প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৮)
প্রদীপ কুমার মজুমদার গ্রন্থোল্লিখিত বিবরণের সঙ্গে এই মতের পরিপূর্ণ সামজন্য আছে। কিন্তু প্রথম আর্যভট সম্পর্কে এঁরা নীরব।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
প্রদীপ কুমার মজুমদার গ্রন্থোল্লিখিত বিবরণের সঙ্গে এই মতের পরিপূর্ণ সামজন্য আছে। কিন্তু প্রথম আর্যভট সম্পর্কে এঁরা নীরব।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু এখান থেকে তিনি দক্ষিণ-পূবে অগ্রসর হয়ে বিপাশা (বিআস্) নদীর তীরে চীনভুক্তি নামক এক স্থানে এলেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় দিনেরবেলার ঈশ্বর এবং তাদের নাম ও লোকাচার ইত্যাদি ছাড়াও রাতেরবেলার কিছু দেবতার নাম, তাঁর প্রকৃতি এবং অর্থ আজতেকদের মধ্যে পাওয়া গেছে।
প্রদীপ কুমার মজুমদার এই আর্য-সিদ্ধান্তটির বয়স নিয়ে রীতিমত বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কেন্টলী সাহেব চতুর্দশ শতাব্দীতে এটি রচনা করা হয়েছে বলে মনে করেন।
শ্রী নিখিলনাথ রায় চিরদিন হইতে মহারাণী মহোদয়ার সুনাম দিদিগন্তে বিঘোষিত হইতেছে; কিন্তু সত্যের অনুরোধে বলিতে হইতেছে যে, শেষকালে তাঁহার সুনামের চতুদ্দিকে কটু একটু করিয়া যেন কালিমা পড়িয়াছিল।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু 'সঙ্গীরা সর্বস্ব হারিয়ে হাহুতাশ করতে লাগলেন, কিন্তু হিউএনচাঙকে অম্লান বদনে থাকতে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হলেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় দিন দেবতা/ঈশ্বর ঈশ্বরের প্রকৃতি ৬.
প্রদীপ কুমার মজুমদার ডঃ দত্ত' মনে করেন নাচাই, গ্রন্থনামের সঠিক পাঠোদ্ধার করতে পারেন নি এবং এটিকে AL-ntf বলে ধরে নিয়েছেন।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু হিউএনচাঙ বলেন, শাকল থেকে পূর্বে, সর্বত্র পথে বহু 'পুণ্যশালা' আছে। সেখানে অনাথ আতুরদের বিনামূল্যে ভোজ্য ও ঔষধ বিতরণ করা হয়।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় আজতেক সমাজে ক্যালেণ্ডার-এর গুরুত্ব অনেকটাই মায়া ও ইনকাদের সমান। ধর্মের মূল প্রাণকেন্দ্র রয়েছে ক্যালেণ্ডার বা বর্ষপঞ্জী।
প্রদীপ কুমার মজুমদার আলবিরূণী তাঁর গ্রন্থে আর্যভট ও তাঁর শিষ্যগণের প্রশংসা করেন এবং ব্রহ্মগুপ্তের আর্যভট সম্পর্কে কঠোর সমালোচনাকেই দোষারোপ করেছেন।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু কাশ্মীর ছেড়ে হিউএনচাঙ গঙ্গাতীরের দিকে অগ্রসর হলেন।প্রথমে এলেন শাকলে (বর্তমান শিয়ালকোট)।
পাতা ৬৮ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা