পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২১৮)
দীনেশচন্দ্র যখন আমি বি, এ, ক্লাসের ছাত্র তখন দীনেশবাবু আমাকে লিখিলেন, "তোমার সেই 'কবর' কবিতাটি নকল করে পাঠাও। আমি 'ম্যাট্রিক সিলেকশনে' জুড়ে দেব।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
দীনেশচন্দ্র যখন আমি বি, এ, ক্লাসের ছাত্র তখন দীনেশবাবু আমাকে লিখিলেন, "তোমার সেই 'কবর' কবিতাটি নকল করে পাঠাও। আমি 'ম্যাট্রিক সিলেকশনে' জুড়ে দেব।
দীনেশচন্দ্র আমার কবিতার খাতাখানা তখন আমার সঙ্গেই ছিল। আমি আর স্থির থাকিতে পারিলাম না।
দীনেশচন্দ্র ইহার পর দীনেশবাবু ডাঃ শহীদুল্লাহ্ সাহেবের সঙ্গে কথা বলিতে লাগিলেন।
দীনেশচন্দ্র কিছু গ্রাম্য গান সংগ্রহ করিয়াছিলাম। পরলোকগত যতীন্দ্রমোহন সিংহ মহাশয় সেগুলি পড়িয়া বলিলেন, "তুমি দীনেশবাবুর সঙ্গে দেখা কর।
শরৎ-সন্নিধানে আমি এ কথার প্রতিবাদ করিলাম, "মুসলমান সমাজের প্রতি সে যুগের হিন্দু সাহিত্যিকেরা কম আক্রমণ করেন নি। তাঁরা অনেকেই মুসলমানদের ভালোবাসতেন না।
শরৎ-সন্নিধানে উপেনবাবুর নির্দেশ মতো আমরা তাঁহার বাসায় বিচিত্রা-অফিসে আসিয়া উপস্থিত হইলাম। অল্পক্ষণের মধ্যেই শরৎচন্দ্র আসিলেন। উপেনবাবু লাল মিঞাকে পরিচিত করাইয়া দিলেন।
শরৎ-সন্নিধানে শরৎচন্দ্রের সাহিত্য লইয়া আমাদের ফরিদপুর সাহিত্য-সভায় একদিন আলোচনা হইয়াছিল।
অদ্ভুতভাবে হেলে পড়েছে বিবেক চেয়ে দেখি কারো মাথা নেই!শূন্যতা দৌড়ে বেড়াচ্ছে চারদিক।মানুষ মরে গেলে কিছুই থাকেনা। অমরত্ব মৃত্যুর চেয়েও ভয়ঙ্কর ফাঁপা বেলুনের মতো!
বই পরিচিতি বই: দ্য গোল্ডেন ল্যান্ড অ্যাব্লেজ: কুপস, ইনসারজেন্টস অ্যান্ড দ্য স্টেট ইন মিয়ানমার লেখক: বার্টিল লিন্টনার প্রকাশক: হার্স্ট, ২০২৪ বিপজ্জনক ভ্রমণের সূচনা ১৯৮৫ সালের…
আজ ভোররাতে মলয় সাহা মারা গেলেন! রোজ সকাল দশটার ভেতর গায়ে জবজবে সর্ষের তেল মেখে পাড়ার পুকুরে এপার-ওপার তোলপাড় করে সাঁতরে স্নান করা…
একদা রুশ বিপ্লবের চিন্তা মাথায় নিয়ে বাড়ি ফিরতো যারা তাদের দক্ষতা ও সমন্বিত ধারনা প্রেমের চেয়েও উৎকৃষ্ট ছিল যা উপলদ্ধিজাত নয় তা অচিন্তার…
অচল সিকি 'কি হলো আবার?' এনামুল ওর দিকে ঘাড় ঘোরালো জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে। জেবুন্নেসার ভাবান্তর তার লক্ষ্য এড়ালো না। মিইয়ে পড়েছে জেবুন্নেসা, কিছুটা কাতর।
পাতা ১০ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা