০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

ইউরোপের প্রযুক্তিখাতে নতুন ভোর: বিনিয়োগ, প্রতিভা ও উদ্ভাবনে বদলে যাচ্ছে শক্তির সমীকরণ

ইউরোপের প্রযুক্তিখাত বহুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের তুলনায় পিছিয়ে বলে বিবেচিত হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছে। বিনিয়োগ বাড়ছে, নতুন উদ্যোগ গড়ে উঠছে, আর প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, দীর্ঘদিনের স্থবিরতার পর ইউরোপের প্রযুক্তি খাতে এখন এক নতুন সম্ভাবনার সময় শুরু হয়েছে।

স্টকহোমভিত্তিক একটি উদীয়মান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এই পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সফটওয়্যার তৈরির প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠানটি খুব অল্প সময়ে দ্রুত আয় বৃদ্ধি করেছে। মাত্র এক বছরের একটু বেশি সময়ের মধ্যে তাদের আয় কয়েক গুণ বেড়েছে। প্রতিষ্ঠাতাদের মতে, এখন ইউরোপেও বিশ্বমানের প্রযুক্তি কোম্পানি গড়ে তোলা সম্ভব—আর এই মানসিক পরিবর্তনই সবচেয়ে বড় শক্তি।

দীর্ঘদিনের পিছিয়ে থাকা ইউরোপ

প্রযুক্তি কোম্পানি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ইউরোপ দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে ছিল। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ একশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউরোপের সংখ্যা মাত্র কয়েকটি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সংখ্যা অনেক বেশি এবং চীনও এগিয়ে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে এর পেছনে কয়েকটি বড় কারণ রয়েছে। ইউরোপের বাজার বড় হলেও ভাষা ও নিয়মের বিভাজন উদ্যোক্তাদের দ্রুত বিস্তার ঘটাতে বাধা দেয়। যদিও মহাদেশজুড়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে বিপুল দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়, তবু বড় আকারে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ সংগ্রহ করা অনেক উদ্যোক্তার জন্য কঠিন ছিল।

নীতিনির্ধারকদের নতুন উদ্যোগ

তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের নীতিনির্ধারকরা প্রযুক্তিখাতকে শক্তিশালী করতে নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার চাপ তাদের আরও সক্রিয় করেছে। এখন প্রযুক্তিকে কেবল ব্যবসার বিষয় নয়, বরং ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

নীতিনির্ধারকেরা চাইছেন ইউরোপের সরকারগুলো নিজস্ব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বেশি প্রযুক্তি কিনুক। একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের অর্থ সংগ্রহ সহজ করতে পুঁজি বাজার একীভূত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশ পেনশন তহবিলকে নতুন প্রযুক্তি উদ্যোগে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার নিয়মও পরিবর্তন করছে।

বিনিয়োগ ও প্রতিভা বাড়ছে

গত এক দশকে ইউরোপের প্রযুক্তি উদ্যোগে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখনও অনেক এগিয়ে, তবু ইউরোপে নতুন উদ্যোগে অর্থায়নের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে।

একই সঙ্গে প্রযুক্তি প্রতিভার প্রবাহও বদলাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে সাম্প্রতিক ছাঁটাই এবং অভিবাসন নীতির পরিবর্তনের ফলে অনেক দক্ষ কর্মী ইউরোপে আসতে আগ্রহী হচ্ছেন। ফলে ইউরোপে প্রযুক্তি দক্ষতার একটি বড় ভাণ্ডার তৈরি হচ্ছে।

সফল উদ্যোক্তাদের নতুন ভূমিকা

ইউরোপের প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তি উদ্যোক্তারাও এখন নতুন উদ্যোগে বিনিয়োগ করছেন। বড় প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মীরা নতুন নতুন উদ্যোগ শুরু করছেন, যা পুরো প্রযুক্তি পরিবেশকে আরও গতিশীল করে তুলছে।

আগে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের শেয়ার সুবিধা কম থাকলেও এখন অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের শেয়ার প্রদান করছে। এর ফলে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ছে।

নতুন সম্ভাবনার তিন খাত

ইউরোপের প্রযুক্তি উন্নয়নে কয়েকটি খাত বিশেষভাবে এগিয়ে আসছে।

প্রথমত, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি। সবুজ শক্তি ও পরিবেশ প্রযুক্তিতে ইউরোপ দ্রুত অগ্রগতি করছে। বিভিন্ন নতুন প্রতিষ্ঠান কার্বনমুক্ত ইস্পাত, বৈদ্যুতিক পরিবহন এবং বাতাস থেকে কার্বন সংগ্রহের মতো প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।

দ্বিতীয়ত, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে ইউরোপে আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ছে। নতুন ড্রোন প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে।

তৃতীয়ত, গভীর প্রযুক্তি বা জটিল বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি। পারমাণবিক সংযোজন শক্তি, কোয়ান্টাম গণনা এবং উন্নত যোগাযোগ প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও ইউরোপের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও নতুন উদ্যোগগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তবু সামনে চ্যালেঞ্জ

সবকিছু সত্ত্বেও ইউরোপের প্রযুক্তিখাতের সামনে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশাল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তৈরি করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবধান এখনও অনেক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি কোম্পানি হয়তো এখনও ইউরোপ থেকে আসবে না। তবু এখন প্রথমবারের মতো অনেকেই মনে করছেন—এমন সম্ভাবনা আর অবাস্তব নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

ইউরোপের প্রযুক্তিখাতে নতুন ভোর: বিনিয়োগ, প্রতিভা ও উদ্ভাবনে বদলে যাচ্ছে শক্তির সমীকরণ

০৩:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ইউরোপের প্রযুক্তিখাত বহুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের তুলনায় পিছিয়ে বলে বিবেচিত হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছে। বিনিয়োগ বাড়ছে, নতুন উদ্যোগ গড়ে উঠছে, আর প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, দীর্ঘদিনের স্থবিরতার পর ইউরোপের প্রযুক্তি খাতে এখন এক নতুন সম্ভাবনার সময় শুরু হয়েছে।

স্টকহোমভিত্তিক একটি উদীয়মান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এই পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে সফটওয়্যার তৈরির প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠানটি খুব অল্প সময়ে দ্রুত আয় বৃদ্ধি করেছে। মাত্র এক বছরের একটু বেশি সময়ের মধ্যে তাদের আয় কয়েক গুণ বেড়েছে। প্রতিষ্ঠাতাদের মতে, এখন ইউরোপেও বিশ্বমানের প্রযুক্তি কোম্পানি গড়ে তোলা সম্ভব—আর এই মানসিক পরিবর্তনই সবচেয়ে বড় শক্তি।

দীর্ঘদিনের পিছিয়ে থাকা ইউরোপ

প্রযুক্তি কোম্পানি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ইউরোপ দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে ছিল। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ একশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউরোপের সংখ্যা মাত্র কয়েকটি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সংখ্যা অনেক বেশি এবং চীনও এগিয়ে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে এর পেছনে কয়েকটি বড় কারণ রয়েছে। ইউরোপের বাজার বড় হলেও ভাষা ও নিয়মের বিভাজন উদ্যোক্তাদের দ্রুত বিস্তার ঘটাতে বাধা দেয়। যদিও মহাদেশজুড়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে বিপুল দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়, তবু বড় আকারে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ সংগ্রহ করা অনেক উদ্যোক্তার জন্য কঠিন ছিল।

নীতিনির্ধারকদের নতুন উদ্যোগ

তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের নীতিনির্ধারকরা প্রযুক্তিখাতকে শক্তিশালী করতে নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার চাপ তাদের আরও সক্রিয় করেছে। এখন প্রযুক্তিকে কেবল ব্যবসার বিষয় নয়, বরং ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

নীতিনির্ধারকেরা চাইছেন ইউরোপের সরকারগুলো নিজস্ব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বেশি প্রযুক্তি কিনুক। একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের অর্থ সংগ্রহ সহজ করতে পুঁজি বাজার একীভূত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশ পেনশন তহবিলকে নতুন প্রযুক্তি উদ্যোগে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার নিয়মও পরিবর্তন করছে।

বিনিয়োগ ও প্রতিভা বাড়ছে

গত এক দশকে ইউরোপের প্রযুক্তি উদ্যোগে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখনও অনেক এগিয়ে, তবু ইউরোপে নতুন উদ্যোগে অর্থায়নের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে।

একই সঙ্গে প্রযুক্তি প্রতিভার প্রবাহও বদলাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে সাম্প্রতিক ছাঁটাই এবং অভিবাসন নীতির পরিবর্তনের ফলে অনেক দক্ষ কর্মী ইউরোপে আসতে আগ্রহী হচ্ছেন। ফলে ইউরোপে প্রযুক্তি দক্ষতার একটি বড় ভাণ্ডার তৈরি হচ্ছে।

সফল উদ্যোক্তাদের নতুন ভূমিকা

ইউরোপের প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তি উদ্যোক্তারাও এখন নতুন উদ্যোগে বিনিয়োগ করছেন। বড় প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মীরা নতুন নতুন উদ্যোগ শুরু করছেন, যা পুরো প্রযুক্তি পরিবেশকে আরও গতিশীল করে তুলছে।

আগে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের শেয়ার সুবিধা কম থাকলেও এখন অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের শেয়ার প্রদান করছে। এর ফলে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ছে।

নতুন সম্ভাবনার তিন খাত

ইউরোপের প্রযুক্তি উন্নয়নে কয়েকটি খাত বিশেষভাবে এগিয়ে আসছে।

প্রথমত, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি। সবুজ শক্তি ও পরিবেশ প্রযুক্তিতে ইউরোপ দ্রুত অগ্রগতি করছে। বিভিন্ন নতুন প্রতিষ্ঠান কার্বনমুক্ত ইস্পাত, বৈদ্যুতিক পরিবহন এবং বাতাস থেকে কার্বন সংগ্রহের মতো প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।

দ্বিতীয়ত, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে ইউরোপে আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ছে। নতুন ড্রোন প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে।

তৃতীয়ত, গভীর প্রযুক্তি বা জটিল বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি। পারমাণবিক সংযোজন শক্তি, কোয়ান্টাম গণনা এবং উন্নত যোগাযোগ প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও ইউরোপের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও নতুন উদ্যোগগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তবু সামনে চ্যালেঞ্জ

সবকিছু সত্ত্বেও ইউরোপের প্রযুক্তিখাতের সামনে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশাল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তৈরি করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবধান এখনও অনেক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি কোম্পানি হয়তো এখনও ইউরোপ থেকে আসবে না। তবু এখন প্রথমবারের মতো অনেকেই মনে করছেন—এমন সম্ভাবনা আর অবাস্তব নয়।