হিউএনচাঙ (পর্ব-১৪)
সত্যেন্দ্রকুমার বসু রক্ষী বোধ হয় জীবনে এ রকম বাগ্মীতা কখনও শোনে নি।
ইতিহাস বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু রক্ষী বোধ হয় জীবনে এ রকম বাগ্মীতা কখনও শোনে নি।
প্রদীপ কুমার মজুমদার রোটাস শিলাপিপিতে যোগবিধির নিয়মে নামসংখ্যার উল্লেখ আছে। এখানে বলা হয়েছে: নবতিনবমুনীন্দ্রৈর্বাসরাণামধীশৈঃ পরিকলয়তি সংখ্যাং বৎসরে সাহশাকে।
শ্রী নিখিলনাথ রায় বিচার-সমিতির ষষ্ঠ দিবসের অধিবেশনে ১৭৮৮ খৃঃ অব্দের ১৯শে ফেব্রুয়ারি মহামনস্বী বার্ক, বাহারবন্দের কথা উল্লেখ করিয়া, বলিয়াছিলেন যে, হেষ্টিংস সাহেব অন্তায়পূর্ব্বক…
সত্যেন্দ্রকুমার বসু চাঙ আন আর লোইয়াঙ, এই দুই রাজধানীতেই যেসব মুখ্য সন্ন্যাসীরা বৌদ্ধধর্মের চর্চা করে থাকেন, তাঁরা সর্বদাই আমার কাছে আসতেন বৌদ্ধধর্ম শিক্ষা করতে, ধর্ম সম্বন্ধে গভীর ভাবে চিন্তা করতে আর ধার্মিক জীবনের ফললাভ করতে।
ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় ইনকা সমাজ ও সভ্যতার ধর্মীয় লোকাচার লোকরীতি, লোকবিশ্বাস এবং সামাজিক উৎসব-এর মধ্যে আমরা পাই মেসোআমেরিকা সংস্কৃতির প্রভাব।
মুঘল সম্রাট নাসিরউদ্দিন মুহাম্মদ হুমায়ুন চুনার দুর্গ (বর্তমান উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্গ) দখল করতে পারতেন।
শশাঙ্ক মণ্ডল খুলনা বরিশালের বিভিন্ন এলাকাতে দক্ষিণ রামের পূজার প্রচলন আছে।
প্রদীপ কুমার মজুমদার শুধুমাত্র ভারতীয় শাস্ত্র ও পাণ্ডুলিপিতেই নাম সংখ্যার উল্লেখ নেই।
শ্রী নিখিলনাথ রায় তাঁহারা অযোধ্যার বেগম ও চেৎ সিংহের প্রতি পাশৰ অত্যাচারের বিবরণের সহিত বঙ্গদেশের হতভাগ্য জমিদারদিগের প্রতি অবিচারের কথাও উল্লেখ করিতে বিস্তৃত হন নাই এবং তৎসঙ্গে সঙ্গে হেষ্টিংস সাহেবের প্রিয় কান্তের উদরপূরণের কথাটিও উল্লিখিত হইয়া- ছিল।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু অল্প কিছুদিন পরে পথপ্রদর্শক যুবাও বিপদসংকুল পথে যেতে রাজী না হয়ে তাঁকে ছেড়ে চলে গেল।
শশাঙ্ক মণ্ডল দক্ষিণ রায়কে কেন্দ্র করে পাঁচালী, মঙ্গলকাব্য রচিত হয়েছে; ২৪ পরগনার নিমতার কবি; কৃষ্ণ রামের কাব্য রায়মঙ্গলে কবি প্রচলিত মঙ্গলকাব্যের রীতিকে অনুসরণ করলেও বেশ কিছু মৌলিকত্বের পরিচয় দিয়েছেন।
প্রদীপ কুমার মজুমদার কোটিল্যের অর্থশাস্ত্রে স্থানীয়মান সহকারে নাম সংখ্যার উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায়। এখানে সমবৃত্ত। নামে এক ধরণের তুলাদণ্ডের কথা উল্লেখিত আছে।
পাতা ৯১ / ১০০ মোট ১,১৯০টি লেখা