হিউএনচাঙ (পর্ব-৮২)
সত্যেন্দ্রকুমার বসু 'তখন প্রধানমন্ত্রী ভাণ্ডী ও অন্যান্য রাজকর্মচারীরা হর্ষবর্ধনকে সর্বগুণে মণ্ডিত দেখে তাঁকেই রাজা হতে আমন্ত্রণ করলেন।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু 'তখন প্রধানমন্ত্রী ভাণ্ডী ও অন্যান্য রাজকর্মচারীরা হর্ষবর্ধনকে সর্বগুণে মণ্ডিত দেখে তাঁকেই রাজা হতে আমন্ত্রণ করলেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় তার ফলে স্থাপত্য-সৌকর্যর কোনরকম অভাব নেই। প্রতিবছর লাতিন আমেরিকা, উত্তর মধ্য আমেরিকাসহ ইউরোপের কিছু দেশ থেকে পর্যটকরা এই স্থাপত্য শৈলী দেখে খুশী হন।
প্রদীপ কুমার মজুমদার আলবিরূণী কথিত দ্বিতীয় আর্যভটকে অস্বীকার করতে গেলে বিরোধীযুক্তিগুলি এইরকম হবে। (১) Al-ntf এর উল্লেখ, কুহুমপুরের আর্যভটের গ্রন্থ।
শ্রী নিখিলনাথ রায় গঙ্গাগোবিন্দ সিংহ কত দিন, কত মাস, কত বৎসর অতীত হইল, আজিও বঙ্গদেশে গঙ্গাগোবিন্দের নাম সমান ভাবেই চলিয়া আসিতেছে!
সত্যেন্দ্রকুমার বসু কান্যকুব্জ নগর সম্বন্ধে হিউএনচাঙ বলেন, 'নগর লম্বায় ২০ লি, চওড়ায় ৪।৫ লি। নগরের চতুর্দিকে একটা শুখনো পরিখা আছে।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এই ভাগটির আজতেকীয় নাম হল কামপানন্স (Campana)। গোটা শহরকে খাল বা ছোট নদীর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
প্রদীপ কুমার মজুমদার এবার দেখা যাক আর্যভটীয় গ্রন্থটি কোন আর্যভটের রচনা। আর্যভটীয়ের রচনা-কার নিশ্চয়ই ব্রহ্মগুপ্তের পূর্ববর্তী ছিলেন।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু হর্ষবর্ধন যে কেবল পরাক্রমশীল নৃপতি ছিলেন তাই নয়। তিনি নিজে বিদ্বান গুণী ও সংস্কৃতিবান ছিলেন।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় আজতেক সমাজের কিছু বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য প্রসঙ্গ আগের অধ্যায়গুলিতে আলোচিত বিষয় থেকে আমরা সহজেই বুঝতে পারি আজতেক সমাজ সভ্যতার মধ্যে রয়েছে সমৃদ্ধ এক দেশজ সংস্কৃতি।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু এই সিঁড়িগুলিতে পূজা দিয়ে হিউএনচাঙ গঙ্গাতীর ধরে দক্ষিণ-পূবে এসে কান্যকুজে উপনীত হলেন। তখন ৬৩৬ খৃস্টাব্দ।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিশ্বাস, উৎসর্গ, নরবলি প্রথা এসবের সঙ্গে অন্যান্য সভ্যতার মিল পাওয়া যায়।
প্রদীপ কুমার মজুমদার আলবিরূণী কর্তৃক উদ্ধৃত সকল রচনাংশগুলিরই সঙ্গে সামঞ্জস্থাপূর্ণ অংশ আর্যভটীয় গ্রন্থে পাওয়া যায়। অনেকক্ষেত্রে বাক্যগুলি অভিন্ন।
পাতা ৬৬ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা