আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৯)
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় আজতেকদের ধর্মীয় বিশ্বাসের অন্য একটি ক্ষেত্র আছে যার প্রধান অংশে আছে পুরোহিতবর্গ এবং কিছু পণ্ডিত সমালোচক।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় আজতেকদের ধর্মীয় বিশ্বাসের অন্য একটি ক্ষেত্র আছে যার প্রধান অংশে আছে পুরোহিতবর্গ এবং কিছু পণ্ডিত সমালোচক।
প্রদীপ কুমার মজুমদার আর্যভট গণিতপাদের ১৭তম শ্লোকে বলেছেন: বৃত্তে শর সংবর্গোহর্ধজ্যাবর্গঃ স খলু ধনুযোঃ।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু কাশ্মীর থেকে কান্যকুব্জ হিউএনচাঙ পশ্চিমের গিরিবত্ম দিয়ে সম্ভবত বরাহমূলপুরায় (বা বরামূলায়) কাশ্মীর রাজ্যে প্রবেশ করেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এই তত্ত্ব অনুযায়ী তারা প্রাককলম্বিয় যুগের তন্ত্রবিদ্যা (Occultism) অনুসন্ধান করেছিল। সজোন এই দৃষ্টিভঙ্গিকে কখনও সমর্থন করেননি।
প্রদীপ কুমার মজুমদার এখানে আর্যভট 'এর যে মান দিয়েছেন অর্থাৎ ৬২৮৩২/২০০০, ভাস্করাচার্য সেই মান এখানে ধরেছেন।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু যারা দেবতার আকার দেখতে চায়, এ রকম বিশ্বাসী লোক সাতদিন উপোসের পর দেবতাকে দেখতে পায় আর বেশীর ভাগ সময়েই তাদের ইচ্ছা পূর্ণও হয়।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় তবে এই জেলবন্দী বা যুদ্ধাপরাধীদের বলিদান সম্পর্কে আজতেক সংবাদবিশেষজ্ঞ বেরনারদিনো দে সাগুন (Bernardino Do Sahgun) নরবলি প্রথাকে সমর্থন করেছিলেন।
প্রদীপ কুমার মজুমদার ঐতিহাসিকেরা কিন্তু ক্যে'র সমালোচনাকে অসঙ্গত মনে করেন এবং তাঁয় সমালোচনাকে তীব্র কষাঘাতও করেছেন।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু পুরুষপুর ছেড়ে আবার কাবুল নদী পার হ'য়ে হিউএনচাঙ কাবুল নদী আর শুভবস্ত (শ্বাট) নদীর সঙ্গমস্থলে পুস্কলাবতী এলেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় আজতেক সভ্যতার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে মিশে আছে বলিদান প্রথা।
প্রদীপ কুমার মজুমদার ক্যে'র এ অনুমান কতটা যুক্তি সঙ্গত তা ঐতিহাসিকেরাই বলতে পারেন তবে আমরা লক্ষ্য করেছি: (১) আলবিরূণী তাঁর গ্রন্থে কুসুমপুরের আর্যভটের গণিত থেকে কোন উদ্ধৃতি দেন নাই।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে, স্পুনার (D. B. Spooner) এই ভগ্নাবশেষ খনন ক'রে কণিষ্কের মূর্তি অঙ্কিত একটা আধারে রক্ষিত বুদ্ধাস্থি পান।এই বুদ্ধাস্থি ব্রহ্মদেশের বৌদ্ধদের দেওয়া হয়।
পাতা ৭০ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা