০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • 456

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

যেসব দ্রব্য নানাক্ষেত্রে উৎপাদন করা হত তা স্থানীয় বাজারে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হত। এইসব পণ্যর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল নানা রকমের পাত্র, থালা-বাসন, যন্ত্রপাতি (tools), অলংকার, কাপড়, ঝুড়ি এবং অন্যান্য বিলাসবহুল ভোগ্যপণ্য।

এছাড়া আজতেকরা সোনার গয়না, খানদানী নানা পোশাকও তৈরি করত। এইসব ভোগ্যপণ্য অন্যান্য অঞ্চল বা বাজারে নিয়ে যেত পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

এই কাজের বিভিন্ন স্তরে যে কর্মী লাগত তা শহরের নাগরিকদের মধ্য থেকে সংগ্রহ করা হত। এইসব উপসাগরীয় অঞ্চলে এইসব পণ্য বিক্রী হত। বিশেষত আধুনিক গুয়াতেমালায় আজতেকদের তৈরি করা ভোগ্যপণ্যের ভাল বাজার ছিল।

এই বাণিজ্যের ধরণটা অনেক সময় বিনিময় পদ্ধতির মত ছিল। অর্থাৎ আজতেকদের বাণিজ্য পণ্য বীন, কাকাও, তুলার বিনিময়ে অন্য কারবারীকে ভোগ্যপণ্য দিতে হত।

এছাড়া আজতেকদের কোনো ধাতুর মুদ্রা ছিল না এবং সেই কারণে পণ্য কেনার সময় তারা মুদ্রা হিসেবে দিত সুতির কাপড়, কাকাও, বিন, লবণ ইত্যাদি। এছাড়া আজতেকদের পণ্যবহনের জন্য কোনোরকম যানবাহন ছিল না। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করত কুলি বা শ্রমিকরা। কুলিরা পিঠে মালবহন করে নিত।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৩)

০৭:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

যেসব দ্রব্য নানাক্ষেত্রে উৎপাদন করা হত তা স্থানীয় বাজারে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হত। এইসব পণ্যর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল নানা রকমের পাত্র, থালা-বাসন, যন্ত্রপাতি (tools), অলংকার, কাপড়, ঝুড়ি এবং অন্যান্য বিলাসবহুল ভোগ্যপণ্য।

এছাড়া আজতেকরা সোনার গয়না, খানদানী নানা পোশাকও তৈরি করত। এইসব ভোগ্যপণ্য অন্যান্য অঞ্চল বা বাজারে নিয়ে যেত পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

এই কাজের বিভিন্ন স্তরে যে কর্মী লাগত তা শহরের নাগরিকদের মধ্য থেকে সংগ্রহ করা হত। এইসব উপসাগরীয় অঞ্চলে এইসব পণ্য বিক্রী হত। বিশেষত আধুনিক গুয়াতেমালায় আজতেকদের তৈরি করা ভোগ্যপণ্যের ভাল বাজার ছিল।

এই বাণিজ্যের ধরণটা অনেক সময় বিনিময় পদ্ধতির মত ছিল। অর্থাৎ আজতেকদের বাণিজ্য পণ্য বীন, কাকাও, তুলার বিনিময়ে অন্য কারবারীকে ভোগ্যপণ্য দিতে হত।

এছাড়া আজতেকদের কোনো ধাতুর মুদ্রা ছিল না এবং সেই কারণে পণ্য কেনার সময় তারা মুদ্রা হিসেবে দিত সুতির কাপড়, কাকাও, বিন, লবণ ইত্যাদি। এছাড়া আজতেকদের পণ্যবহনের জন্য কোনোরকম যানবাহন ছিল না। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করত কুলি বা শ্রমিকরা। কুলিরা পিঠে মালবহন করে নিত।

(চলবে)