ওজন কমানোর জন্য ব্যবহৃত ওষুধ অনেক মানুষের খাদ্যাভ্যাস বদলে দিচ্ছে—এ কথা এখন বেশ পরিচিত। তবে নতুন গবেষণা ও ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা বলছে, এসব ওষুধের প্রভাব শুধু খাবারের ওপর সীমাবদ্ধ থাকছে না; অনেকের ক্ষেত্রে মদ্যপানের আকাঙ্ক্ষাও কমে যাচ্ছে। কারও ক্ষেত্রে মদ খাওয়ার ইচ্ছা প্রায় পুরোপুরি চলে যাচ্ছে, আবার কেউ অল্প পরিমাণ মদ পান করেই বমিভাব, অস্বস্তি বা মাথা ঘোরার মতো সমস্যায় পড়ছেন। অবশ্য সবার অভিজ্ঞতা এক নয়।
দক্ষিণ ওয়েলসের ৪৬ বছর বয়সী লিসা রিস এপ্রিল মাসে প্রথমবার ওজন কমানোর ওষুধ গ্রহণ শুরু করেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল কয়েক কেজি ওজন কমানো। কিন্তু তিনি যে বিষয়টিকে ওষুধটির সবচেয়ে বড় অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে দেখছেন, সেটি হলো তাঁর মদ্যপান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।
আগে বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে গেলে লিসা এক রাতে দুই বোতল পর্যন্ত মদ পান করতেন। এখন কয়েক গ্লাস পান করার পরই তাঁর মনে হয়, আর এক ফোঁটাও পান করা সম্ভব নয়।
খাবারের পাশাপাশি কমছে মদের আকাঙ্ক্ষা
ওজন কমানোর ওষুধ এবং মদ্যপানের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা এখন দ্রুত বাড়ছে। ওয়েগোভি, মাউঞ্জারো ও ওজেম্পিকের মতো ওষুধে সেমাগ্লুটাইড বা টিরজেপাটাইড থাকে। এগুলো জিএলপি-১ নামের একটি প্রাকৃতিক হরমোনের মতো কাজ করে। ফলে ক্ষুধা কমে যায় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি থাকে। এর মাধ্যমে ওজন কমাতে সহায়তা করে ওষুধগুলো।
তবে প্রাথমিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, এসব ওষুধ মস্তিষ্কের পুরস্কার বা তৃপ্তি-সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়াতেও প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে মদ ও নিকোটিনসহ বিভিন্ন আসক্তিকর পদার্থের প্রতি আকাঙ্ক্ষা কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।
যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ক্রিশ্চিয়ান হেন্ডারশট বলেন, এসব ওষুধ মস্তিষ্কে পুরস্কার পাওয়ার প্রতিক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে মদ বা অন্যান্য আসক্তিকর পদার্থের প্রতি আকর্ষণ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
২০২৫ সালে তিনি অল্পসংখ্যক মানুষের ওপর একটি গবেষণা প্রকাশ করেন। এতে দেখা যায়, মদ্যপানজনিত সমস্যায় থাকা অংশগ্রহণকারীরা ওজেম্পিক গ্রহণের সময় মদের প্রতি তুলনামূলক কম আকাঙ্ক্ষা অনুভব করেছেন।
সম্প্রতি কলোরাডো আনশুটজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণাতেও একই ধরনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গবেষণাটি বলছে, বড়ি আকারে গ্রহণ করা জিএলপি-১-ভিত্তিক ওষুধ মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার মদ্যপানজনিত সমস্যায় থাকা মানুষের অতিরিক্ত মদ্যপানের দিনের সংখ্যা কমাতে পারে।
তবে গবেষকেরা সতর্ক করে বলছেন, বিষয়টি এখনো গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। আরও বড় পরিসরে এবং দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা প্রয়োজন।
সবার ওপর একই প্রভাব পড়ে না
ওজন কমানোর ওষুধ ব্যবহারকারী মানুষের অভিজ্ঞতা অবশ্য এক রকম নয়। কেউ বলেছেন, মদের প্রতি আকাঙ্ক্ষা প্রায় হারিয়ে গেছে। কেউ মদ পান করলে দ্রুত বমিভাব বা পেট ভরা অস্বস্তি অনুভব করছেন। আবার কেউ বলেছেন, অল্প মদ পান করেই আগের তুলনায় দ্রুত মাতাল হয়ে পড়ছেন।

অন্যদিকে কিছু মানুষ জানিয়েছেন, ওষুধ গ্রহণের পর মদের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।
ওয়েগোভি নেওয়ার আগে লিসা সপ্তাহে বন্ধুদের সঙ্গে ছয় থেকে আট বোতল পর্যন্ত মদ পান করতেন। নিজের পান করার পরিমাণ নিয়ে তিনি মাঝেমধ্যে উদ্বিগ্নও হতেন। এত বেশি মদ পান করা তাঁর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কি না, সে প্রশ্নও তাঁর মনে আসত।
যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, নিয়মিতভাবে সপ্তাহে ১৪ ইউনিটের বেশি মদ পান করা উচিত নয়। এর পরিমাণ প্রায় ছয়টি মাঝারি আকারের গ্লাস মদ বা ছয় পাইন্টের সমান। দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মদ পান করলে যকৃতের ক্ষতি, উচ্চ রক্তচাপ এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
লিসা জানান, ওষুধ শুরু করার পর তাঁর মদ্যপানের পরিমাণ অর্ধেকেরও বেশি কমেছে। সম্প্রতি একটি দিনের উৎসবে তিনি নয় ঘণ্টায় তিন গ্লাস মদ পান করেন। অথচ আগে একই ধরনের আয়োজনে তিনি দুই বোতল মদের সঙ্গে কয়েক গ্লাস ভদকা মেশানো পানীয় পান করতেন।
সামাজিক জীবনেও ছিল মদের ভূমিকা
লিসার সামাজিক জীবনেও মদ্যপানের বড় ভূমিকা ছিল। ২০১০-এর দশকের শেষ দিকে তিনি কয়েক সপ্তাহ মদ পান না করার চেষ্টা করেছিলেন। তখন তিনি লক্ষ্য করেন, বন্ধুরা তাঁকে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে আগের মতো ডাকছেন না। শেষ পর্যন্ত তিনি আবার মদ পান শুরু করেন।
এবার অবশ্য পরিস্থিতি আলাদা। লিসা বলেন, তিনি এখনো বন্ধুদের সঙ্গে মদ পান করার মুহূর্ত উপভোগ করেন। কিন্তু দুই গ্লাসের পর আর বেশি পান করতে পারেন না।
তাঁর ভাষায়, তিনি এখনো সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হয়ে থাকতে পারছেন, কারণ তিনি মদ পান করছেন—তবে আগের তুলনায় অনেক কম।
প্রথম ডোজের পরই পরিবর্তন টের পান ওয়ারেন
কলচেস্টারের ৪৫ বছর বয়সী ওয়ারেন থমাসও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
বহু বছর ধরে কাজের পর পরিবারের সঙ্গে মাঝেমধ্যে বিয়ার পান করতেন তিনি। মাসে এক-দুবার বন্ধুদের সঙ্গেও তুলনামূলক বেশি মদ পান করতেন।
ওজন কমানোর জন্য মাউঞ্জারো শুরু করার পরিকল্পনা করলে মদ্যপানকারী বন্ধুদের কাছ থেকে তিনি সতর্কবার্তা পান। বন্ধুরা তাঁকে জানান, ওষুধটি তাঁর মদ্যপানের পরিমাণে প্রভাব ফেলতে পারে।

জুনের মাঝামাঝি প্রথম ডোজ নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পরিবর্তনটি বুঝতে পারেন ওয়ারেন।
তিনি বলেন, তাঁর আর মদ পান করার ইচ্ছাই হয় না। মদের প্রতি যেন কোনো আকাঙ্ক্ষা অবশিষ্ট নেই।
গত মাসে বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তিনি দুই বিয়ার পান করার পরই মাথা হালকা এবং কিছুটা ঘোর লাগার অনুভূতি পান। তাঁর ভাষায়, এখন তাঁর মদ সহ্য করার ক্ষমতা প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ কী
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসক ও ওষুধ বিক্রেতাদের জন্য ব্যবহৃত ব্রিটিশ ন্যাশনাল ফরমুলারিতে ওজন কমানোর ওষুধ গ্রহণকারীদের মদ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে কি না, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা নেই।
তবে কিংস কলেজ লন্ডনের চিকিৎসক ও অধ্যাপক রাসেল হার্ন তাঁর রোগীদের এ বিষয়ে সতর্ক পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, মদে প্রচুর ক্যালরি থাকে। তাই কারও লক্ষ্য যদি ওজন কমানো হয়, তাহলে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের পাশাপাশি মদ্যপান কমানো অবশ্যই সেই লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে।
কারও জন্য আশীর্বাদ, কারও জন্য সামাজিক সমস্যার কারণ
লিসা ও ওয়ারেনের মতো মানুষের কাছে মদ্যপান কমে যাওয়া ওজন কমানোর ওষুধের একটি আনন্দদায়ক অতিরিক্ত সুবিধা। কিন্তু সবার কাছে বিষয়টি এতটা ইতিবাচক নয়।
২০ বছর বয়সী ফেই গুডউইনের অভিজ্ঞতা বরং উল্টো। তিনি মদ পান করলেই দ্রুত বমিভাব অনুভব করেন। কখনো বমি হয়, আবার কখনো তীব্র অম্লতা বা বুকজ্বালার সমস্যাও দেখা দেয়।
ফেই ১৮ বছর বয়স থেকে মাউঞ্জারো ব্যবহার করছেন। ফলে ওজন কমানোর ওষুধের প্রভাব ছাড়া মদ পান করার অভিজ্ঞতা তাঁর খুব বেশি নেই। তবে একবার তিনি এক মাসের জন্য ওষুধের ইনজেকশন বন্ধ রেখেছিলেন। সেই সময় তিনি মদ পান করলেও বমিভাব হয়নি।

ফেই মনে করেন, তাঁর বয়সে সামাজিক জীবনে মদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ওষুধের কারণে মদ পান করতে না পারা তাঁর সামাজিক জীবনকে প্রভাবিত করেছে।
কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানের দিন যদি তাঁর ইনজেকশন নেওয়ার দিন হয়, তাহলে কখনো কখনো তিনি এক দিন ওষুধ নেওয়া পিছিয়ে দেন। কারণ ইনজেকশন নেওয়ার পরের এক থেকে দুই দিনে মদের ওপর ওষুধটির প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয় বলে তিনি মনে করেন।
কখনো ওষুধ নেওয়ার দিনেই বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে তিনি সেই পরিকল্পনাও বাতিল করেছেন।
যখন তিনি মদ পান করেন, তখন অন্যদের তুলনায় অনেক কম পান করতে পারেন। তাঁর মতে, এতে বন্ধুত্ব তৈরি ও বজায় রাখা কঠিন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ও বিষয়টি তাঁর জন্য সমস্যার সৃষ্টি করেছে, কারণ ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক সামাজিক আয়োজনেই মদ্যপান ছিল গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ফেই বলেন, অন্য সবাই যখন মদ পান করে আনন্দ করছে, তখন তাঁকে প্রায় সংযত অবস্থায় বসে থাকতে হবে—এই বিষয়টি আগে থেকেই জানার কারণে অনুষ্ঠান উপভোগ করা কঠিন ছিল। এমনকি এক গ্লাস মদ পান করার চেষ্টা করলেও অনেক সময় তীব্র বমিভাবের কারণে সেটি শেষ করতে পারেননি।
গবেষণা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে
সাধারণ জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত পর্যবেক্ষণভিত্তিক গবেষণাগুলোতে দেখা গেছে, ওজন কমানোর ওষুধ ব্যবহারকারীরা সামগ্রিকভাবে কম মদ পান করেন। তবে এখন পর্যন্ত পরিচালিত চিকিৎসাবিষয়ক পরীক্ষাগুলো মূলত মদ্যপানজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওপর কেন্দ্রীভূত হয়েছে। নিয়মিত বা সামাজিকভাবে মদ পান করেন এমন মানুষের ওপর গবেষণা তুলনামূলকভাবে সীমিত।
ক্রিশ্চিয়ান হেন্ডারশট বলেন, এ বিষয়ে তথ্য খুব দ্রুত জমা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে মদ্যপানজনিত সমস্যার চিকিৎসায় নির্ধারিত ব্যবহারের বাইরে এসব ওষুধ ব্যবহার করছে।
তবে মদ্যপানজনিত সমস্যার চিকিৎসায় ওষুধগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের আগে আরও বড় পরিসরের গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন গবেষক জোসেফ শাখট। তাঁর মতে, আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ এবং দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা করা জরুরি।

আসক্তির চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা, তবে ঝুঁকিও আছে
ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের আসক্তি গবেষক ড্যারেন কোয়েলচ বলেন, স্থূলতা বা ডায়াবেটিস নেই এমন মানুষের ক্ষেত্রে আসক্তির চিকিৎসায় এসব ওষুধ ব্যবহার কতটা নিরাপদ, সে বিষয়ে এখনো অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি ওষুধগুলোর দামও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এসব ওষুধের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। এর মধ্যে বিরল হলেও গুরুতর অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ বা অগ্ন্যাশয় আক্রান্ত হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গবেষকেরা এখন শুধু মদের আসক্তি নয়, ধূমপান এবং মাদকজাতীয় ব্যথানাশকসহ অন্যান্য আসক্তির ক্ষেত্রেও জিএলপি-১-ভিত্তিক ওষুধ ব্যবহার করা যায় কি না, তা পরীক্ষা করছেন।
ওয়ারেনের ক্ষেত্রে ওজন কমানোর ইনজেকশন শুরু করার পর বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপানের আড্ডায় যাওয়ার আগ্রহও কমে গেছে। তিনি বলেন, এখন তাঁর মদ পান করার তেমন ইচ্ছাই হয় না।
নিজের মদ্যপানকে কখনো সমস্যাজনক বলে মনে না করলেও সম্পূর্ণভাবে তা ছেড়ে দিতে পারাকে তিনি স্বস্তিদায়ক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, বিশেষ কোনো চেষ্টা না করেই মদ্যপান পুরোপুরি বাদ দিতে পারাটা ছিল একেবারেই নতুন এবং সতেজ অভিজ্ঞতা।
তবে গবেষকেরা মনে করছেন, ওজন কমানোর ওষুধকে মদ্যপানজনিত সমস্যার চিকিৎসা হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহারের আগে এর কার্যকারিতা, নিরাপত্তা, দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এবং ব্যয় নিয়ে আরও নির্ভরযোগ্য গবেষণা প্রয়োজন।
ওজন কমানোর ওষুধ তাই কারও জন্য মদ্যপানের আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে আনতে সহায়ক পরিবর্তন আনলেও, অন্য কারও সামাজিক জীবন ও দৈনন্দিন অভিজ্ঞতায় নতুন ধরনের সমস্যাও তৈরি করতে পারে। ফলে ওষুধটির প্রভাব ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এর ব্যবহার বা উদ্দেশ্য পরিবর্তন করা উচিত নয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















