আফ্রিকার একটি বিশেষ গাছের শিকড় থেকে পাওয়া সাইকোঅ্যাকটিভ যৌগ ইবোগেইন সাম্প্রতিক সময়ে মাদকাসক্তির চিকিৎসা নিয়ে গবেষণায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে ওপিওয়েড ও কোকেন-নির্ভরতার পাশাপাশি পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার (পিটিএসডি), বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো সমস্যার ক্ষেত্রেও এর সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়ে গবেষণা চলছে। তবে ইবোগেইন এখনো পরীক্ষাধীন এবং এর সঙ্গে গুরুতর হৃদ্যন্ত্রের ঝুঁকিও রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ইবোগেইন রাখা বা প্রেসক্রাইব করা বেআইনি। দেশটির মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের শ্রেণিবিন্যাসে এটি ‘শিডিউল-১’ নিয়ন্ত্রিত পদার্থ। এই শ্রেণিতে এমন পদার্থ রাখা হয়, যেগুলোর বর্তমানে স্বীকৃত চিকিৎসা ব্যবহার নেই বলে ফেডারেল সরকার মনে করে এবং অপব্যবহারের সম্ভাবনাও বেশি।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইবোগেইন নিয়ে গবেষণার প্রতি আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সাইকেডেলিক বা চেতনাপ্রভাবী ওষুধ নিয়ে গবেষণাকে এগিয়ে নিতে সরকারি উদ্যোগের পর বিষয়টি আরও আলোচনায় এসেছে।
ইবোগেইন আসলে কী?
ইবোগেইন হলো আফ্রিকার মধ্যাঞ্চলে পাওয়া ইবোগা গাছের শিকড় থেকে নিষ্কাশিত একটি প্রাকৃতিক সাইকোঅ্যাকটিভ যৌগ। বহু বছর ধরে এটি ওপিওয়েডের প্রতি আকাঙ্ক্ষা কমানোর সম্ভাব্য উপায় হিসেবে আলোচিত হয়ে আসছে।
আফ্রিকার মধ্যাঞ্চলের পিগমি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ইবোগার ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক ব্যবহার ছিল। নৃতাত্ত্বিকদের মতে, তাদের কাছে এটি ছিল ঈশ্বরপ্রদত্ত একটি পবিত্র মাধ্যম, যার মাধ্যমে মানুষ আধ্যাত্মিক জগত ও মৃতদের সঙ্গে পুনঃসংযোগের অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে বলে বিশ্বাস করা হতো।
ঔপনিবেশিক সময়কালে স্থানীয় সামাজিক কাঠামো ও ঐতিহ্যে পরিবর্তন আসার পরও ইবোগাকে ঘিরে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে যৌথ অভিজ্ঞতা ও ঐক্যের একটি ভূমিকা তৈরি হয়।

পরে ১৯৬২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা মাদক-সম্পর্কিত সমস্যার চিকিৎসায় ইবোগেইনের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করেন। প্রাথমিক ফল আশাব্যঞ্জক হলেও সাইকেডেলিক পদার্থ নিয়ে বিতর্কের কারণে একপর্যায়ে গবেষণার গতি কমে যায়।
১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইবোগেইনকে শিডিউল-১ নিয়ন্ত্রিত মাদক হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
কেন আবার আলোচনায় ইবোগেইন?
সাম্প্রতিক গবেষণায় ইবোগেইন মস্তিষ্কের বিভিন্ন স্নায়ুপথে পরিবর্তন ঘটাতে পারে—এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এর ফলে পিটিএসডি, উদ্বেগ ও বিষণ্নতার মতো কিছু মানসিক সমস্যায় উপকার পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা হচ্ছে।
ইবোগেইন গ্রহণকারীরা সাধারণত প্রথমে কয়েক ঘণ্টার একটি তীব্র দৃশ্যগত অভিজ্ঞতার কথা জানান। এরপর শুরু হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী আত্মঅনুসন্ধানমূলক বা অন্তর্মুখী অভিজ্ঞতা, যা কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডা. কার্স্টেন চেরিয়ানের মতে, এ সময় মস্তিষ্কের পরিবর্তনশীলতা বাড়তে পারে এবং নতুন স্নায়বিক সংযোগ তৈরির সুযোগ তৈরি হতে পারে। ইবোগেইন একই সঙ্গে একাধিক নিউরোট্রান্সমিটার ব্যবস্থায় কাজ করে বলে ধারণা করা হয়।
তবে গবেষকেরা সতর্ক করে বলছেন, এই প্রক্রিয়া কীভাবে কাজ করে এবং দীর্ঘমেয়াদে এর ফল কী—তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি।
নেদারল্যান্ডসের রাডবাউড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবোগেইন গবেষক ডা. আরন্ট শেলেখেন্সের মতে, এ বিষয়ে বিদ্যমান বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো সীমিত। তার ভাষায়, ইবোগেইনের কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো পর্যাপ্ত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হৃদ্যন্ত্র নিয়ে
ইবোগেইন নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি এর নিরাপত্তা নিয়েও বড় প্রশ্ন রয়েছে।
এই যৌগ হৃদ্যন্ত্রের বৈদ্যুতিক ছন্দে অস্বাভাবিকতা তৈরি করতে পারে। বিরল ক্ষেত্রে এর ফলে হৃদ্যন্ত্রের ছন্দ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়ে হৃদ্যন্ত্র বন্ধ হয়ে আকস্মিক মৃত্যুও ঘটতে পারে। বমিও এর সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর একটি।
ইবোগেইন গ্রহণের সঙ্গে কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কিত বলে নথিভুক্ত হয়েছে। তবে এসব মৃত্যুর প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে ইবোগেইনই সরাসরি কারণ ছিল কি না, নাকি আগে থেকে থাকা শারীরিক সমস্যা বা অন্য কোনো কারণ ভূমিকা রেখেছিল—তা সবসময় স্পষ্ট নয়।
এ কারণেই গবেষকেরা মনে করেন, ইবোগেইনকে সাধারণ চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহারের আগে এর নিরাপত্তা সম্পর্কে আরও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রয়োজন।
যুক্তরাষ্ট্রে বদল আসছে কি?
যুক্তরাষ্ট্রে সাইকেডেলিক ওষুধ নিয়ে গবেষণাকে দ্রুত এগিয়ে নিতে ২০২৬ সালের এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এতে ইবোগেইন-জাতীয় যৌগসহ বিভিন্ন সাইকেডেলিক পদার্থের গবেষণাকে উৎসাহিত করার কথা বলা হয়।
আদেশটিতে রাজ্য সরকারগুলোর মাধ্যমে সাইকেডেলিক চিকিৎসা নিয়ে গবেষণায় ৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের কথাও বলা হয়েছে। গুরুতর মানসিক অসুস্থতার চিকিৎসায় ‘ইবোগেইন যৌগ’-এর সম্ভাবনার কথাও এতে উল্লেখ করা হয়।
তৎকালীন মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) কমিশনার ডা. মার্টি মাকারি বলেছিলেন, শেষ পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য পর্যালোচনার পর ইবোগেইন-ভিত্তিক কোনো চিকিৎসা অনুমোদনের পর্যায়ে যেতে পারে।
তবে অনুমোদন পেলেও এটি সাধারণ ফার্মেসিতে গিয়ে কেনার মতো ওষুধ হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। সম্ভাব্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে হাসপাতাল বা বিশেষায়িত ক্লিনিকে চিকিৎসা-তত্ত্বাবধানে প্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে।
ইবোগেইনের নতুন সংস্করণ নিয়ে গবেষণা
এপ্রিলেই এফডিএ এমন একটি ওষুধের পরীক্ষামূলক গবেষণার আবেদন গ্রহণ করে, যাতে ইবোগেইনের একটি ডেরিভেটিভ বা পরিবর্তিত যৌগ ব্যবহার করা হয়েছে।
গবেষকদের লক্ষ্য হলো ইবোগেইনের সম্ভাব্য চিকিৎসাগত উপকার ধরে রাখা, কিন্তু এর হ্যালুসিনেশন বা তীব্র চেতনাগত অভিজ্ঞতা এবং হৃদ্যন্ত্রের বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা কমানো।
স্ট্যানফোর্ডের গবেষক চেরিয়ান মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণার সুযোগ বাড়ানোই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর ফলে ইবোগেইন নিয়ে আরও বিস্তৃত বৈজ্ঞানিক গবেষণার দরজা খুলতে পারে।
কেন ভেটেরানরা ইবোগেইনের দিকে যাচ্ছেন?
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সাবেক সদস্যদের মধ্যেও ইবোগেইন চিকিৎসা নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধ বা সামরিক জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত মানসিক আঘাত, পিটিএসডি এবং ট্রমাজনিত সমস্যায় প্রচলিত চিকিৎসায় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার পর কেউ কেউ বিদেশে গিয়ে এই চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মেক্সিকো এ ধরনের চিকিৎসার একটি পরিচিত গন্তব্য। সেখানে ইবোগেইন চিকিৎসা যুক্তরাষ্ট্রের মতো একইভাবে নিয়ন্ত্রিত নয়।
এমনই একজন সাবেক সেনাসদস্য চার্লস গ্রাহাম জুনিয়র। বিষণ্নতাজনিত সমস্যার চিকিৎসার জন্য তিনি মেক্সিকোতে ইবোগেইন নেন। চিকিৎসার দুই দিন পর তিনি জানান, জীবনে এমন শান্তি আগে অনুভব করেননি। তবে তিনি এটিও বলেন, এক রাতেই সব সমস্যা সেরে যায়নি; বরং নিজের সমস্যার পুনরাবৃত্ত চক্র থেকে বের হওয়ার একটি সুযোগ তিনি পেয়েছেন বলে মনে হয়েছে।
এ ধরনের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ইবোগেইন নিয়ে আগ্রহ বাড়ালেও এগুলোকে বৈজ্ঞানিকভাবে চিকিৎসার কার্যকারিতার চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
চিকিৎসার খরচও বড় বিষয়
ইবোগেইন চিকিৎসার খরচ ৫ হাজার ডলারের বেশি হতে পারে। চিকিৎসাটির জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাবেক সেনাসদস্যদের জন্য এ ধরনের চিকিৎসায় সহায়তাকারী বিভিন্ন সংগঠনও তৈরি হয়েছে।
‘ভেটেরানস এক্সপ্লোরিং ট্রিটমেন্ট সলিউশন্স’ নামের একটি সংগঠনের সহপ্রতিষ্ঠাতা অ্যাম্বার ক্যাপোনের দাবি, তাদের সংগঠন ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি সাবেক সেনাসদস্যের ইবোগেইন চিকিৎসায় অর্থায়ন বা সহায়তা করেছে।
তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও রোগীর বক্তব্যের পাশাপাশি চিকিৎসার কার্যকারিতা নির্ধারণে বড় আকারের, নিয়ন্ত্রিত এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্লিনিক্যাল গবেষণা প্রয়োজন।
গবেষণা বনাম দ্রুত অনুমোদনের বিতর্ক
ইবোগেইন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন উদ্যোগকে ঘিরে চিকিৎসা ও গবেষণা মহলে একদিকে আশাবাদ, অন্যদিকে সতর্কতা—দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই রয়েছে।
ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ডা. ফায়জান রব বলেছেন, পিটিএসডি ও ওপিওয়েড আসক্তির মতো সমস্যায় প্রচলিত চিকিৎসায় যেসব মানুষ পর্যাপ্ত সুবিধা পাচ্ছেন না, তাদের জন্য নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ। তবে নতুন চিকিৎসার কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা প্রমাণের জন্য কঠোর গবেষণা এবং পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন।
অন্যদিকে সাইকেডেলিক মেডিসিন কোয়ালিশনের প্রধান নির্বাহী মেলিসা লাভাসানি মনে করেন, ৫০ মিলিয়ন ডলারের সরকারি অর্থায়ন একটি সূচনা হতে পারে। তবে সাইকেডেলিক ওষুধের গবেষণা ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ হওয়ায় বড় আকারের গবেষণার জন্য আরও অর্থায়ন প্রয়োজন হতে পারে।
এফডিএ ইতোমধ্যে কিছু সাইকেডেলিক ওষুধের গবেষণাকে দ্রুত পর্যালোচনার জন্য ‘ন্যাশনাল প্রাইওরিটি ভাউচার’ কর্মসূচির আওতায় নিয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো নির্দিষ্ট ওষুধের অনুমোদন প্রক্রিয়ার পর্যালোচনার সময় কমানো।
তবে গবেষকেরা বলছেন, দ্রুত পর্যালোচনা মানেই দ্রুত অনুমোদন নয়। শেষ পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা মানুষের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর কি না, তা নির্ভর করবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলের ওপর।

সামাজিক মাধ্যমে বাড়ছে আগ্রহ
ইবোগেইন নিয়ে আলোচনা সামাজিক মাধ্যমেও বেড়েছে। মডেল ও মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মী প্রেসলি গারবার, যিনি মাদক ব্যবহারের সঙ্গে নিজের সংগ্রাম নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছিলেন, চলতি বছরের মার্চে সামাজিক মাধ্যমে ইবোগেইন চিকিৎসা নিয়ে পোস্ট করেছিলেন।
গারবার ২৭ বছর বয়সে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে মারা যান। সান্তা মনিকা পুলিশ বিভাগ তার মৃত্যুকে ‘সন্দেহভাজন ওভারডোজ’ হিসেবে তদন্ত করছে। তবে তার মৃত্যুর কারণ বা মৃত্যুর ধরন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।
তার মৃত্যুর সঙ্গে ইবোগেইনের কোনো সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্যও এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। ফলে এ ধরনের পৃথক ঘটনাকে ইবোগেইনের কার্যকারিতা বা ঝুঁকি সম্পর্কে সাধারণ সিদ্ধান্তের ভিত্তি হিসেবে দেখা ঠিক নয়।
সামনে কী?
ইবোগেইনকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনো একই—এর সম্ভাব্য চিকিৎসাগত উপকার কতটা এবং কোন রোগীর ক্ষেত্রে তা নিরাপদ?
একদিকে ওপিওয়েড ও কোকেন আসক্তি, পিটিএসডি, বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো কঠিন সমস্যায় নতুন চিকিৎসার সম্ভাবনা গবেষকদের আগ্রহী করছে। অন্যদিকে হৃদ্যন্ত্রের ছন্দে গুরুতর সমস্যা ও আকস্মিক মৃত্যুর মতো সম্ভাব্য ঝুঁকি ইবোগেইনকে অন্যান্য পরীক্ষাধীন চিকিৎসার তুলনায় বিশেষ সতর্কতার বিষয় করে তুলেছে।
ফলে ইবোগেইনের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আরও বিস্তৃত ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল, নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলাফলের ওপর। গবেষকেরা আশা করছেন, নতুন গবেষণা থেকে বোঝা যাবে—ইবোগেইন বা এর পরিবর্তিত সংস্করণ সত্যিই মাদকাসক্তি ও কিছু মানসিক সমস্যার চিকিৎসায় কার্যকর হতে পারে কি না, আর হলে কোন রোগীদের জন্য তা সবচেয়ে উপযোগী ও নিরাপদ।












