পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৭)
মোকদ্দমা করিবে ও নবাব সাহেব মধ্যস্থ হইয়া আপোষে মীমাংসা করিয়া দিবেন বলিয়া ও তাহাদিগকে টাকা দিয়া বাধ্য করিবেন বলিয়া প্রকাশ হইয়াছিল।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
মোকদ্দমা করিবে ও নবাব সাহেব মধ্যস্থ হইয়া আপোষে মীমাংসা করিয়া দিবেন বলিয়া ও তাহাদিগকে টাকা দিয়া বাধ্য করিবেন বলিয়া প্রকাশ হইয়াছিল।
প্রভৃতি স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গ এবং ঘন'র যোগ সম্পর্কে ব্রহ্মগুপ্ত এবং দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য আলোচনা করেছেন।
'কথিত আছে কৌশাম্বীরাজ উদয়ন বুদ্ধের জীবিতাবস্থায় এই মূর্তি নির্মাণ করেছিলেন। বুদ্ধের নির্বাণের পর মূর্তিটা আকাশে উড়ে এখানে এসেছে।
চুড়িদার পায়জামা ও গঞ্জির মতো জামা পরিহিত একজনা লোক লক্ষ দিয়া ঐ ঝুলনের মতো কাষ্ঠাসনে যাইয়া বসিল, শেষে শুনিয়াছি এই উভয় বস্ত্রই রবার নির্মিত।
প্রতিদিন দুই দ্রম্ম করে বেশী দিতে থাকায় তার তিনশ দ্রম্ম দিতে হল। তাকে কতদিনে এতগুলি ভ্রন্ম দিতে হয়েছিল?
সে যেন পত্রখানা সম্রাটের সভায় পেশ করে আর সংবাদ দেয় যে, যে-লোক ধর্মানুসন্ধানে ব্রাহ্মণদের দেশে গিয়েছিল সে ফিরে খোটান পর্যন্ত এসেছে।
কেরোসিনের টান সহ ও লাকুড় ইত্যাদি সহ নদীর দক্ষিণ নৌকাযোগে উপস্থিত হইলেন।
বর্গ লও তৎপর পদসমষ্টির যোগফলের সঙ্গে আটগুণ সাধারণ অন্তর গুণ করে যোগ কর। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য বলেছেন: যথোত্তরচয়েহস্ত্যাদিধনজ্ঞানায় করণসূত্রং বৃত্তম্।
'এই সময়ে তিনজন অর্হৎ সম্পূর্ণ সমাধিস্থ অবস্থায় একটা পর্বতগুহায় আছেন। এই সংবাদ পেরে হিউ এনচাঙ তুরফান যাওয়ার সংকল্প ত্যাগ করলেন।
উড়িবে ও কোথা হইতে উড়িবে ও কোথায় নামিবে, এ বিষয়ে নবাব সাহেব কী আজ্ঞা করিয়াছেন জানিতে চাহিল এ হচ্ছে কাহিনি, এখানে গনিউর রাজার…
সাধারণ অন্তর এবং পদসংখ্যা জানা থাকলে শেষপদ কত সংখ্যা, মধ্যপদ কত সংখ্যা এবং যে কোন সংখ্যক পদের সমষ্টি নির্ণয় করা যেতে পারে।
এই পর্বত-পৃষ্ঠের দক্ষিণ থেকে উত্তর পাশে পার হয়ে গেলে পথ কিছু সহজ হল।
পাতা ৪২ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা