ব্রিটিশ রাজত্বে সুন্দরবন (পর্ব-১৬৬)
শশাঙ্ক মণ্ডল অবশেষে দক্ষিণ রায় এবং বনবিবির উভয়ের সেবক হয়ে তাদের মাহাত্ম্য প্রচারে নেমে পড়েন। গীতিকাটির মধ্যে চারটি অংশ লক্ষ করা যায়।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
শশাঙ্ক মণ্ডল অবশেষে দক্ষিণ রায় এবং বনবিবির উভয়ের সেবক হয়ে তাদের মাহাত্ম্য প্রচারে নেমে পড়েন। গীতিকাটির মধ্যে চারটি অংশ লক্ষ করা যায়।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ইনকাদের অর্থনীতি, কৃষিব্যবস্থা এবং জীবিকা ইত্যাদি: প্রত্যেক সমাজের একটি নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থাকে।
প্রদীপ কুমার মজুমদার অঙ্কবোধক চিহ্ন সম্পর্কে আবু রৈহান মহম্মদ ইবন আহমদ আল বিরুণীর লেখা গ্রন্থ পাঠ করলে অনেক কিছু আমরা জানতে পারি।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু ভারতবর্ষের সাধারণ বর্ণনা হিউএনচাঙ তাঁর গ্রন্থে সমগ্র ভারতবর্ষ সম্বন্ধে একটা সাধারণ বর্ণনা দিয়েছেন। এই বর্ণনার মুখ্য অংশগুলি নীচে সংকলিত হল।নাম।
শশাঙ্ক মণ্ডল রূপভান রহিমকে নিয়ে ঘরে ফিরে আসে। পরদিন শিক্ষকের মুখে রহিম জানতে পারে রূপভান তার স্ত্রী।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাধ এবং তার প্রাপ্য শাস্তি সাধারণভাবে ইনকারা ছিল শৃঙ্খলাপরায়ণ জাতি। আইন ভাঙ্গার সেরকম মানসিকতা তাঁদের ছিল না।
প্রদীপ কুমার মজুমদার দশম শতাব্দীর বিখ্যাত ঐতিহাসিক আবুল হাসান আলমাহদি (১৪৩ খ্রীঃ)বলেছেন ভারতীয় ঋষিদের সম্মেলনে স্রষ্টা ব্রহ্মার অনুরোধে ঋষিরা নয়টি অঙ্কবোধক চিহ্ন আবিষ্কার করেন।
শ্রী নিখিলনাথ রায় তাঁহার • হৃদয় অত্যন্ত উচ্চ ছিল; মুক্তহস্ততায় তাঁহার ন্যায় লোক তৎকালে দৃষ্ট হইত না। তিনি শিক্ষাকার্য্যে অত্যন্ত উৎসাহ প্রদান করিতেন।
শ্রী নিখিলনাথ রায় হেষ্টিংস আরও বলেন যে, তিনি তাঁহার নিজের জীবন দিয়াও কান্ত বাবুকে রক্ষা করিতে প্রস্তুত।
শশাঙ্ক মণ্ডল অসহায় নারীর অসহ্য যন্ত্রণা এভাবে প্রকাশিত হয়- কাউকে ডেকে বলছ মাঝি আমার নায়ে আয় আমায় দেখে বলছো তোমার নায়ে তো জায়গা নাইরে।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এই ধারাবাহিক পর্যায়ে সংবাদ পৌঁছাবার কাজটি শেষ হয়।
প্রদীপ কুমার মজুমদার ভারতীয় সংখ্যা সম্পর্কে আরবীয় গণিতবিদদের উল্লেখযোগ্য অলোচনা দশমিক সংখ্যাপাতন এবং এ সম্পর্কে নানা তথ্য নিয়ে আলোচনা দেশী এবং বিদেশী ঐতিহাসিকগণ করেছেন।
পাতা ৮১ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা