প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৯)
হৈরব ও ভৈরব 'ধর যেমুন আতকা মইরা গ্যালাম, গনিডাকতোরের ট্যাকাটা যেমনেই হউক মিটায়া দিছ, বহুত পাইবো হ্যায়, তরগিয়া চাইরশোর কিছু কম...'
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
হৈরব ও ভৈরব 'ধর যেমুন আতকা মইরা গ্যালাম, গনিডাকতোরের ট্যাকাটা যেমনেই হউক মিটায়া দিছ, বহুত পাইবো হ্যায়, তরগিয়া চাইরশোর কিছু কম...'
নজরুল কিন্তু কে কাহার কথা শোনে। কবি আবৃত্তি করিয়াই চলিয়াছেন।
সপ্তম পরিচ্ছেদ শুনে বাবা হাসতে শুরু করে দিলেন। আর আমাকে কী যেন বোঝানোর চেষ্টা করতে লাগলেন।
হৈরব ও ভৈরব সবেমাত্র বায়নার টাকা পেয়েছে অমনি ভোজবাজির মতো গনিমিয়া এসে হাজির, 'ট্যাকা পাইছ?'
সপ্তম পরিচ্ছেদ যে-জঙ্গলের পথে আমরা তখন যাচ্ছিলুম সেটা আসলে ছিল ছোট্ট একটা বন।
হৈরব ও ভৈরব তার মা বলে ছিঃ, তার ভাই বলে ছিঃ, তার পিসি বলে ছিঃ বলো ছিঃ করো, আর হৈরব নিজে অনেক হিসেব…
নজরুল একদিন গ্রীষ্মকালে হঠাৎ কবি আমার পদ্মাতীরের বাড়ি আসিয়া উপস্থিত। তিনি কেন্দ্রীয় আইনসভার সভ্য হইবার জন্য দাঁড়াইয়াছেন। এই উপলক্ষে ফরিদপুরে আসিয়াছেন প্রচারের জন্য!
সপ্তম পরিচ্ছেদ 'আরে, চুবুক, নিশ্চয়ই যাব। আপনার সঙ্গে আমি যে-কোনো জায়গায় যেতে প্রস্তুত। আচ্ছা, ওখান থেকে আমরা কোথায় যাব?
হৈরব ও ভৈরব মাঠ ঘাটে রোদ খাঁ খাঁ করে, রোদময় চিলের চিৎকার। এক একবার বিস্তীর্ণ দুপুর ঝনঝন ক'রে বেজে ওঠে।
নজরুল কবির প্রথম ছেলেটির নাম ছিল বুলবুল। বুলবুলের বয়স যখন পাঁচ-ছয় বৎসর, তখনই কবি তাকে সঙ্গে লইয়া বেড়াইতেন।
হৈরব ও ভৈরব 'এ-রে, কিনা বাজান! চ্যাট বাজাইছি! হৈরব হইলো ইয়া, লোম!
নজরুল একদিন মহাত্মা গান্ধির সামনে নজরুল তাঁর 'ঘোর ঘোর ঘোর ঘোররে আমার সাধের চরকা ঘোর' গানটি গাহিলেন। গান্ধিজি গান শুনিয়া হাসিয়া কুটিকুটি।
পাতা ১৯ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা