০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

ইরান যুদ্ধে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সাত ধরনের ধাক্কা আসার আশঙ্কা

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অর্থনীতিবিদরা বাংলাদেশের জন্য একের পর এক ঝুঁকির কথা বলছেন। শুধু জ্বালানি নয়, সরাসরি সাতটি আলাদা খাতে এই যুদ্ধের ধাক্কা আসতে পারে।

সাতটি ধাক্কা কোথায় কোথায়

প্রথমত জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়া। দ্বিতীয়ত রপ্তানিতে সামুদ্রিক পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি। তৃতীয়ত বীমা খরচ বাড়া। চতুর্থত রেমিট্যান্স কমে আসার ঝুঁকি। পঞ্চমত মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিকদের চাকরি হারানোর সম্ভাবনা। ষষ্ঠত সার আমদানিতে সমস্যা, যা কৃষিতে আঘাত দেবে। সপ্তমত টাকার অবমূল্যায়নের চাপ।

এখন পর্যন্ত কী দেখা যাচ্ছে

মুদ্রাস্ফীতি ইতিমধ্যে ৯ শতাংশের উপরে, রিজার্ভে চাপ আছে এবং বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রস্তাব এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগে সরকারকে জরুরি পরিকল্পনা করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শ

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে জরুরি জ্বালানি সংগ্রহ করতে হবে, পণ্য পরিবহনের বিকল্প পথ খুঁজতে হবে এবং রপ্তানি শিল্পে অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হবে।

ইরান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জ্বালানি, রেমিট্যান্স, রপ্তানি, কৃষি সহ সাত ধরনের আঘাত আসার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

ইরান যুদ্ধে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সাত ধরনের ধাক্কা আসার আশঙ্কা

০৮:০১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অর্থনীতিবিদরা বাংলাদেশের জন্য একের পর এক ঝুঁকির কথা বলছেন। শুধু জ্বালানি নয়, সরাসরি সাতটি আলাদা খাতে এই যুদ্ধের ধাক্কা আসতে পারে।

সাতটি ধাক্কা কোথায় কোথায়

প্রথমত জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়া। দ্বিতীয়ত রপ্তানিতে সামুদ্রিক পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি। তৃতীয়ত বীমা খরচ বাড়া। চতুর্থত রেমিট্যান্স কমে আসার ঝুঁকি। পঞ্চমত মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিকদের চাকরি হারানোর সম্ভাবনা। ষষ্ঠত সার আমদানিতে সমস্যা, যা কৃষিতে আঘাত দেবে। সপ্তমত টাকার অবমূল্যায়নের চাপ।

এখন পর্যন্ত কী দেখা যাচ্ছে

মুদ্রাস্ফীতি ইতিমধ্যে ৯ শতাংশের উপরে, রিজার্ভে চাপ আছে এবং বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রস্তাব এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগে সরকারকে জরুরি পরিকল্পনা করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শ

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে জরুরি জ্বালানি সংগ্রহ করতে হবে, পণ্য পরিবহনের বিকল্প পথ খুঁজতে হবে এবং রপ্তানি শিল্পে অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হবে।

ইরান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জ্বালানি, রেমিট্যান্স, রপ্তানি, কৃষি সহ সাত ধরনের আঘাত আসার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।