০৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

আদালতের সিঁড়িতে পড়ে গেলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী

আদালত জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত তার রিমান্ড ও জামিনের আবেদন উভয়ই নামঞ্জুর করেন।

আদালতে হুড়োহুড়ি, সিঁড়িতে পড়ে আহত

আদালতের কার্যক্রম শেষে শিরীন শারমিনকে সিএমএম কোর্টের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামানোর সময় আইনজীবী ও সংবাদকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। ভিড়ের চাপের কারণে ভারসাম্য হারিয়ে তিনি সিঁড়িতে পড়ে যান এবং চিৎকার করেন। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে দ্রুত ধরেন এবং প্রিজন ভ্যানে নিরাপদে নিয়ে যান।

Shirin Sharmin Chowdhury sent to jail in July uprising case

মামলার পটভূমি ও রিমান্ডের কারণ

দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে হাজির করা হয় শিরীন শারমিনকে এবং দুই দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। রাষ্ট্রপক্ষের পিপি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, “শিরীন শারমিন ফ্যাসিবাদের অন্যতম কুশীলব ছিলেন। আন্দোলনের সময় রক্তক্ষয়ী হামলার নেপথ্য পরিকল্পনা বোঝার জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়া জরুরি।”

আসামিপক্ষের অবস্থান

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার মামুন বলেন, “শিরীন শারমিন চৌধুরী একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নারী এবং পেশায় আইনজীবী। ঘটনার ১০ মাস পরে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, এবং তিনি নিজে থেকেই পদত্যাগ করেছিলেন। মানবিক দিক বিবেচনায় তার জামিন হওয়া উচিত।”

ঘটনার বিবরণ

মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে গুলিবর্ষণে মো. আশরাফুল (ফাহিম) স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঘটনায়। অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং শিরীন শারমিনসহ অন্যান্য আসামিদের প্রত্যক্ষ মদদে হামলা চালানো হয়েছিল। মামলার ৩ নম্বর আসামি হিসেবে গত রাতে ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিরীন শারমিন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্রিয় ছিলেন এবং তার পরিকল্পনার কারণে সহিংস ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

আদালতের সিঁড়িতে পড়ে গেলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী

০৬:২২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

আদালত জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত তার রিমান্ড ও জামিনের আবেদন উভয়ই নামঞ্জুর করেন।

আদালতে হুড়োহুড়ি, সিঁড়িতে পড়ে আহত

আদালতের কার্যক্রম শেষে শিরীন শারমিনকে সিএমএম কোর্টের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামানোর সময় আইনজীবী ও সংবাদকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। ভিড়ের চাপের কারণে ভারসাম্য হারিয়ে তিনি সিঁড়িতে পড়ে যান এবং চিৎকার করেন। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে দ্রুত ধরেন এবং প্রিজন ভ্যানে নিরাপদে নিয়ে যান।

Shirin Sharmin Chowdhury sent to jail in July uprising case

মামলার পটভূমি ও রিমান্ডের কারণ

দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে হাজির করা হয় শিরীন শারমিনকে এবং দুই দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। রাষ্ট্রপক্ষের পিপি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, “শিরীন শারমিন ফ্যাসিবাদের অন্যতম কুশীলব ছিলেন। আন্দোলনের সময় রক্তক্ষয়ী হামলার নেপথ্য পরিকল্পনা বোঝার জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়া জরুরি।”

আসামিপক্ষের অবস্থান

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার মামুন বলেন, “শিরীন শারমিন চৌধুরী একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নারী এবং পেশায় আইনজীবী। ঘটনার ১০ মাস পরে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, এবং তিনি নিজে থেকেই পদত্যাগ করেছিলেন। মানবিক দিক বিবেচনায় তার জামিন হওয়া উচিত।”

ঘটনার বিবরণ

মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে গুলিবর্ষণে মো. আশরাফুল (ফাহিম) স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঘটনায়। অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং শিরীন শারমিনসহ অন্যান্য আসামিদের প্রত্যক্ষ মদদে হামলা চালানো হয়েছিল। মামলার ৩ নম্বর আসামি হিসেবে গত রাতে ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিরীন শারমিন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্রিয় ছিলেন এবং তার পরিকল্পনার কারণে সহিংস ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।