০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

ডিএমকে-কংগ্রেসের বাধায় থমকে নারী সংরক্ষণ উদ্যোগ, তবু লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা মোদির

তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, নারী সংরক্ষণ বাস্তবায়নের একটি “ঐতিহাসিক উদ্যোগ” বিরোধী দলগুলোর কারণে ব্যাহত হয়েছে। তিনি জানান, বিজেপি ও এনডিএ নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় লড়াই চালিয়ে যাবে।

নারী সংরক্ষণ নিয়ে সরকারের দাবি

জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদি বলেন, ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ‘নারী শক্তি বন্দন আইন’ পাস করে। এরপর চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল সংসদ ও রাজ্য বিধানসভায় নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়।

তিনি দাবি করেন, এই উদ্যোগ সফল করতে তিনি নিজে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে সমর্থন চেয়েছিলেন। এমনকি অন্য দলগুলোকে কৃতিত্ব নেওয়ার সুযোগ দিতেও প্রস্তুত ছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল সাধারণ পরিবারের নারীরা বেশি সংখ্যায় সংসদ ও বিধানসভায় পৌঁছাক।

PM Modi flays Opposition for women's quota bill defeat - The Economic Times

বিরোধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ডিএমকে, কংগ্রেস এবং তাদের মিত্ররা এই উদ্যোগকে “ঘৃণা ও ছোট রাজনীতির লক্ষ্যবস্তুতে” পরিণত করেছে। তাঁর কথায়, বিলটি পাস হলে তামিলনাড়ুর অনেক সাধারণ নারী সাংসদ ও বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পেতেন।

তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে রাজ্যটি আরও বেশি আসন পেতে পারত, কিন্তু ডিএমকে তা চায়নি। কালো পোশাক পরে প্রতিবাদ করেও নিজেদের উদ্দেশ্য আড়াল করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

লড়াই চলবে—মোদির আশ্বাস

মোদি স্পষ্ট করে বলেন, এই ব্যর্থতা চূড়ান্ত নয়, বরং এটি লড়াইয়ের শুরু। বিজেপি ও এনডিএ নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

রাজনৈতিক বার্তা ও পাল্টা আক্রমণ

বক্তব্যে মোদি দাবি করেন, তামিলনাড়ুর মানুষ একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—এনডিএ আসবে, ডিএমকে যাবে। তিনি অভিযোগ করেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি নারীদের উত্থানকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং ক্ষমতা একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে চায়।

তিনি আরও জানান, গত ১১ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার তামিলনাড়ুকে বিপুল অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে, যা মহাসড়ক, বিমানবন্দর, রেল এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে।

অর্থনীতি ও শাসন নিয়ে সমালোচনা

মোদি অভিযোগ করেন, রাজ্যে একটি নির্দিষ্ট পরিবারের সম্পদ যেমন বেড়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের ঋণের বোঝাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁর মতে, এই নির্বাচন তামিলনাড়ুর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

নারী নিরাপত্তা ও শাসনের প্রতিশ্রুতি

তিনি বলেন, এনডিএ ক্ষমতায় এলে আইন-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে এবং নারীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

ডিএমকে-কংগ্রেসের বাধায় থমকে নারী সংরক্ষণ উদ্যোগ, তবু লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা মোদির

১২:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, নারী সংরক্ষণ বাস্তবায়নের একটি “ঐতিহাসিক উদ্যোগ” বিরোধী দলগুলোর কারণে ব্যাহত হয়েছে। তিনি জানান, বিজেপি ও এনডিএ নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় লড়াই চালিয়ে যাবে।

নারী সংরক্ষণ নিয়ে সরকারের দাবি

জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদি বলেন, ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ‘নারী শক্তি বন্দন আইন’ পাস করে। এরপর চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল সংসদ ও রাজ্য বিধানসভায় নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়।

তিনি দাবি করেন, এই উদ্যোগ সফল করতে তিনি নিজে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে সমর্থন চেয়েছিলেন। এমনকি অন্য দলগুলোকে কৃতিত্ব নেওয়ার সুযোগ দিতেও প্রস্তুত ছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল সাধারণ পরিবারের নারীরা বেশি সংখ্যায় সংসদ ও বিধানসভায় পৌঁছাক।

PM Modi flays Opposition for women's quota bill defeat - The Economic Times

বিরোধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ডিএমকে, কংগ্রেস এবং তাদের মিত্ররা এই উদ্যোগকে “ঘৃণা ও ছোট রাজনীতির লক্ষ্যবস্তুতে” পরিণত করেছে। তাঁর কথায়, বিলটি পাস হলে তামিলনাড়ুর অনেক সাধারণ নারী সাংসদ ও বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পেতেন।

তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে রাজ্যটি আরও বেশি আসন পেতে পারত, কিন্তু ডিএমকে তা চায়নি। কালো পোশাক পরে প্রতিবাদ করেও নিজেদের উদ্দেশ্য আড়াল করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

লড়াই চলবে—মোদির আশ্বাস

মোদি স্পষ্ট করে বলেন, এই ব্যর্থতা চূড়ান্ত নয়, বরং এটি লড়াইয়ের শুরু। বিজেপি ও এনডিএ নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

রাজনৈতিক বার্তা ও পাল্টা আক্রমণ

বক্তব্যে মোদি দাবি করেন, তামিলনাড়ুর মানুষ একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—এনডিএ আসবে, ডিএমকে যাবে। তিনি অভিযোগ করেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি নারীদের উত্থানকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং ক্ষমতা একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে চায়।

তিনি আরও জানান, গত ১১ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার তামিলনাড়ুকে বিপুল অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে, যা মহাসড়ক, বিমানবন্দর, রেল এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে।

অর্থনীতি ও শাসন নিয়ে সমালোচনা

মোদি অভিযোগ করেন, রাজ্যে একটি নির্দিষ্ট পরিবারের সম্পদ যেমন বেড়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের ঋণের বোঝাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁর মতে, এই নির্বাচন তামিলনাড়ুর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

নারী নিরাপত্তা ও শাসনের প্রতিশ্রুতি

তিনি বলেন, এনডিএ ক্ষমতায় এলে আইন-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে এবং নারীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।