১০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বড় ক্লাসের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী, বদলাতে হবে শিক্ষার পদ্ধতি গ্যাস স্টেশনে বসল বিয়ের আসর, তিন পোশাকে চমকে দিলেন ড্রামার কনে ট্রাম্পের মানচিত্রে ‘মার্কিন’ আইসল্যান্ড, ক্ষুব্ধ রেইকিয়াভিক তলব করল মার্কিন রাষ্ট্রদূত এনভিডিয়া–হাগিং ফেস চুক্তিতে বদলে যেতে পারে প্রতিষ্ঠানের এআই কৌশল মেয়ের জন্মের স্মৃতি ধরে রাখতে টেলর সুইফটের প্রিয় গয়না-শিল্পীর অনন্য আংটি ১০–৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিল, আপত্তি বিজিএমইএ-বিকেএমইএর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: মিসরের সামনে যোগ দেওয়ার চেয়েও বড় প্রশ্ন কাঁচা সবুজ টমেটো সংরক্ষণ করুন শীতের জন্য, সহজেই তৈরি করুন মজাদার আচার ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করল মিসর

ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করল মিসর

ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে সরিয়ে দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা মিসর প্রত্যাখ্যান করে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী সমাধান হতে পারে কেবল একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।

গ্রিস ও সাইপ্রাসের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক

গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোতাকিস এবং সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোদুলিদেসের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আল-সিসি। মিসরে অনুষ্ঠিত মিসর-গ্রিস-সাইপ্রাস ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা ব্যবস্থার শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে তারা দেশটিতে সফর করছেন।

আল-সিসি বলেন, ন্যায়সংগত ও পূর্ণাঙ্গ শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো ১৯৬৭ সালের ৪ জুনের সীমানার ভিত্তিতে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম।

ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমিতে থাকার অধিকার

মিসরের প্রেসিডেন্ট ফিলিস্তিনি জনগণের নিজ ভূমিতে শান্তিতে বসবাসের অধিকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে নিজেদের ভূমিতে থাকার পাশাপাশি নিজস্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারও তাদের রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, এই অধিকার নিশ্চিত করাই অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

আল-সিসি আরও বলেন, আরব দেশগুলোর বিরুদ্ধে পরিচালিত যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করে মিসর। অভিন্ন ভাগ্য ও অভিন্ন আরব জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই কায়রো এমন অবস্থান নিয়েছে বলে জানান তিনি।

সামরিক হস্তক্ষেপ নয়, রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান

আঞ্চলিক সংকট নিরসনে সামরিক হস্তক্ষেপের পরিবর্তে রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর জোর দেন আল-সিসি। তিনি বলেন, জাতীয় সংলাপ, জনগণের ইচ্ছার প্রতি সম্মান এবং ব্যাপক রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতেই সংকটগুলোর অবসান ঘটানো সম্ভব।

সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়া ঠেকাতে উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সমর্থন এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মিসর-গ্রিস-সাইপ্রাস সহযোগিতা

ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে মিসর, গ্রিস ও সাইপ্রাসের মধ্যে যৌথ সমন্বয়ের বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান আল-সিসি। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে গ্রিসের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রকল্পে।

তিনি বলেন, তিন দেশের অংশীদারত্বের আওতায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সামরিক সমন্বয়ও রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ, সংগঠিত অপরাধ এবং অবৈধ অভিবাসনের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় ক্লাসের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী, বদলাতে হবে শিক্ষার পদ্ধতি

ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করল মিসর

০৮:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে সরিয়ে দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা মিসর প্রত্যাখ্যান করে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী সমাধান হতে পারে কেবল একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।

গ্রিস ও সাইপ্রাসের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক

গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোতাকিস এবং সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোদুলিদেসের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আল-সিসি। মিসরে অনুষ্ঠিত মিসর-গ্রিস-সাইপ্রাস ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা ব্যবস্থার শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে তারা দেশটিতে সফর করছেন।

আল-সিসি বলেন, ন্যায়সংগত ও পূর্ণাঙ্গ শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো ১৯৬৭ সালের ৪ জুনের সীমানার ভিত্তিতে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম।

ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমিতে থাকার অধিকার

মিসরের প্রেসিডেন্ট ফিলিস্তিনি জনগণের নিজ ভূমিতে শান্তিতে বসবাসের অধিকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে নিজেদের ভূমিতে থাকার পাশাপাশি নিজস্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারও তাদের রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, এই অধিকার নিশ্চিত করাই অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

আল-সিসি আরও বলেন, আরব দেশগুলোর বিরুদ্ধে পরিচালিত যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করে মিসর। অভিন্ন ভাগ্য ও অভিন্ন আরব জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই কায়রো এমন অবস্থান নিয়েছে বলে জানান তিনি।

সামরিক হস্তক্ষেপ নয়, রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান

আঞ্চলিক সংকট নিরসনে সামরিক হস্তক্ষেপের পরিবর্তে রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর জোর দেন আল-সিসি। তিনি বলেন, জাতীয় সংলাপ, জনগণের ইচ্ছার প্রতি সম্মান এবং ব্যাপক রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতেই সংকটগুলোর অবসান ঘটানো সম্ভব।

সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়া ঠেকাতে উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সমর্থন এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মিসর-গ্রিস-সাইপ্রাস সহযোগিতা

ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে মিসর, গ্রিস ও সাইপ্রাসের মধ্যে যৌথ সমন্বয়ের বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান আল-সিসি। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে গ্রিসের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রকল্পে।

তিনি বলেন, তিন দেশের অংশীদারত্বের আওতায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সামরিক সমন্বয়ও রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ, সংগঠিত অপরাধ এবং অবৈধ অভিবাসনের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।