০৬:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী একটি মিছিল নিষিদ্ধ করতে বিরল ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে আয়োজকেরা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

বিরল ক্ষমতা ব্যবহার করে মিছিল নিষিদ্ধ
ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি এমন একটি ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন, যা সাধারণত খুব কম ব্যবহার করা হয়। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে লন্ডনে পরিকল্পিত একটি ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ ও কিছু সমালোচকের মতে, এই সমাবেশটি শুধু ফিলিস্তিনের সমর্থনে নয়, বরং ইরানের প্রতি সমর্থন প্রকাশের মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা আয়োজকদের
তবে মিছিলের আয়োজকেরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তাদের মতে, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার গণতান্ত্রিক সমাজে একটি মৌলিক অধিকার।

UK bans pro-Iran, anti-Israel Al Quds Day march, but static demonstration  permitted | The Times of Israel

গাজা যুদ্ধের পর থেকে উত্তেজনা
গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই লন্ডনসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। এই ধরনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতবিরোধও তীব্র হয়েছে।

ইহুদি সংগঠনগুলোর উদ্বেগ
যুক্তরাজ্যের কিছু ইহুদি সংগঠন অভিযোগ করেছে, এসব বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু মানুষ ইহুদিবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছে। তাদের মতে, ফিলিস্তিনের সমর্থনে হওয়া অনেক সমাবেশে এমন বক্তব্য বা আচরণ দেখা যায় যা ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগজনক।

এই পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সামাজিক সম্প্রীতির প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

০৭:১৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী একটি মিছিল নিষিদ্ধ করতে বিরল ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে আয়োজকেরা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

বিরল ক্ষমতা ব্যবহার করে মিছিল নিষিদ্ধ
ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি এমন একটি ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন, যা সাধারণত খুব কম ব্যবহার করা হয়। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে লন্ডনে পরিকল্পিত একটি ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ ও কিছু সমালোচকের মতে, এই সমাবেশটি শুধু ফিলিস্তিনের সমর্থনে নয়, বরং ইরানের প্রতি সমর্থন প্রকাশের মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা আয়োজকদের
তবে মিছিলের আয়োজকেরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তাদের মতে, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার গণতান্ত্রিক সমাজে একটি মৌলিক অধিকার।

UK bans pro-Iran, anti-Israel Al Quds Day march, but static demonstration  permitted | The Times of Israel

গাজা যুদ্ধের পর থেকে উত্তেজনা
গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই লন্ডনসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। এই ধরনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতবিরোধও তীব্র হয়েছে।

ইহুদি সংগঠনগুলোর উদ্বেগ
যুক্তরাজ্যের কিছু ইহুদি সংগঠন অভিযোগ করেছে, এসব বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু মানুষ ইহুদিবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছে। তাদের মতে, ফিলিস্তিনের সমর্থনে হওয়া অনেক সমাবেশে এমন বক্তব্য বা আচরণ দেখা যায় যা ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগজনক।

এই পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সামাজিক সম্প্রীতির প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।