১১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

এআই কি সত্যিই কাজ সহজ করছে, নাকি বাড়াচ্ছে মানসিক অবসাদ? উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্রুত কর্মক্ষেত্রের চিত্র বদলে দিচ্ছে। অনেকেই ভেবেছিলেন, এআই একঘেয়ে ও সময়সাপেক্ষ কাজ কমিয়ে মানুষের উৎপাদনশীলতা বাড়াবে এবং কাজের চাপও হালকা করবে। কিন্তু বাস্তবে অনেক উদ্যোক্তা ও নতুন ব্যবসার প্রতিষ্ঠাতা ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, এআই ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজের গতি বেড়েছে ঠিকই, তবে মানসিক ক্লান্তি ও অবসাদও বেড়েছে আগের তুলনায় অনেক বেশি।

মনোবিজ্ঞানী ও মানসিক দৃঢ়তা বিষয়ক প্রশিক্ষক অ্যামি মরিনের মতে, এআই কাজকে সহজ করলেও এটি মানুষের কর্মজীবনে এমন কিছু পরিবর্তন এনেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে নতুন উদ্যোক্তারা এই পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করছেন।

ছোট বিরতিগুলো হারিয়ে যাচ্ছে

আগে দিনের কাজের মধ্যে নথি গুছিয়ে নেওয়া, তথ্য সাজানো বা উপস্থাপনা ঠিক করার মতো কিছু সহজ ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ থাকত। এসব কাজ মস্তিষ্ককে কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দিত।

এখন সেই কাজগুলোর অনেকটাই এআই করে দিচ্ছে। ফলে সারাদিনই মানুষকে কৌশলগত পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জটিল বিশ্লেষণের মতো মানসিকভাবে কঠিন কাজে মনোযোগ দিতে হচ্ছে। এতে মস্তিষ্ক বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছে না এবং দিনের শেষে ক্লান্তি অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে।

দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ কমছে

আগে একটি দক্ষতা অর্জন করতে সময়, অনুশীলন ও ধৈর্যের প্রয়োজন হতো। যেমন বিক্রয় পরিকল্পনা তৈরি, ব্যবসায়িক প্রস্তাব লেখা বা উপস্থাপনা প্রস্তুত করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা তৈরি হতো।

এখন এসব কাজ এআই খুব দ্রুত করে দিতে পারছে। ফলে কাজ শেষ হলেও অনেকেই মনে করছেন, নিজের দক্ষতা আগের মতো বাড়ছে না। বরং দীর্ঘদিন অনুশীলন না থাকায় কিছু ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসও কমে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের উন্নতি অনুভব করতে না পারা মানসিক অবসাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

সব সময় পিছিয়ে পড়ার ভয়

এআই নিয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন প্রযুক্তি ও সাফল্যের গল্প সামনে আসছে। এতে অনেক উদ্যোক্তার মনে হচ্ছে, প্রতিযোগীরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এবং তারা পিছিয়ে পড়ছেন।

এই উদ্বেগ থেকে অনেকেই একের পর এক নতুন এআই সরঞ্জাম ব্যবহার শুরু করছেন। কিন্তু প্রতিটি নতুন প্রযুক্তি শেখা, পরিচালনা করা এবং কাজের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও আলাদা চাপ তৈরি করছে। ফলে কাজ সহজ হওয়ার বদলে অনেকের জন্য জটিলতা আরও বাড়ছে।

একাকীত্বও বড় সমস্যা

দীর্ঘ সময় কম্পিউটারের সামনে বসে এআইয়ের সাহায্যে কাজ করতে করতে অনেক উদ্যোক্তা সহকর্মী, বন্ধু কিংবা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে ফেলছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী একাকীত্ব শুধু মানসিক স্বাস্থ্যের নয়, শারীরিক স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করতে পারে। এটি ঘুমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত।

AI Fatigue: Are Employees Overwhelmed by Artificial Intelligence?

সব সময় শতভাগ দেওয়ার মানসিকতা

অনেক উদ্যোক্তা বিশ্বাস করেন, সব সময় শতভাগ মনোযোগ ও শ্রম দিতে না পারলে তারা ব্যর্থ। ফলে অসুস্থতা বা চরম ক্লান্তির মধ্যেও তারা বিশ্রাম নিতে চান না।

এই মানসিকতা ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত জীবনকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই পরিবারকে সময় দেওয়ার পরিকল্পনা বারবার পিছিয়ে দেন। একসময় বুঝতে পারেন, কাজের পেছনে ছুটতে গিয়ে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো হারিয়ে যাচ্ছে।

কীভাবে এই চাপ কমানো সম্ভব?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআইকে পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া নয়, বরং সচেতন ও ভারসাম্যপূর্ণভাবে ব্যবহার করাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

প্রথমত, সবকিছু একসঙ্গে নিখুঁতভাবে করার চেষ্টা না করে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে হলে কিছু সুযোগ ছেড়ে দেওয়ার মানসিক প্রস্তুতিও রাখতে হবে।

দ্বিতীয়ত, যেসব দক্ষতা ভবিষ্যতে নিজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, সেসব কাজ পুরোপুরি এআইয়ের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। বরং অনুশীলনের জন্য সেই কাজ নিজেই করা ভালো।

তৃতীয়ত, প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাস বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বৈঠকের মাঝখানে এক মিনিট গভীর শ্বাস নেওয়া, দুপুরে কিছুক্ষণ হাঁটা বা পরিবারের জন্য নির্দিষ্ট সময় আলাদা করে রাখা মানসিক চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের ভারসাম্যই আসল শক্তি

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লান্তি অনুভব করা মানেই সবকিছু শেষ হয়ে গেছে—এমন নয়। বরং এটি একটি সতর্কবার্তা যে কাজের ধরন, বিশ্রাম এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে নতুন ভারসাম্য আনার সময় এসেছে। প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, মানুষের সৃজনশীলতা, মানসিক সুস্থতা এবং পারিবারিক সম্পর্কের বিকল্প হতে পারে না।

এআই ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে উদ্যোক্তাদের মধ্যে মানসিক ক্লান্তি ও অবসাদের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তির সুবিধা নিতে হলে কাজ, বিশ্রাম ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

এআই কি সত্যিই কাজ সহজ করছে, নাকি বাড়াচ্ছে মানসিক অবসাদ? উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা

০৫:২৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্রুত কর্মক্ষেত্রের চিত্র বদলে দিচ্ছে। অনেকেই ভেবেছিলেন, এআই একঘেয়ে ও সময়সাপেক্ষ কাজ কমিয়ে মানুষের উৎপাদনশীলতা বাড়াবে এবং কাজের চাপও হালকা করবে। কিন্তু বাস্তবে অনেক উদ্যোক্তা ও নতুন ব্যবসার প্রতিষ্ঠাতা ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, এআই ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজের গতি বেড়েছে ঠিকই, তবে মানসিক ক্লান্তি ও অবসাদও বেড়েছে আগের তুলনায় অনেক বেশি।

মনোবিজ্ঞানী ও মানসিক দৃঢ়তা বিষয়ক প্রশিক্ষক অ্যামি মরিনের মতে, এআই কাজকে সহজ করলেও এটি মানুষের কর্মজীবনে এমন কিছু পরিবর্তন এনেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে নতুন উদ্যোক্তারা এই পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করছেন।

ছোট বিরতিগুলো হারিয়ে যাচ্ছে

আগে দিনের কাজের মধ্যে নথি গুছিয়ে নেওয়া, তথ্য সাজানো বা উপস্থাপনা ঠিক করার মতো কিছু সহজ ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ থাকত। এসব কাজ মস্তিষ্ককে কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দিত।

এখন সেই কাজগুলোর অনেকটাই এআই করে দিচ্ছে। ফলে সারাদিনই মানুষকে কৌশলগত পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জটিল বিশ্লেষণের মতো মানসিকভাবে কঠিন কাজে মনোযোগ দিতে হচ্ছে। এতে মস্তিষ্ক বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছে না এবং দিনের শেষে ক্লান্তি অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে।

দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ কমছে

আগে একটি দক্ষতা অর্জন করতে সময়, অনুশীলন ও ধৈর্যের প্রয়োজন হতো। যেমন বিক্রয় পরিকল্পনা তৈরি, ব্যবসায়িক প্রস্তাব লেখা বা উপস্থাপনা প্রস্তুত করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা তৈরি হতো।

এখন এসব কাজ এআই খুব দ্রুত করে দিতে পারছে। ফলে কাজ শেষ হলেও অনেকেই মনে করছেন, নিজের দক্ষতা আগের মতো বাড়ছে না। বরং দীর্ঘদিন অনুশীলন না থাকায় কিছু ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসও কমে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের উন্নতি অনুভব করতে না পারা মানসিক অবসাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

সব সময় পিছিয়ে পড়ার ভয়

এআই নিয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন প্রযুক্তি ও সাফল্যের গল্প সামনে আসছে। এতে অনেক উদ্যোক্তার মনে হচ্ছে, প্রতিযোগীরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এবং তারা পিছিয়ে পড়ছেন।

এই উদ্বেগ থেকে অনেকেই একের পর এক নতুন এআই সরঞ্জাম ব্যবহার শুরু করছেন। কিন্তু প্রতিটি নতুন প্রযুক্তি শেখা, পরিচালনা করা এবং কাজের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও আলাদা চাপ তৈরি করছে। ফলে কাজ সহজ হওয়ার বদলে অনেকের জন্য জটিলতা আরও বাড়ছে।

একাকীত্বও বড় সমস্যা

দীর্ঘ সময় কম্পিউটারের সামনে বসে এআইয়ের সাহায্যে কাজ করতে করতে অনেক উদ্যোক্তা সহকর্মী, বন্ধু কিংবা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে ফেলছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী একাকীত্ব শুধু মানসিক স্বাস্থ্যের নয়, শারীরিক স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করতে পারে। এটি ঘুমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত।

AI Fatigue: Are Employees Overwhelmed by Artificial Intelligence?

সব সময় শতভাগ দেওয়ার মানসিকতা

অনেক উদ্যোক্তা বিশ্বাস করেন, সব সময় শতভাগ মনোযোগ ও শ্রম দিতে না পারলে তারা ব্যর্থ। ফলে অসুস্থতা বা চরম ক্লান্তির মধ্যেও তারা বিশ্রাম নিতে চান না।

এই মানসিকতা ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত জীবনকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই পরিবারকে সময় দেওয়ার পরিকল্পনা বারবার পিছিয়ে দেন। একসময় বুঝতে পারেন, কাজের পেছনে ছুটতে গিয়ে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো হারিয়ে যাচ্ছে।

কীভাবে এই চাপ কমানো সম্ভব?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআইকে পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া নয়, বরং সচেতন ও ভারসাম্যপূর্ণভাবে ব্যবহার করাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

প্রথমত, সবকিছু একসঙ্গে নিখুঁতভাবে করার চেষ্টা না করে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে হলে কিছু সুযোগ ছেড়ে দেওয়ার মানসিক প্রস্তুতিও রাখতে হবে।

দ্বিতীয়ত, যেসব দক্ষতা ভবিষ্যতে নিজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, সেসব কাজ পুরোপুরি এআইয়ের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। বরং অনুশীলনের জন্য সেই কাজ নিজেই করা ভালো।

তৃতীয়ত, প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাস বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বৈঠকের মাঝখানে এক মিনিট গভীর শ্বাস নেওয়া, দুপুরে কিছুক্ষণ হাঁটা বা পরিবারের জন্য নির্দিষ্ট সময় আলাদা করে রাখা মানসিক চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের ভারসাম্যই আসল শক্তি

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লান্তি অনুভব করা মানেই সবকিছু শেষ হয়ে গেছে—এমন নয়। বরং এটি একটি সতর্কবার্তা যে কাজের ধরন, বিশ্রাম এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে নতুন ভারসাম্য আনার সময় এসেছে। প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, মানুষের সৃজনশীলতা, মানসিক সুস্থতা এবং পারিবারিক সম্পর্কের বিকল্প হতে পারে না।

এআই ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে উদ্যোক্তাদের মধ্যে মানসিক ক্লান্তি ও অবসাদের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তির সুবিধা নিতে হলে কাজ, বিশ্রাম ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।