০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

কথা-কাটাকাটি থেকে গণপিটুনি, ঘটনাস্থলেই প্রাণ গেল মিজানুরের

শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার কালীর বাজার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে মিজানুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। বেধড়ক মারধরের ফলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

কবিরহাটে গণপিটুনিতে হত্যা, নিহতকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে বাজারে মিষ্টি বিতরণ

নিহত মিজানুর রহমান রনি, বয়স আনুমানিক পঁয়ত্রিশ বছর। তিনি কবিরহাট উপজেলার জয়নদপুর গ্রামের শহীদের ছেলে। পুলিশ জানায়, তিনি একজন সন্দেহভাজন ডাকাত হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ছয়টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি পুলিশের তালিকায় ছিলেন।

বিএনপির বৈঠকের জেরে উত্তেজনা, পরে গণপিটুনিতে নিহত মিজান

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, বাজার এলাকায় বাকবিতণ্ডার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর আশপাশের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে মিজানুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধরের একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের দুশো পঞ্চাশ শয্যার মর্গে পাঠানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

কথা-কাটাকাটি থেকে গণপিটুনি, ঘটনাস্থলেই প্রাণ গেল মিজানুরের

০৯:০৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার কালীর বাজার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে মিজানুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। বেধড়ক মারধরের ফলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

কবিরহাটে গণপিটুনিতে হত্যা, নিহতকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে বাজারে মিষ্টি বিতরণ

নিহত মিজানুর রহমান রনি, বয়স আনুমানিক পঁয়ত্রিশ বছর। তিনি কবিরহাট উপজেলার জয়নদপুর গ্রামের শহীদের ছেলে। পুলিশ জানায়, তিনি একজন সন্দেহভাজন ডাকাত হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ছয়টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনি পুলিশের তালিকায় ছিলেন।

বিএনপির বৈঠকের জেরে উত্তেজনা, পরে গণপিটুনিতে নিহত মিজান

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, বাজার এলাকায় বাকবিতণ্ডার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর আশপাশের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে মিজানুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধরের একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের দুশো পঞ্চাশ শয্যার মর্গে পাঠানো হয়।