০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

খুলনায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা যুবককে, পুরোনো হামলার যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ

খুলনা নগরীতে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সকালে লবণচরা থানার স্কুলভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম মো. রাশেদ কাজী (২০)। তিনি লবণচরা থানার কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা এবং কাজী আনিসুর রহমানের ছেলে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাশেদ নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তার এক পরিচিত ব্যক্তি তাকে বাইরে ডাকেন। ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই স্কুলভিটা এলাকার একটি বিদ্যালয়ের কাছে কয়েকজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।

স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় রাশেদকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।

খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

হত্যার কারণ খুঁজছে পুলিশ

লবণচরা থানার পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। কারা এই ঘটনায় জড়িত এবং কী কারণে রাশেদকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হত্যার নেপথ্যে ব্যক্তিগত বিরোধ, পূর্ব শত্রুতা বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুরোনো হামলার সঙ্গে সম্পর্কের সন্দেহ

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় তিন বছর আগে একটি মাদক-সংক্রান্ত মামলায় রাশেদ কারাগারে ছিলেন। এছাড়া চলতি বছরের মার্চ মাসে তার পরিবারের ওপর একটি হামলার ঘটনাও ঘটেছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, মার্চ মাসের ওই হামলা এবং মঙ্গলবারের হত্যাকাণ্ডের মধ্যে কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের পরিচয় উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

এদিকে নিহতের স্বজনরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

খুলনায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা যুবককে, পুরোনো হামলার যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ

০৯:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

খুলনা নগরীতে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সকালে লবণচরা থানার স্কুলভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম মো. রাশেদ কাজী (২০)। তিনি লবণচরা থানার কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা এবং কাজী আনিসুর রহমানের ছেলে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাশেদ নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তার এক পরিচিত ব্যক্তি তাকে বাইরে ডাকেন। ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই স্কুলভিটা এলাকার একটি বিদ্যালয়ের কাছে কয়েকজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।

স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় রাশেদকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।

খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

হত্যার কারণ খুঁজছে পুলিশ

লবণচরা থানার পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। কারা এই ঘটনায় জড়িত এবং কী কারণে রাশেদকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হত্যার নেপথ্যে ব্যক্তিগত বিরোধ, পূর্ব শত্রুতা বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুরোনো হামলার সঙ্গে সম্পর্কের সন্দেহ

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় তিন বছর আগে একটি মাদক-সংক্রান্ত মামলায় রাশেদ কারাগারে ছিলেন। এছাড়া চলতি বছরের মার্চ মাসে তার পরিবারের ওপর একটি হামলার ঘটনাও ঘটেছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, মার্চ মাসের ওই হামলা এবং মঙ্গলবারের হত্যাকাণ্ডের মধ্যে কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের পরিচয় উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

এদিকে নিহতের স্বজনরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।