০৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ মহেশখালীতে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, একাই ছিলেন বাড়িতে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসী নিহত কাঁঠাল পাতার বোঝা কাঁধে হালিমা, দিনে ৩০০ টাকায় চলে একার সংসার ১০ জেলায় বেশি হাম, টিকাদান কর্মসূচি নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা অর্ধেক কমাল সরকার সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় আহত ৭৩, নারী ও শিশুও রয়েছে ভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তা ও হামলার অভিযোগ, লিখিত অভিযোগ পুলিশের কাছে আগামী ৫ দিনে বাড়তে পারে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর কুমিল্লায় শিক্ষাসফরের বাস খাদে, আহত ২০ মেডিকেল শিক্ষার্থী

গাজীপুরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মিলল সুজন নেতার মরদেহ

গাজীপুরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক সুজন নেতার মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত ব্যক্তি কামরুজ্জামান মোল্লা, বয়স ৬৫। তিনি গাজীপুর জেলা সুজনের সহসভাপতি ছিলেন এবং পেশায় ঠিকাদার হিসেবে কাজ করতেন।

বুধবার রাতে নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাকে ঘিরে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পেছনে পূর্বশত্রুতা বা ব্যবসায়িক বিরোধ থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

গভীর রাতে বালুর মাঠে মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় সাড়ে বারোটার দিকে গাজীপুর শহরের পূর্ব ধীরাশ্রম এলাকার একটি বালুর মাঠ থেকে কামরুজ্জামান মোল্লার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার হাত ও পা বাঁধা ছিল এবং পুরো শরীর কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়।

স্থানীয় কয়েকজন পথচারী প্রথমে মরদেহটি দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

গাজীপুরে সুজন সহ-সভাপতির হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার – খুলনা গেজেট | সবার আগে  সঠিক খবর

আদালতে যাওয়ার পর নিখোঁজ

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার সকালে একটি মামলার কাজে গাজীপুর আদালতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন কামরুজ্জামান মোল্লা। তবে নির্ধারিত বিচারক অনুপস্থিত থাকায় সেদিন আদালতের কার্যক্রম হয়নি।

পরে তিনি তার আইনজীবীর চেম্বার থেকে বের হন। কিন্তু এরপর আর বাড়িতে ফেরেননি। রাত পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

পরিবারের সন্দেহ ব্যবসায়িক বিরোধ

পরিবারের সদস্যদের ধারণা, ব্যবসায়িক লেনদেন বা পূর্বের কোনো বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

গাজীপুর জেলা সুজনের সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার শিশির বলেন, কামরুজ্জামান মোল্লা সংগঠনের একজন দায়িত্বশীল নেতা ছিলেন। তার হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত শাস্তি দাবি করেন তিনি।

পুলিশ বলছে রাতেই হত্যা

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, বুধবার রাত ১১টার আগেই দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে ধীরাশ্রম এলাকার একটি সড়কের পাশে মরদেহ ফেলে রেখে যায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে কৌশিক জামান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশের ১২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ

গাজীপুরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মিলল সুজন নেতার মরদেহ

০৩:০৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

গাজীপুরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক সুজন নেতার মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত ব্যক্তি কামরুজ্জামান মোল্লা, বয়স ৬৫। তিনি গাজীপুর জেলা সুজনের সহসভাপতি ছিলেন এবং পেশায় ঠিকাদার হিসেবে কাজ করতেন।

বুধবার রাতে নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাকে ঘিরে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পেছনে পূর্বশত্রুতা বা ব্যবসায়িক বিরোধ থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

গভীর রাতে বালুর মাঠে মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় সাড়ে বারোটার দিকে গাজীপুর শহরের পূর্ব ধীরাশ্রম এলাকার একটি বালুর মাঠ থেকে কামরুজ্জামান মোল্লার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার হাত ও পা বাঁধা ছিল এবং পুরো শরীর কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়।

স্থানীয় কয়েকজন পথচারী প্রথমে মরদেহটি দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

গাজীপুরে সুজন সহ-সভাপতির হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার – খুলনা গেজেট | সবার আগে  সঠিক খবর

আদালতে যাওয়ার পর নিখোঁজ

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার সকালে একটি মামলার কাজে গাজীপুর আদালতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন কামরুজ্জামান মোল্লা। তবে নির্ধারিত বিচারক অনুপস্থিত থাকায় সেদিন আদালতের কার্যক্রম হয়নি।

পরে তিনি তার আইনজীবীর চেম্বার থেকে বের হন। কিন্তু এরপর আর বাড়িতে ফেরেননি। রাত পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

পরিবারের সন্দেহ ব্যবসায়িক বিরোধ

পরিবারের সদস্যদের ধারণা, ব্যবসায়িক লেনদেন বা পূর্বের কোনো বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

গাজীপুর জেলা সুজনের সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার শিশির বলেন, কামরুজ্জামান মোল্লা সংগঠনের একজন দায়িত্বশীল নেতা ছিলেন। তার হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত শাস্তি দাবি করেন তিনি।

পুলিশ বলছে রাতেই হত্যা

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, বুধবার রাত ১১টার আগেই দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে ধীরাশ্রম এলাকার একটি সড়কের পাশে মরদেহ ফেলে রেখে যায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে কৌশিক জামান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশের ১২৪ কর্মকর্তাকে বদলি