাড়া তিন চাকার যান ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও জিপ ২ দশমিক ৭২ শতাংশ, পথচারী ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং সাইকেল ও রিকশা শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আঞ্চলিক সড়কে দুর্ঘটনা বেশি

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সবচেয়ে বড় অংশ ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। এসব সড়কে ৬ হাজার ৬৮৯টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা মোট দুর্ঘটনার ৪১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

জাতীয় মহাসড়কে ঘটেছে ৪ হাজার ৭৭৩টি দুর্ঘটনা বা ২৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। শহরের সড়কে ২ হাজার ৬৪৬টি এবং গ্রামীণ সড়কে ১ হাজার ৯৫৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আরএসএফ বলছে, বাংলাদেশে নিবন্ধিত মোট মোটরযানের প্রায় ৭১ শতাংশই মোটরসাইকেল। এসব মোটরসাইকেলের উল্লেখযোগ্য অংশ কিশোর ও তরুণরা চালায়।

Surge in motorcycle accidents: A growing concern on the roads | The  Business Standard

বেপরোয়া গতি ও দুর্বল নজরদারি

প্রতিবেদনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার পেছনে বেপরোয়া চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য, আইন প্রয়োগের দুর্বলতা, অপর্যাপ্ত সড়ক অবকাঠামো, সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ঘাটতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির অভাবকে বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সাশ্রয়ী ও পর্যাপ্ত গণপরিবহনের অভাব এবং তীব্র যানজটও মানুষকে মোটরসাইকেল ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল নির্মাতা ও বিপণনকারীদের কিছু বিজ্ঞাপনী কৌশলে তরুণদের কাছে উচ্চগতির বাইক চালানোকে উত্তেজনাপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যা বেপরোয়া চালনার প্রবণতা বাড়াতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হেলমেট ব্যবহারে ঘাটতি

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করার বিষয়টিও তুলে ধরেছে আরএসএফ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার চাকার যানবাহনের তুলনায় মোটরসাইকেল প্রায় ৩০ গুণ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)

বছর বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যু

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যায়ও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২০ সালে নিহত হন ১ হাজার ৪৬৩ জন। ২০২১ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২১৪ জনে এবং ২০২২ সালে ৩ হাজার ৯১ জনে। ২০২৩ সালে ২ হাজার ৪৮৭ জন, ২০২৪ সালে ২ হাজার ৬০৯ জন এবং ২০২৫ সালে ২ হাজার ৬৭১ জন নিহত হন। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ১৭৭ জন।

দুর্ঘটনা কমাতে সুপারিশ

মোটরসাইকেলে নিরাপত্তা ও নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি মানসম্মত হেলমেট বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে আরএসএফ। ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানোর কথাও বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক প্রচার বাড়ানো এবং মোটরসাইকেলের বিজ্ঞাপনের ভাষা ও উপস্থাপনায় পরিবর্তনেরও সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং সাশ্রয়ী, যাত্রীবান্ধব গণপরিবহন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।