ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৪)
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ইনকাদের পোশাক এবং বয়ন শৈলীর সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছুটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ইনকাদের পোশাক এবং বয়ন শৈলীর সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছুটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
প্রদীপ কুমার মজুমদার দ্বিতীয় বিভেদের মূল কোথায় তা ঐতিহাসিক বিতর্কের মধ্যে স্থান নিয়েছে। তবে সদরত্নমালাতে দেখা যায়- নঞাবচশ শূন্যানি সন্ধ্যা কউপযাদয়ঃ।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু লোহার কবাট থেকে হিন্দুকুশ পর্বত পর্যন্ত প্রদেশ তুখার (তুষার) নামে পরিচিত ছিল।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ইনকাদের পোশাক, জামাকাপড় বাড়ির খবর, পরিবার, বাড়ি সাজানোর বাহার-এর সঙ্গে জানতে ইচ্ছে হয় ইনকারা কেমন পোশাক পরত।
প্রদীপ কুমার মজুমদার স্বরবর্ণের অঙ্কখ্যাপনে কোন প্রকার শক্তি নেই। তারা ব্যঞ্জনসম্পৃক্ত ব্যতীত অসম্পৃক্ত অবস্থায় সংখ্যাখ্যাপক বাক্যে অবস্থান করতে পারে না।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু এর পর যাত্রী তালাস্ নদী (আধুনিক আউলিয়াটা) পার হয়ে টাস্ফেন্ট গেলেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ইনকাদের পারিবারিক জীবন ইনকাদের প্রায় সব পরিবারই গ্রাম বা খামার বাড়িতে বাস করত। গ্রামের এই বাড়িগুলি খসখসে পাথর দিয়ে তৈরি।
প্রদীপ কুমার মজুমদার কটপযাদি প্রণালী ভারতবর্ষে কটপযাদি প্রণালী নামে অন্ত এক প্রকার অক্ষর সংখ্যা প্রণালী বহুদিন পূর্বে প্রচলিত ছিল।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু সম্রাটকে রাজী হতেই হল। তিনি এক দোভাষীকে দিয়ে কাপিশীর রাজার নিকট সুপারিশ পত্র লিখিয়ে দিলেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এই নির্মাণটিকে ইনকারা রাজকীয় গম্বুজ বলে। এছাড়া পবিত্র খোলা ময়দানের তিনদিক বড় বড় বাড়ি দিয়ে ঘেরা। তিনটি জানালা সহ মন্দির।
প্রদীপ কুমার মজুমদার প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন আর্যভট অক্ষর সংখ্য। প্রণালীর জন্য পাণিণিকে অনুসরণ করেছেন। অবশ্য উভয়েই আবার শিবসূত্রের কাছে ঋণী।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু তুরুস্ক সম্রাট এই ভোজের সময়ে হিউএনচাঙের প্রতি যে রকম দৃষ্টি রেখেছিলেন তাতে তাঁর ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাই প্রকাশ পায়।
পাতা ৮৩ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা