প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২১৯)
ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে বর্গমূল নিয়ে অনেকেই আলোচনা করেছেন। পদ্ধতিগত এবং সুশৃঙ্খলভাবে আলোচনা করা হয়েছে প্রথম আর্যভটের সময় থেকে।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে বর্গমূল নিয়ে অনেকেই আলোচনা করেছেন। পদ্ধতিগত এবং সুশৃঙ্খলভাবে আলোচনা করা হয়েছে প্রথম আর্যভটের সময় থেকে।
দাক্ষিণাত্য তাম্রলিপ্তি থেকে হিউএনচাঙ হীনযানাশ্রয়ী দেশগুলির মধ্যে প্রধান সিংহল দ্বীপে যাওয়ার জন্যেই বেশী ব্যগ্র হয়েছিলেন।
আব্দুল জব্বার (১৯২৬-১৯৫২] ভাষা শহিদ আব্দুল জব্বার এসেছিলেন ময়মনসিংহের এক দরিদ্র পরিবার থেকে।
১১৩৪০+৮৩৪৩ = ১৯৬৮৩, ২০৩৭-৭৩-৮০০০+৩৪৩=৮৩৪৩। প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন এখানে দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য (a+b)³= a³+b³+3ab(a+b) এই সূত্রটির সাহায্যে সমাধান করেছেন। শ্রীধরাচার্য ত্রিশতিকায় বলেছেন- স্থাপ্যোহন্ত্যঘনোহন্ত্যকৃতিঃ স্থানাধিক্যংত্রিপূর্বগুণিতা চ।
তাম্রলিপ্তি বন্দর থেকে সেকালে পূর্বদ্বীপপুঞ্জ, চীন-জাপান ইত্যাদিতে বহু জাহাজ যাতায়াত করত।
আবদুল্লাহ সরকার লেন বংশাল বলতে যে এলাকাটি আমরা জানি, তার একটি অংশের নাম আবদুল্লাহ সরকার লেন।
এরপর দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সমাধান করেছেন এইভাবে- ন্যাসঃ ৯/২৭/১২৫ জাতাঃ ক্রমেণ ঘনাঃ ৭২৯/১৯৬৮৩/১৯৫৩১২৫ অথবা রাশিঃ।১। অন্য খণ্ডে ৪।৫। আভ্যাং রাশির্হতঃ ১৮০। ত্রিনিমশ্চ ৫৪০।
এই বিবরণে হিউ এনচাঙের উদার মনের পরিচয় পাওয়া যায়। হিউএনচাঙ সমতট বা দক্ষিণ বাংলার সম্বন্ধে বলেছেন, 'জমি খুব উর্বরা। রাজধানীর পরিধি চার মাইল।
আবুল বরকত [১৯২৭-১৯৫২] ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে যে ক'জন শহিদ হন তাঁদের মধ্যে আবুল বরকত অন্যতম। মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা ছিলেন তাঁরা।
অর্থাৎ সমরাশিকে সমরাশি দ্বারা তিনবার গুণ করিলে ঘন পাওয়া যায়। শেষ রাশির ঘন বাহির করিয়া রাখিতে হইবে।
হিউএনচাঙ যদিও এ যাত্রায় কামরূপ যান নি, পরে গিয়েছিলেন, তবু কামরূপ সম্বন্ধে তিনি যে বিবরণ দিয়েছেন তা এখানে দেওয়া হল।
আতিশখানা রোড মুঘল আমলে ঢাকার অনেক রাজকর্মচারী বাস করতেন লালবাগের এই আতিশখানায়। এই আতিশখানা থেকেই লালবাগের আতিশখানা রোডের নামকরণ করা হয়েছে।
পাতা ৫০ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা