০৪:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ৯২৮

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ও সংক্রমণ বৃদ্ধি

দেশে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত)। এর ফলে চলতি বছরে এ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৮ জনে। একই সময়ে নতুন করে ৯২৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত ইআরপিপিকর্মীদের

রাজধানী ও বিভাগভিত্তিক পরিস্থিতি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তিনজন মৃতের মধ্যে দুজন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার বাসিন্দা এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছিলেন। বর্তমানে ঢাকায় ১,০০৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন, আর সারাদেশে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন মোট ২,৮৪১ জন।

আক্রান্তের পরিসংখ্যান

চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯,৩৫৬। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ শতাংশ নারী। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যেও অনুরূপ অনুপাত দেখা যাচ্ছে—৫৩.২ শতাংশ পুরুষ ও ৪৬.৮ শতাংশ নারী।

গত বছরের তুলনামূলক চিত্র

ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮০৩

২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। একই সময়ের মধ্যে দেশে মোট ১,০১,২১৪টি সংক্রমণের ঘটনা এবং ১,০০,০৪০ জনের আরোগ্যের তথ্য রেকর্ড করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিশ্লেষণ: সংক্রমণের ধারা ও সতর্কতা

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ বছর তুলনামূলকভাবে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার কিছুটা কম হলেও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে স্থির রয়েছে। রাজধানীতে আক্রান্তের ঘনত্ব বেশি থাকলেও বিভাগীয় শহর ও আশপাশের জেলাগুলোতেও সংক্রমণ বাড়ছে। সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা নিরসন ও মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও পরিস্থিতি এখনো নাজুক। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, নাগরিক সচেতনতা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগই পারে এই মশাবাহিত রোগের ভয়াবহতা কমাতে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ৯২৮

০৭:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ও সংক্রমণ বৃদ্ধি

দেশে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত)। এর ফলে চলতি বছরে এ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৮ জনে। একই সময়ে নতুন করে ৯২৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস)।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত ইআরপিপিকর্মীদের

রাজধানী ও বিভাগভিত্তিক পরিস্থিতি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তিনজন মৃতের মধ্যে দুজন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার বাসিন্দা এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছিলেন। বর্তমানে ঢাকায় ১,০০৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন, আর সারাদেশে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন মোট ২,৮৪১ জন।

আক্রান্তের পরিসংখ্যান

চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯,৩৫৬। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ শতাংশ নারী। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যেও অনুরূপ অনুপাত দেখা যাচ্ছে—৫৩.২ শতাংশ পুরুষ ও ৪৬.৮ শতাংশ নারী।

গত বছরের তুলনামূলক চিত্র

ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮০৩

২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। একই সময়ের মধ্যে দেশে মোট ১,০১,২১৪টি সংক্রমণের ঘটনা এবং ১,০০,০৪০ জনের আরোগ্যের তথ্য রেকর্ড করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিশ্লেষণ: সংক্রমণের ধারা ও সতর্কতা

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ বছর তুলনামূলকভাবে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার কিছুটা কম হলেও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে স্থির রয়েছে। রাজধানীতে আক্রান্তের ঘনত্ব বেশি থাকলেও বিভাগীয় শহর ও আশপাশের জেলাগুলোতেও সংক্রমণ বাড়ছে। সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা নিরসন ও মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও পরিস্থিতি এখনো নাজুক। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, নাগরিক সচেতনতা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগই পারে এই মশাবাহিত রোগের ভয়াবহতা কমাতে।