০৭:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

ঈদ শেষে ঢাকামুখী যাত্রা স্বস্তির, এখনও দেখা যায়নি বড় চাপ

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফেরার যাত্রা এখনো স্বস্তিদায়ক রয়েছে। সরকারি অফিস আজ থেকে খুলে গেলেও রাজধানীর প্রধান প্রবেশপথগুলোতে গতকাল তেমন কোনো অতিরিক্ত ভিড় বা যানজট দেখা যায়নি। বাস, ট্রেন ও লঞ্চে করে ফেরা যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল মাঝারি পর্যায়ে, ফলে যাত্রাও ছিল তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্ন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, গাবতলী, সায়েদাবাদ ও কমলাপুর এলাকায় দিনজুড়ে বিভিন্ন জেলা থেকে ফেরা যাত্রীদের দেখা গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই ছিল। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামী কয়েক দিনে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করলে যাত্রীচাপ আরও বাড়তে পারে।

ঈদ শেষে স্বস্তি নিয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

বেশিরভাগ যাত্রাই ছিল ঝামেলামুক্ত

ঈদের ছুটি কাটিয়ে ফেরা অনেক যাত্রীই জানিয়েছেন, এবার তাদের যাত্রা তুলনামূলকভাবে স্বস্তির ছিল। কেউ দীর্ঘ যানজটে পড়েননি, আবার অনেকেই নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন।

উত্তরের একটি জেলা থেকে ঢাকায় ফেরা এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী জানান, ছুটির আগে ঢাকা ছাড়তে যেখানে ১৩ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল, সেখানে ফেরার পথে সময় লেগেছে প্রায় অর্ধেক। তিনি আরও জানান, ঈদের আগে অনেক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে বাড়তি ভাড়া নেওয়া হলেও ফেরার সময় ভাড়া ছিল স্বাভাবিক।

কুমিল্লা, বাগেরহাট ও অন্যান্য জেলা থেকে ফেরা যাত্রীরাও যাত্রাপথকে মোটামুটি স্বস্তিদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন। যদিও কয়েকটি টোল প্লাজা ও রাজধানীর প্রবেশমুখে সাময়িক ধীরগতির যান চলাচল দেখা গেছে।

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষ, নেই ভিড়

কিছু এলাকায় ছিল সামান্য বিলম্ব

সব যাত্রাই অবশ্য পুরোপুরি নির্বিঘ্ন ছিল না। কয়েকজন যাত্রী জানান, পথে বাসের অতিরিক্ত যাত্রী তোলা বা নির্দিষ্ট কিছু প্রবেশপথে যানবাহনের চাপের কারণে কিছুটা সময় নষ্ট হয়েছে। তবে এসব বিলম্ব দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি করেনি।

সাতক্ষীরা থেকে ফেরা এক যাত্রী জানান, তার বাসটি মহাসড়কে বারবার থামায় গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রায় এক ঘণ্টা বেশি সময় লেগেছে।

কমলাপুরেও নিয়ন্ত্রিত ছিল ভিড়

কমলাপুর রেলস্টেশনেও যাত্রীচাপ ছিল নিয়ন্ত্রিত। যদিও কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা দেরিতে পৌঁছায়, তবু ঈদের আগের তুলনায় ভিড় অনেক কম ছিল।

Banglabazarpatrika: বাংলাবাজার পত্রিকা News, Sports, Entertainment, Opinion  & More

রাজশাহী থেকে ফেরা এক শিক্ষার্থী জানান, ঢাকা ছাড়ার সময় ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড় ছিল। কিন্তু ফেরার পথে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল এবং যাত্রা আরামদায়ক হয়েছে।

রাজধানীতে ধীরে ধীরে বাড়ছে যানবাহন

ঈদের ছুটির পর রাজধানীর সড়কগুলোতে ধীরে ধীরে যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। ব্যক্তিগত গাড়ির উপস্থিতি বেড়েছে, তবে নগর পরিবহনের সংখ্যা এখনো তুলনামূলক কম। কারণ ঈদের সময় অনেক বাস জেলার রুটে চলাচল করেছে।

তবে রাজধানীর কোথাও দীর্ঘ যানজট বা অতিরিক্ত চাপের চিত্র দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামী কয়েক দিন যানবাহনের চাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকবে। তবে কর্মজীবী মানুষ ও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের বড় অংশ ফিরে এলে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

ঈদ শেষে ঢাকামুখী যাত্রা স্বস্তির, এখনও দেখা যায়নি বড় চাপ

০৯:৫১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফেরার যাত্রা এখনো স্বস্তিদায়ক রয়েছে। সরকারি অফিস আজ থেকে খুলে গেলেও রাজধানীর প্রধান প্রবেশপথগুলোতে গতকাল তেমন কোনো অতিরিক্ত ভিড় বা যানজট দেখা যায়নি। বাস, ট্রেন ও লঞ্চে করে ফেরা যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল মাঝারি পর্যায়ে, ফলে যাত্রাও ছিল তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্ন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, গাবতলী, সায়েদাবাদ ও কমলাপুর এলাকায় দিনজুড়ে বিভিন্ন জেলা থেকে ফেরা যাত্রীদের দেখা গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই ছিল। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামী কয়েক দিনে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করলে যাত্রীচাপ আরও বাড়তে পারে।

ঈদ শেষে স্বস্তি নিয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

বেশিরভাগ যাত্রাই ছিল ঝামেলামুক্ত

ঈদের ছুটি কাটিয়ে ফেরা অনেক যাত্রীই জানিয়েছেন, এবার তাদের যাত্রা তুলনামূলকভাবে স্বস্তির ছিল। কেউ দীর্ঘ যানজটে পড়েননি, আবার অনেকেই নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন।

উত্তরের একটি জেলা থেকে ঢাকায় ফেরা এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী জানান, ছুটির আগে ঢাকা ছাড়তে যেখানে ১৩ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল, সেখানে ফেরার পথে সময় লেগেছে প্রায় অর্ধেক। তিনি আরও জানান, ঈদের আগে অনেক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে বাড়তি ভাড়া নেওয়া হলেও ফেরার সময় ভাড়া ছিল স্বাভাবিক।

কুমিল্লা, বাগেরহাট ও অন্যান্য জেলা থেকে ফেরা যাত্রীরাও যাত্রাপথকে মোটামুটি স্বস্তিদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন। যদিও কয়েকটি টোল প্লাজা ও রাজধানীর প্রবেশমুখে সাময়িক ধীরগতির যান চলাচল দেখা গেছে।

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষ, নেই ভিড়

কিছু এলাকায় ছিল সামান্য বিলম্ব

সব যাত্রাই অবশ্য পুরোপুরি নির্বিঘ্ন ছিল না। কয়েকজন যাত্রী জানান, পথে বাসের অতিরিক্ত যাত্রী তোলা বা নির্দিষ্ট কিছু প্রবেশপথে যানবাহনের চাপের কারণে কিছুটা সময় নষ্ট হয়েছে। তবে এসব বিলম্ব দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি করেনি।

সাতক্ষীরা থেকে ফেরা এক যাত্রী জানান, তার বাসটি মহাসড়কে বারবার থামায় গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রায় এক ঘণ্টা বেশি সময় লেগেছে।

কমলাপুরেও নিয়ন্ত্রিত ছিল ভিড়

কমলাপুর রেলস্টেশনেও যাত্রীচাপ ছিল নিয়ন্ত্রিত। যদিও কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা দেরিতে পৌঁছায়, তবু ঈদের আগের তুলনায় ভিড় অনেক কম ছিল।

Banglabazarpatrika: বাংলাবাজার পত্রিকা News, Sports, Entertainment, Opinion  & More

রাজশাহী থেকে ফেরা এক শিক্ষার্থী জানান, ঢাকা ছাড়ার সময় ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড় ছিল। কিন্তু ফেরার পথে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল এবং যাত্রা আরামদায়ক হয়েছে।

রাজধানীতে ধীরে ধীরে বাড়ছে যানবাহন

ঈদের ছুটির পর রাজধানীর সড়কগুলোতে ধীরে ধীরে যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। ব্যক্তিগত গাড়ির উপস্থিতি বেড়েছে, তবে নগর পরিবহনের সংখ্যা এখনো তুলনামূলক কম। কারণ ঈদের সময় অনেক বাস জেলার রুটে চলাচল করেছে।

তবে রাজধানীর কোথাও দীর্ঘ যানজট বা অতিরিক্ত চাপের চিত্র দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামী কয়েক দিন যানবাহনের চাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকবে। তবে কর্মজীবী মানুষ ও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের বড় অংশ ফিরে এলে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে।