০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

এলপিজি সংকটে থমকে যাওয়ার আশঙ্কা মালায়ালম সিনেমা, শুটিং সেটে খাবার জোগান নিয়ে বিপাকে প্রযোজকরা

ভারতের কেরালায় তীব্র এলপিজি সংকটের প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে মালায়ালম চলচ্চিত্র শিল্পে। শুটিং সেটে কর্মীদের খাবার প্রস্তুত করতেই হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে চলমান চলচ্চিত্রগুলোর শুটিং বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রযোজকরা।

বর্তমানে কেরালাজুড়ে একাধিক সিনেমার শুটিং চলছে। তবে রান্নার গ্যাসের সংকট দীর্ঘায়িত হলে পুরো শিল্পটাই বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

শুটিং সেটে খাবার প্রস্তুতিতে সংকট

চলচ্চিত্র প্রযোজকদের সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী এখন প্রায় আঠারোটি সিনেমার শুটিং চলছে। কিন্তু এলপিজি সংকটের কারণে শুটিং ইউনিটে খাবার প্রস্তুত করা কঠিন হয়ে উঠছে।

প্রযোজকদের মতে, বর্তমানে যে গ্যাস মজুত রয়েছে তা মাত্র দুই দিনের মতো চলবে। এর পরে সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠতে পারে। যদি গ্যাস সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হয়, তাহলে অনেক শুটিং মাঝপথেই বন্ধ করতে হতে পারে।

মাঝপথে শুটিং বন্ধ হলে বড় ক্ষতি

চলচ্চিত্র প্রযোজকদের আশঙ্কা, শুটিং বন্ধ করতে হলে নতুন করে পুরো ইউনিট সংগঠিত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। শুটিং মাঝপথে থেমে গেলে অভিনেতা, প্রযুক্তিকর্মী, লোকেশন এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনা নতুন করে সাজাতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।

প্রযোজকদের হিসাব বলছে, চলমান আঠারোটি সিনেমার শুটিং বন্ধ হয়ে গেলে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় পাঁচ কোটি রুপিতে পৌঁছাতে পারে। ফলে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।

ইউনিটে ফোন আসছে সংকটের খবর

চলচ্চিত্র বাণিজ্য সংগঠনের নেতাদের কাছেও ইতিমধ্যে শুটিং ইউনিট থেকে একের পর এক ফোন আসছে। ইউনিটগুলোর অভিযোগ, রান্নার গ্যাসের ঘাটতির কারণে শুটিং সেটে কর্মীদের খাবার প্রস্তুত করা কঠিন হয়ে উঠছে।

বর্তমানে যেটুকু গ্যাস রয়েছে তা দিয়েই কোনোভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে সংকট দীর্ঘায়িত হলে শুটিং চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কাঠের চুলায় রান্না করে সামাল

শুটিং সেটে সাধারণত প্রযোজনার আকার অনুযায়ী প্রায় একশ থেকে আড়াইশ মানুষকে খাবার পরিবেশন করতে হয়। ফলে রান্নার জন্য প্রচুর গ্যাসের প্রয়োজন হয়।

খাবার সরবরাহকারী ঠিকাদারদের অনেকেই জানিয়েছেন, গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে আপাতত কাঠের চুলা ব্যবহার করে রান্না করা হচ্ছে। অনেক ইউনিটের কাছেই এমন বিকল্প ব্যবস্থা আগে থেকেই ছিল, সেটাই এখন কাজে লাগানো হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন এভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে মালায়ালম চলচ্চিত্র শিল্প বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

এলপিজি সংকটে থমকে যাওয়ার আশঙ্কা মালায়ালম সিনেমা, শুটিং সেটে খাবার জোগান নিয়ে বিপাকে প্রযোজকরা

০৬:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ভারতের কেরালায় তীব্র এলপিজি সংকটের প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে মালায়ালম চলচ্চিত্র শিল্পে। শুটিং সেটে কর্মীদের খাবার প্রস্তুত করতেই হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে চলমান চলচ্চিত্রগুলোর শুটিং বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রযোজকরা।

বর্তমানে কেরালাজুড়ে একাধিক সিনেমার শুটিং চলছে। তবে রান্নার গ্যাসের সংকট দীর্ঘায়িত হলে পুরো শিল্পটাই বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

শুটিং সেটে খাবার প্রস্তুতিতে সংকট

চলচ্চিত্র প্রযোজকদের সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী এখন প্রায় আঠারোটি সিনেমার শুটিং চলছে। কিন্তু এলপিজি সংকটের কারণে শুটিং ইউনিটে খাবার প্রস্তুত করা কঠিন হয়ে উঠছে।

প্রযোজকদের মতে, বর্তমানে যে গ্যাস মজুত রয়েছে তা মাত্র দুই দিনের মতো চলবে। এর পরে সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠতে পারে। যদি গ্যাস সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হয়, তাহলে অনেক শুটিং মাঝপথেই বন্ধ করতে হতে পারে।

মাঝপথে শুটিং বন্ধ হলে বড় ক্ষতি

চলচ্চিত্র প্রযোজকদের আশঙ্কা, শুটিং বন্ধ করতে হলে নতুন করে পুরো ইউনিট সংগঠিত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। শুটিং মাঝপথে থেমে গেলে অভিনেতা, প্রযুক্তিকর্মী, লোকেশন এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনা নতুন করে সাজাতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।

প্রযোজকদের হিসাব বলছে, চলমান আঠারোটি সিনেমার শুটিং বন্ধ হয়ে গেলে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় পাঁচ কোটি রুপিতে পৌঁছাতে পারে। ফলে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।

ইউনিটে ফোন আসছে সংকটের খবর

চলচ্চিত্র বাণিজ্য সংগঠনের নেতাদের কাছেও ইতিমধ্যে শুটিং ইউনিট থেকে একের পর এক ফোন আসছে। ইউনিটগুলোর অভিযোগ, রান্নার গ্যাসের ঘাটতির কারণে শুটিং সেটে কর্মীদের খাবার প্রস্তুত করা কঠিন হয়ে উঠছে।

বর্তমানে যেটুকু গ্যাস রয়েছে তা দিয়েই কোনোভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে সংকট দীর্ঘায়িত হলে শুটিং চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কাঠের চুলায় রান্না করে সামাল

শুটিং সেটে সাধারণত প্রযোজনার আকার অনুযায়ী প্রায় একশ থেকে আড়াইশ মানুষকে খাবার পরিবেশন করতে হয়। ফলে রান্নার জন্য প্রচুর গ্যাসের প্রয়োজন হয়।

খাবার সরবরাহকারী ঠিকাদারদের অনেকেই জানিয়েছেন, গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে আপাতত কাঠের চুলা ব্যবহার করে রান্না করা হচ্ছে। অনেক ইউনিটের কাছেই এমন বিকল্প ব্যবস্থা আগে থেকেই ছিল, সেটাই এখন কাজে লাগানো হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন এভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে মালায়ালম চলচ্চিত্র শিল্প বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে পারে।