০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

ড. ইউনূস চাইলে সারা দেশকে কারাগার বানাতে পারেন: আদালতে সাংবাদিক আনিস আলমগীর

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সোমবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে আদালতে হাজির করা হয়। রিমান্ড শুনানিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তাকে নির্দিষ্ট কোনো দলের অনুগত বানানোর চেষ্টা যাদের আছে, সেটি তাদের নিজস্ব সমস্যা। তার দাবি, ড. ইউনূস যদি চান, সারা বাংলাদেশকেই কারাগারে পরিণত করতে পারেন।

রিমান্ড চেয়ে পুলিশের আবেদন
এই মামলায় পুলিশ আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদনটি করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান। বিকাল পাঁচটা আট মিনিটের দিকে আনিস আলমগীরকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়।

আদালতে আনিস আলমগীরের বক্তব্য
আদালতে নিজের অবস্থান তুলে ধরে আনিস আলমগীর বলেন, তিনি একজন সাংবাদিক এবং দীর্ঘ দুই যুগ ধরে ক্ষমতাকে প্রশ্ন করে আসছেন। তার কাজ কারও কাছে নতজানু হওয়া নয়। তিনি জানান, তার সব বক্তব্য প্রকাশ্য, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেখানে গোপন বা অপ্রকাশিত কিছু নেই।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে হামলার প্রসঙ্গ এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। তার মতে, এমন রাজনীতি শেষ পর্যন্ত ফিরে আসে। জুলাইয়ের চেতনা কীভাবে বিস্তৃত হতে পারে, সে বিষয়েও তিনি মত প্রকাশ করেছেন। এসব বক্তব্যে তার কোনো ভুল কোথায় হয়েছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না বলেও আদালতে জানান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার সঙ্গে কোনো সংগঠনের প্রত্যক্ষ যোগসূত্র নেই।

গ্রেপ্তারের আগের ঘটনা
রোববার সন্ধ্যার পর আনিস আলমগীরকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেদিন রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে জানানো হয়, ডিবিপ্রধান তার সঙ্গে কথা বলবেন।

ডিবির বক্তব্য
সোমবার বিকাল তিনটা চল্লিশ মিনিটের দিকে ডিবিপ্রধান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার পটভূমি
পরে জানা যায়, ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ রোববার রাত দুইটার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

ড. ইউনূস চাইলে সারা দেশকে কারাগার বানাতে পারেন: আদালতে সাংবাদিক আনিস আলমগীর

০৮:০৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সোমবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে আদালতে হাজির করা হয়। রিমান্ড শুনানিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তাকে নির্দিষ্ট কোনো দলের অনুগত বানানোর চেষ্টা যাদের আছে, সেটি তাদের নিজস্ব সমস্যা। তার দাবি, ড. ইউনূস যদি চান, সারা বাংলাদেশকেই কারাগারে পরিণত করতে পারেন।

রিমান্ড চেয়ে পুলিশের আবেদন
এই মামলায় পুলিশ আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদনটি করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান। বিকাল পাঁচটা আট মিনিটের দিকে আনিস আলমগীরকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়।

আদালতে আনিস আলমগীরের বক্তব্য
আদালতে নিজের অবস্থান তুলে ধরে আনিস আলমগীর বলেন, তিনি একজন সাংবাদিক এবং দীর্ঘ দুই যুগ ধরে ক্ষমতাকে প্রশ্ন করে আসছেন। তার কাজ কারও কাছে নতজানু হওয়া নয়। তিনি জানান, তার সব বক্তব্য প্রকাশ্য, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেখানে গোপন বা অপ্রকাশিত কিছু নেই।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে হামলার প্রসঙ্গ এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। তার মতে, এমন রাজনীতি শেষ পর্যন্ত ফিরে আসে। জুলাইয়ের চেতনা কীভাবে বিস্তৃত হতে পারে, সে বিষয়েও তিনি মত প্রকাশ করেছেন। এসব বক্তব্যে তার কোনো ভুল কোথায় হয়েছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না বলেও আদালতে জানান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার সঙ্গে কোনো সংগঠনের প্রত্যক্ষ যোগসূত্র নেই।

গ্রেপ্তারের আগের ঘটনা
রোববার সন্ধ্যার পর আনিস আলমগীরকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেদিন রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে জানানো হয়, ডিবিপ্রধান তার সঙ্গে কথা বলবেন।

ডিবির বক্তব্য
সোমবার বিকাল তিনটা চল্লিশ মিনিটের দিকে ডিবিপ্রধান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার পটভূমি
পরে জানা যায়, ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ রোববার রাত দুইটার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।