০৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা ৮৮০ বাগেরহাট হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, চালক আহত; পুড়ল ৯ মোটরসাইকেল মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্যেই পরীক্ষা ফেডপ্রধান ওয়ারশের ‘গানের মাহাত্ম্য গায়কের চেয়েও বড়’: নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে উষা উত্থুপ মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্যেই পরীক্ষা হবে ফেডপ্রধান ওয়ারশের নেতৃত্ব গালফের ভারতীয় প্রবাসীরা এখন শুধু রেমিট্যান্স পাঠান না, গড়ছেন বৈশ্বিক সম্পদ পর্দাহীন গারমিন সিরকা: তথ্য দেবে, কিন্তু মনোযোগ কেড়ে নেবে না ড্রোন হামলা বন্ধ না হলে জাওয়িয়া তেল শোধনাগার বন্ধের হুঁশিয়ারি লিবিয়ার তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর: অন্তত তিস্তা চুক্তি তো আশা করতে পারে বাংলাদেশ নিখোঁজ রুশ-ইসরায়েলি ইতিহাসবিদকে নিয়ে নীরব ইসরায়েল, মস্কোর জবাব চাওয়া

তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর: অন্তত তিস্তা চুক্তি তো আশা করতে পারে বাংলাদেশ

তারেক রহমানের একজন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেনতারেক রহমান যে কোনো সময় ভারতে যাবেন। তিনি ভারতে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। দুই দিন আগেও এক সাংবাদিক বন্ধুকে বলছিলামট্যাবলয়েড পত্রিকা বা ওই ধরনের কোনো মিডিয়া আউটলেট নিউজ করতে পারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে যাবেন না। প্রথম আলোর মতো একটি প্রথম সারির পত্রিকা কেন তার যাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে নিউজ করল?

ওই সাংবাদিক বন্ধু আমাকে বলেআরও অনেকেই তো করছে। তুমি কীভাবে মনে করছ তিনি যাবেনহাসতে হাসতে তাকে বলেছিলাম যে ইউনূস সেভেন সিস্টার খেয়ে দেওয়ার জন্য হুংকার দিয়েছিলেনব্যাংককে তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখনি?

তাছাড়া তারেক রহমানের দেশে ফেরানির্বাচনে জেতাপ্রধানমন্ত্রী হওয়া এমনকি রাজনীতিতে তাঁর অনেকটা ফিরে আসা সবকিছু ঘনিষ্ঠভাবে লক্ষ্য করার পরে কেন মনে করবে তিনি ভারতে যাবেন নাতাছাড়া প্রতিবেশী ও বৃহৎ শক্তি সব সময়ই ছোট রাষ্ট্রের জন্য ভিন্ন বাস্তবতা। রাষ্ট্রের চেয়ারে বসে এ বাস্তবতা অস্বীকার করা যায় না। যেমন শ্রীলঙ্কায় গিয়ে দেখা যায়মিডল ক্লাসের ছেলে মেয়েদের বড় অংশই চায়নাকে পছন্দ করেএমনকি তারা ইংরেজির পাশাপাশি এখন অনেকে ম্যান্ডারিন শেখে। তারপরও তাদের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ভারত সরকার ভারত মহাসাগরে” ফেলে দিচ্ছে নাঅর্থাৎ বড় রাষ্ট্রও প্রতিবেশীকে অস্বীকার করতে পারে না।

জরিপ শেষ, ফারাক্কা বাঁধ নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের বৈঠক কাল | The  Daily Star

তবে পত্রিকা বা সাংবাদিক যদি সরকারের কোনো হাইপ তোলার কাজে ব্যবহার হয় সেটা ভিন্ন। বর্তমানের ক্ষমতাসীন বা বিরোধী গোষ্ঠী মিলে এই যে জুলাই শক্তি”—এদের মূল পুঁজি কিন্তু ভারতবিরোধিতা। এমনকি এদের যে ইনফ্লুয়েন্সাররা বা যে মিডিয়া আউটলেটের সম্পাদক বা সাংবাদিকরা পরে স্বীকার করেছেনতারা জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতনের পক্ষে কাজ করেছেন। এদেরও কাজের শুরুটা খেয়াল করলে দেখা যাবেতারা ভারতবিরোধিতাবয়কট ভারত এই দিয়েই আন্দোলন শুরু করেছিল। কারণএকটি স্টেবল সরকার ও অর্থনৈতিকভাবে দেশকে সুস্থির রাখা সরকারের বিরুদ্ধে শুরুতে অন্য কোনো ট্যাগ লাগানোর সুযোগ ছিল না। তাই ভারতবিরোধিতার পুঁজিটাকেও তো রক্ষা করতে হবে।

তবে তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফরের দুটি অংশ। প্রথম অংশ তিনি ভারতে যাচ্ছেন ব্রিকস সম্মেলনে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে। দ্বিতীয় অংশ ভারত তাঁকে আগেই সপরিবারে ভারত সফর করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

অর্থাৎ শেষের অংশটুকু দ্বিপাক্ষিক। আর এই দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়েরই চেষ্টা থাকবে নিজ নিজ স্বার্থ রক্ষা। আরও সহজ করে বলা যায় যেমন ত্রিবেদী ও তারেক রহমান বৈঠক শেষে ব্রিকসে যাওয়া নিয়ে কিছু বলা হলো নাবলা হলো শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ও হাদির হত্যাকারীর ফেরত দেওয়ার বিষয় আলোচনা হয়েছে।

এর একদিন পরে মানুষ জানতে পারল এতদিন যে না যাওয়ার হাইপ পত্রপত্রিকা ও অন্যান্য মাধ্যম তুলেছিল বাস্তবতা তার বিপরীতে। বাংলাদেশ সরকারপ্রধান ভারতে যাচ্ছেন।

ঠিক তেমনি ভারত ও বাংলাদেশের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনায় তিস্তা পানি চুক্তি, গঙ্গার পানিবর্ডার নিরাপত্তাজঙ্গিবাদবাণিজ্য সহজীকরণডিজেল ও বিদ্যুৎ এগুলোই আলোচনা হবে।

সরাসরি ভারত থেকে পাইপলাইনে আরও সাত হাজার টন ডিজেল আসছে

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বলে একটা শব্দ বারবার উচ্চারণ হচ্ছে কিন্তু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্লিপ অব টাং হিসেবে প্রথমে যে শব্দটি বের হয়েছিল শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন। বাস্তবতা শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে সেটাই। কারণ তার প্রত্যর্পণ করার সুযোগ কোথায় ভারত সরকারেরতিনি সেখানে তো বন্দী ননতিনি সম্মানিত রাষ্ট্রীয় অতিথি। তাই প্রত্যর্পণ আইনে যে তিনি পড়েন না সেটা বাংলাদেশের ইউনূস সরকারও বুঝতেনআর বর্তমান সরকার তো বোঝেই।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত মি. ত্রিবেদী বলেছেনইস্যু যত আসে ততই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হয়। প্রকৃত অর্থে অভিজ্ঞ রাজনীতিকের কথা।

তবে বাংলাদেশের জনগণের জন্য কিছু ইস্যু তো সমাধান এ মুহূর্তে দরকার। যেমন গ্রামে গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। জ্বালানি মন্ত্রী ভারতকে বলেছেনডিজেল দিতে। পশ্চিমবঙ্গে এতদিন মমতা সরকার থাকায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার তিস্তা চুক্তি করতে পারেনি। চুক্তির সবকিছুই করা আছেএখন শুধু সই করলেই হয়ে যায়। জ্বালানি-বিদ্যুৎ ক্রাইসিস এখন সারা বিশ্বে। তাই সেটা না হয় পরে হলোবাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অন্তত যেন তাঁর দেশের মানুষের জন্য তিস্তা চুক্তিটি সই করে আসতে পারেনএই ইস্যু তো গণতন্ত্রের বিউটি হিসেবে সলভ হতে পারে। আর যাই হোক প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর তিস্তা চুক্তি ছাড়া ফিরে এলে কী সফলতা আসবেবন্ধু রাষ্ট্র ভারতের কাছে বাংলাদেশের জনগণ তো স্বাভাবিকভাবে এ আশাটুকু করবে।

লেখক: সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিকসম্পাদকসারাক্ষণ, The Present World

জনপ্রিয় সংবাদ

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা ৮৮০

তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর: অন্তত তিস্তা চুক্তি তো আশা করতে পারে বাংলাদেশ

০৭:৪১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

তারেক রহমানের একজন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেনতারেক রহমান যে কোনো সময় ভারতে যাবেন। তিনি ভারতে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। দুই দিন আগেও এক সাংবাদিক বন্ধুকে বলছিলামট্যাবলয়েড পত্রিকা বা ওই ধরনের কোনো মিডিয়া আউটলেট নিউজ করতে পারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে যাবেন না। প্রথম আলোর মতো একটি প্রথম সারির পত্রিকা কেন তার যাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে নিউজ করল?

ওই সাংবাদিক বন্ধু আমাকে বলেআরও অনেকেই তো করছে। তুমি কীভাবে মনে করছ তিনি যাবেনহাসতে হাসতে তাকে বলেছিলাম যে ইউনূস সেভেন সিস্টার খেয়ে দেওয়ার জন্য হুংকার দিয়েছিলেনব্যাংককে তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখনি?

তাছাড়া তারেক রহমানের দেশে ফেরানির্বাচনে জেতাপ্রধানমন্ত্রী হওয়া এমনকি রাজনীতিতে তাঁর অনেকটা ফিরে আসা সবকিছু ঘনিষ্ঠভাবে লক্ষ্য করার পরে কেন মনে করবে তিনি ভারতে যাবেন নাতাছাড়া প্রতিবেশী ও বৃহৎ শক্তি সব সময়ই ছোট রাষ্ট্রের জন্য ভিন্ন বাস্তবতা। রাষ্ট্রের চেয়ারে বসে এ বাস্তবতা অস্বীকার করা যায় না। যেমন শ্রীলঙ্কায় গিয়ে দেখা যায়মিডল ক্লাসের ছেলে মেয়েদের বড় অংশই চায়নাকে পছন্দ করেএমনকি তারা ইংরেজির পাশাপাশি এখন অনেকে ম্যান্ডারিন শেখে। তারপরও তাদের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ভারত সরকার ভারত মহাসাগরে” ফেলে দিচ্ছে নাঅর্থাৎ বড় রাষ্ট্রও প্রতিবেশীকে অস্বীকার করতে পারে না।

জরিপ শেষ, ফারাক্কা বাঁধ নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের বৈঠক কাল | The  Daily Star

তবে পত্রিকা বা সাংবাদিক যদি সরকারের কোনো হাইপ তোলার কাজে ব্যবহার হয় সেটা ভিন্ন। বর্তমানের ক্ষমতাসীন বা বিরোধী গোষ্ঠী মিলে এই যে জুলাই শক্তি”—এদের মূল পুঁজি কিন্তু ভারতবিরোধিতা। এমনকি এদের যে ইনফ্লুয়েন্সাররা বা যে মিডিয়া আউটলেটের সম্পাদক বা সাংবাদিকরা পরে স্বীকার করেছেনতারা জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতনের পক্ষে কাজ করেছেন। এদেরও কাজের শুরুটা খেয়াল করলে দেখা যাবেতারা ভারতবিরোধিতাবয়কট ভারত এই দিয়েই আন্দোলন শুরু করেছিল। কারণএকটি স্টেবল সরকার ও অর্থনৈতিকভাবে দেশকে সুস্থির রাখা সরকারের বিরুদ্ধে শুরুতে অন্য কোনো ট্যাগ লাগানোর সুযোগ ছিল না। তাই ভারতবিরোধিতার পুঁজিটাকেও তো রক্ষা করতে হবে।

তবে তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফরের দুটি অংশ। প্রথম অংশ তিনি ভারতে যাচ্ছেন ব্রিকস সম্মেলনে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে। দ্বিতীয় অংশ ভারত তাঁকে আগেই সপরিবারে ভারত সফর করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

অর্থাৎ শেষের অংশটুকু দ্বিপাক্ষিক। আর এই দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়েরই চেষ্টা থাকবে নিজ নিজ স্বার্থ রক্ষা। আরও সহজ করে বলা যায় যেমন ত্রিবেদী ও তারেক রহমান বৈঠক শেষে ব্রিকসে যাওয়া নিয়ে কিছু বলা হলো নাবলা হলো শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ও হাদির হত্যাকারীর ফেরত দেওয়ার বিষয় আলোচনা হয়েছে।

এর একদিন পরে মানুষ জানতে পারল এতদিন যে না যাওয়ার হাইপ পত্রপত্রিকা ও অন্যান্য মাধ্যম তুলেছিল বাস্তবতা তার বিপরীতে। বাংলাদেশ সরকারপ্রধান ভারতে যাচ্ছেন।

ঠিক তেমনি ভারত ও বাংলাদেশের সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনায় তিস্তা পানি চুক্তি, গঙ্গার পানিবর্ডার নিরাপত্তাজঙ্গিবাদবাণিজ্য সহজীকরণডিজেল ও বিদ্যুৎ এগুলোই আলোচনা হবে।

সরাসরি ভারত থেকে পাইপলাইনে আরও সাত হাজার টন ডিজেল আসছে

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বলে একটা শব্দ বারবার উচ্চারণ হচ্ছে কিন্তু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্লিপ অব টাং হিসেবে প্রথমে যে শব্দটি বের হয়েছিল শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন। বাস্তবতা শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে সেটাই। কারণ তার প্রত্যর্পণ করার সুযোগ কোথায় ভারত সরকারেরতিনি সেখানে তো বন্দী ননতিনি সম্মানিত রাষ্ট্রীয় অতিথি। তাই প্রত্যর্পণ আইনে যে তিনি পড়েন না সেটা বাংলাদেশের ইউনূস সরকারও বুঝতেনআর বর্তমান সরকার তো বোঝেই।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত মি. ত্রিবেদী বলেছেনইস্যু যত আসে ততই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হয়। প্রকৃত অর্থে অভিজ্ঞ রাজনীতিকের কথা।

তবে বাংলাদেশের জনগণের জন্য কিছু ইস্যু তো সমাধান এ মুহূর্তে দরকার। যেমন গ্রামে গ্রামে বিদ্যুৎ নেই। জ্বালানি মন্ত্রী ভারতকে বলেছেনডিজেল দিতে। পশ্চিমবঙ্গে এতদিন মমতা সরকার থাকায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার তিস্তা চুক্তি করতে পারেনি। চুক্তির সবকিছুই করা আছেএখন শুধু সই করলেই হয়ে যায়। জ্বালানি-বিদ্যুৎ ক্রাইসিস এখন সারা বিশ্বে। তাই সেটা না হয় পরে হলোবাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অন্তত যেন তাঁর দেশের মানুষের জন্য তিস্তা চুক্তিটি সই করে আসতে পারেনএই ইস্যু তো গণতন্ত্রের বিউটি হিসেবে সলভ হতে পারে। আর যাই হোক প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর তিস্তা চুক্তি ছাড়া ফিরে এলে কী সফলতা আসবেবন্ধু রাষ্ট্র ভারতের কাছে বাংলাদেশের জনগণ তো স্বাভাবিকভাবে এ আশাটুকু করবে।

লেখক: সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিকসম্পাদকসারাক্ষণ, The Present World