প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৮৯)
ভাগাপবাগ সম্পর্কে ব্রহ্মগুপ্ত, শ্রীধরাচার্য, মহাবীরাচার্য, দ্বিতীয় আর্যভট, দ্বিতীয় ভাস্কারাচার্য ও আরও অনেক ভারতীয় গণিতবিদ আলোচনা করেছেন।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
ভাগাপবাগ সম্পর্কে ব্রহ্মগুপ্ত, শ্রীধরাচার্য, মহাবীরাচার্য, দ্বিতীয় আর্যভট, দ্বিতীয় ভাস্কারাচার্য ও আরও অনেক ভারতীয় গণিতবিদ আলোচনা করেছেন।
নায়েব কাননগোগণ প্রধান কাননগোদিগের সহকারী থাকিয়া সেরেস্তার কার্য্য অতি সুন্দররূপে সম্পন্ন করিতেন।
এই নরকের দক্ষিণে একটা স্তূপ ছিল। এটার এখন ভগ্নদশা, কিন্তু চূড়াটা এখনো ছিল।
পিরামিড এবং ধর্মীয় বিশ্বাস মায়া, ইনকা এবং আজতেকদের একটি সাধারণ মিল-এর ক্ষেত্র হল পিরামিড এবং তাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় বিশ্বাস।
প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন শেষের উদাহরণটি অর্থাৎ (৩-১) এইটি ভাগা পবাহের উদাহরণ।
তাহাতে দেওয়ানেরও স্বাক্ষর থাকিবে। কালেক্টরগণ দেওয়ানের নিকট হিসাব পত্র পাঠাইবেন। হাজরী মহাল প্রভৃতির রাজস্বের বিষয় সমিতির আদেশমতে সভা-পতি ও দেওয়ান তত্ত্বাবধান করিবেন।
শ্রমণ তাই দেখে করুণায় পূর্ণ হয়ে সংসারের অনিত্যতার জ্ঞানলাভ করলেন, আর তৎক্ষণাৎ অর্হৎ পদ লাভ করলেন।
ভুট্টার ব্যবহার মায়া এবং আজতেক সভ্যতার এক পরিচিত শস্য হল (Maize) মেইজ বা ভুট্টাজাতীয় ফল। ইনকা সমাজেও ভুট্টা পাওয়া গেছে।
এই সূত্রটির সঙ্গে দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য একটি সুন্দর উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন: "সাঙ্কিদ্বয়ং এয়ং ব্যস্থি কীদৃগ, ক্রহি সবনিতম্।জানাস্ত্যংশানুবন্ধঞ্চে ওথা ভাগাপবাহনন্।"
অবশেষে প্রাদেশিক সমিতি ভঙ্গের পর কলিকাতায় একটি সাধারণ রাজস্ব-সমিতি স্থাপিত হয়। হেষ্টিংস গঙ্গাগোবিন্দুকে তাহার দেওয়ান এবং তৎপুত্র প্রাণকৃষ্ণকে নায়েব দেওয়ান নিযুক্ত করেন।
হিউএনচাঙ মহারাজ অশোক সম্বন্ধে অনেক কাহিনীই লিখেছেন। তিনি বলেন, অশোক যখন প্রথম রাজা হন, তখন খুব অত্যাচারী ছিলেন।
বিশেষ করে নবম থেকে দ্বাদশ হয়ে ত্রয়োদশ শতকের সময়কালে ইনকা আজতেক দুই সভ্যতাই কাজ করছিল।
পাতা ৫৯ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা