পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১০৩)
সন্ন্যাসী ঠাকুর মনে মনে ভাবিলাম, আমি যদি এই ঘরে আজ রাত্রযাপন করি তবে আমার মরণ নিশ্চিত।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
সন্ন্যাসী ঠাকুর মনে মনে ভাবিলাম, আমি যদি এই ঘরে আজ রাত্রযাপন করি তবে আমার মরণ নিশ্চিত।
আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ ‘তাইলে শোন আমাদের বক্তব্য,’ শেষ করার আগে বাস্কাকভ বললে, ‘আমরা বলি, যুদ্ধ জয়ফয় শেষ করে শান্তি চাই না আমরা,…
সারাক্ষণ ডেস্ক তাও কী? লু তুং পিন (৭৫৫ - ৮০৫) তাও কী? এটাই শুধু। এটি ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।
ম্যাকসিম গোর্কী একটি চিঠি "ও! কী আনন্দ! আপনিও আমাদেরই একজন! অবশেষে ভগবানের কৃপায়, আমি আমার স্বদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানের মুখোমুখি দাঁড়াবার সুযোগ পেয়েছি।
সন্ন্যাসী ঠাকুর আম পাড়িয়া আনিলাম। লোহার বল্টুর সেই শিবের সামনে আমার চৌর্যবৃত্তি-আহরিত আমগুলি টানাইয়া ভোগ দিলাম। লোহার ঠাকুর এজন্য কোনোই উচ্চবাচ্য করিল না।
ক্ষমা করে দিও প্রভু স্বদেশ রায় তোমার গৈরিক বরনের ওপর ওরা গভীর কালো দাগ দিয়ে দিতে চায়। তুমি ওদের ক্ষমা করো দিও প্রভু।
ম্যাকসিম গোর্কী একটি চিঠি এর আগে এমন তিক্ত হতাশায়, এমন সান্ত্বনাহীন কান্নায় আমি কোনোদিন কাঁদি নি।
আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ বাস্স্কাকভ তখন বলে চলেছে, 'যুদ্ধজয়ের পর শান্তি? তা, কথাটা শুনতে মন্দ লয় কিন্তু। আমরা কনস্টানতিনোপ্ল্ জিতে লিব।
মণীশ রায় প্রথম প্রথম হাসি পেতো খুব। কাতুকুতু লাগার মতন হাসতে হাসতে রতন গড়িয়ে পড়তো মজুর শরীরে। হাসতে হাসতেই এই ভালো লাগার শুরু।
ম্যাকসিম গোর্কী একটি চিঠি পাথরগুলো ছিল প্রকাণ্ড, ফাটল ধরা, গায়ে তাদের সামুদ্রিক শ্যাওলার গন্ধ: জোয়ার এসেছিল, তাই।
আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ ভালো কথা। এখন তোমরা বাড়ি যেয়ে লিজের লিজের পুজিপাটা গুনে দ্যাখো, জমি কেনার মতো যথেষ্ট সম্বল আছে কিনা হিসেব করি দ্যাখো।
ম্যাকসিম গোর্কী একটি চিঠি কথা ক'টি তীরের মতো গিয়ে পৌঁছলো আমার অন্তরে, আমি রোষে ক্ষোভে যন্ত্রণায় আকুল হ'য়ে কেঁদে উঠলাম।
পাতা ৪২ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা