০৪:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

আপডেটের সুযোগ ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত: মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়ার্ক পারমিট নিয়মিত করার সময় বাড়াল সৌদি আরব

সৌদি আরব সরকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়ার্ক পারমিট নিয়মিত করার জন্য নিয়োগকর্তাদের দেওয়া বিশেষ সময়সীমা আরও বাড়িয়েছে। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ ১২ মাসের বেশি আগে শেষ হয়েছে, তাদের অবস্থা বৈধ করার সুযোগ এখন ২০২৬ সালের শেষ দিন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

একই সুবিধা পাবেন এমন কর্মীরাও, যারা কোনো প্রতিষ্ঠানে যোগদানের ছয় মাসের মধ্যেও ওয়ার্ক পারমিট পাননি।

শ্রমবাজারে নিয়ম মানার ওপর জোর

মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, শ্রম আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, নিয়োগকর্তা ও কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়ার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান ও কর্মী তাদের কাগজপত্র নিয়মিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। সেই ইতিবাচক সাড়া বিবেচনায় নিয়ে শ্রমবাজারে আরও বেশি মাত্রায় আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

নিয়োগকর্তাদের প্রতি সতর্কবার্তা

মন্ত্রণালয় নিয়োগকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, নির্ধারিত নতুন সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন অথবা নতুন করে ইস্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মীদের আইনগত অবস্থার সংশোধন না হলে বিদ্যমান শ্রম আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিউয়া প্ল্যাটফর্মের সাম্প্রতিক ঘোষণা

এই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি এসেছে কিউয়া (Qiwa) প্ল্যাটফর্মের সাম্প্রতিক এক ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যেই। ওই ঘোষণায় বলা হয়েছিল, যেসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, তাদের নাম ১ জুলাই থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়োগকর্তার রেকর্ড থেকে অপসারণ শুরু হবে।

তবে কিউয়া স্পষ্ট করেছে, কর্মীর নাম রেকর্ড থেকে বাদ পড়লেও বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কর্মী নিয়োগের সময়ে সৃষ্ট সব আর্থিক দায় নিয়োগকর্তার ওপরই বর্তাবে।

জরিমানা এড়াতে করণীয়

কিউয়া নিয়োগকর্তাদের পরামর্শ দিয়েছে, বকেয়া ওয়ার্ক পারমিট ফি পরিশোধ, পারমিট নবায়ন এবং প্রয়োজন হলে কর্মীর সেবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের মতো প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে। তা না হলে আইনি ব্যবস্থা এবং আর্থিক জরিমানার মুখোমুখি হতে হতে পারে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

সৌদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে নিয়োগকর্তা ও প্রবাসী কর্মীরা তাদের কাগজপত্র বৈধ করার জন্য আরও দীর্ঘ সময় পেলেও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরই জোর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবে মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়ার্ক পারমিট নিয়মিত করার সময়সীমা ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নিয়োগকর্তাদের দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের আহ্বান।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

আপডেটের সুযোগ ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত: মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়ার্ক পারমিট নিয়মিত করার সময় বাড়াল সৌদি আরব

০৬:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

সৌদি আরব সরকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়ার্ক পারমিট নিয়মিত করার জন্য নিয়োগকর্তাদের দেওয়া বিশেষ সময়সীমা আরও বাড়িয়েছে। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ ১২ মাসের বেশি আগে শেষ হয়েছে, তাদের অবস্থা বৈধ করার সুযোগ এখন ২০২৬ সালের শেষ দিন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

একই সুবিধা পাবেন এমন কর্মীরাও, যারা কোনো প্রতিষ্ঠানে যোগদানের ছয় মাসের মধ্যেও ওয়ার্ক পারমিট পাননি।

শ্রমবাজারে নিয়ম মানার ওপর জোর

মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, শ্রম আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, নিয়োগকর্তা ও কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়ার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান ও কর্মী তাদের কাগজপত্র নিয়মিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। সেই ইতিবাচক সাড়া বিবেচনায় নিয়ে শ্রমবাজারে আরও বেশি মাত্রায় আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

নিয়োগকর্তাদের প্রতি সতর্কবার্তা

মন্ত্রণালয় নিয়োগকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, নির্ধারিত নতুন সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন অথবা নতুন করে ইস্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মীদের আইনগত অবস্থার সংশোধন না হলে বিদ্যমান শ্রম আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিউয়া প্ল্যাটফর্মের সাম্প্রতিক ঘোষণা

এই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি এসেছে কিউয়া (Qiwa) প্ল্যাটফর্মের সাম্প্রতিক এক ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যেই। ওই ঘোষণায় বলা হয়েছিল, যেসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, তাদের নাম ১ জুলাই থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়োগকর্তার রেকর্ড থেকে অপসারণ শুরু হবে।

তবে কিউয়া স্পষ্ট করেছে, কর্মীর নাম রেকর্ড থেকে বাদ পড়লেও বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কর্মী নিয়োগের সময়ে সৃষ্ট সব আর্থিক দায় নিয়োগকর্তার ওপরই বর্তাবে।

জরিমানা এড়াতে করণীয়

কিউয়া নিয়োগকর্তাদের পরামর্শ দিয়েছে, বকেয়া ওয়ার্ক পারমিট ফি পরিশোধ, পারমিট নবায়ন এবং প্রয়োজন হলে কর্মীর সেবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের মতো প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে। তা না হলে আইনি ব্যবস্থা এবং আর্থিক জরিমানার মুখোমুখি হতে হতে পারে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

সৌদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে নিয়োগকর্তা ও প্রবাসী কর্মীরা তাদের কাগজপত্র বৈধ করার জন্য আরও দীর্ঘ সময় পেলেও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরই জোর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবে মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়ার্ক পারমিট নিয়মিত করার সময়সীমা ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নিয়োগকর্তাদের দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের আহ্বান।