মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩০৯)
কোম্পানীর ক্ষতি করিয়া যে গঙ্গাগোবিন্দ রাজস্বের অর্থও আত্মসাৎ করিয়াছিলেন, সেই গঙ্গাগোবিন্দের নিকট হইতে স্বয়ং গভর্ণর জেনারেল তাহা আদায়ের চেষ্টা করেন নাই কেন?
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
কোম্পানীর ক্ষতি করিয়া যে গঙ্গাগোবিন্দ রাজস্বের অর্থও আত্মসাৎ করিয়াছিলেন, সেই গঙ্গাগোবিন্দের নিকট হইতে স্বয়ং গভর্ণর জেনারেল তাহা আদায়ের চেষ্টা করেন নাই কেন?
এখানে যাঁরা থাকেন তাঁরা সকলেই স্বভাবতঃই গাম্ভীর্য ও সম্ভ্রম রক্ষণ করে থাকেন; সেই জন্যে এই সঙ্ঘারামের প্রতিষ্ঠা থেকে সাতশত বছরের মধ্যে একজনও এর নিয়মগুলি ভঙ্গ করেন নি।
আজতেক সমাজ ও সভ্যতা সম্পর্কে লক্ষ্যণীয় বৈশিষ্ট্যগুলি একনজরে আলোচিত হয়েছে এবং এই অনুসন্ধান থেকে আজতেক সমাজ ও সংস্কৃতির বিস্তৃতি সম্পর্কে আমরা একটা ধারণা করতে পারি।
অর্থাৎ কে দিয়ে ভাগ করতে হলে কে পরিবর্তিত কর এ' তারপর হবে। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য বলেছেন: "ছেদং লবঞ্চ পরিবর্তহরস্থ্য শেষঃ কার্যোহথ ভাগহরেণ গুণনাবিধিশ।"
যাহা হউক, হেষ্টিংস দুই এক স্থান ভিন্ন, অধিকাংশ স্থলেই যে গঙ্গাগোবিন্দের দ্বারা উৎকোচ গ্রহণ করিতেন, তাহার যথেষ্ট প্রমাণ আছে।
বেদ, হেতুবিদ্যা, শব্দবিদ্যা, চিকিৎসাবিদ্যা, অথর্ব বেদ, সাংখ্য ও অন্য সমস্ত শাস্ত্রের গভীর আলোচনা করেন।
কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি এবং জীবিকা মায়া, ইনকা এবং আজতেক সমাজ দাঁড়িয়েছিল কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির উপর।
ভগ্নাংশের ভাগঃ প্রথম আর্যভটের আর্যভটীয়তে যোগ বিয়োগ প্রভৃতি প্রাথমিক নিয়মগুলি না থাকলেও ভগ্নাংশের ভাগ সম্পর্কে প্রসঙ্গক্রমে উল্লিখিত আছে।
দিনাজপুর ও পাটনা ব্যতীত নদীয়া হইতে মা লক্ষ টাকা উৎকোচ লওয়া হইয়াছিল বলিয়া ওয়ারেন হেষ্টিংস অভিযুক্ত হন।
প্রত্যেক সঙ্ঘারামের প্রাঙ্গণগুলির চতুর্দিকে ভিক্ষুদের বাসের জন্যে বহু কক্ষ আছে-সেগুলি সবই চারতলা, সব তালাতেই রঙীন কার্নিশে কীতিমুখ খোদাই করা; টকটকে লালরঙের অলংকৃত থামগুলি কারুকার্যময়; বারান্দায় খোদাই করা ঝালরের রেলিঙ।
বলগেম প্রথা মায়া এবং আজতেক উভয় সমাজেই বলগেম প্রথা চালু ছিল। মায়াদের ক্ষেত্রে বলগেম হয় আয়তক্ষেত্রের আকারে একটি মাঠে।
অর্থাৎ "দুই ও একের সাতকে দুই ও একের তিন দিয়া গুণ করিলে কি হইবে এবং একের দুইকে একের তিন দিয়া গুণ করিলে কি…
পাতা ৫৬ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা