০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

তেলের দাম ব্যারেলে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে, সতর্কতা দিচ্ছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছেন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা ও ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা। বিশ্বের তিন ডজনের বেশি জ্বালানি ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা, দালাল ও পরামর্শদাতার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এই সতর্কবার্তা জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য একটাই: “পৃথিবী এখনো এই সংকটের গভীরতা বুঝে উঠতে পারেনি।” তুলনা টানা হচ্ছে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সঙ্গে, বলা হচ্ছে এবারের পরিস্থিতি সেটিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

হরমুজ থেকে তেল ও এলএনজি বেশি নেয় এশিয়ার দেশগুলো। চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মিলে বিশ্বের ৭৫ শতাংশ তেল রপ্তানি গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো মূল্যের দিক থেকে আরও বেশি সংবেদনশীল। ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ বলছে, ১৭০ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের দৃশ্যকল্প

বাংলাদেশ বর্তমানে বার্ষিক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ রুট দিয়ে আসে। তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ালেই বাংলাদেশের চলতি হিসাবে বড় চাপ পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন। ২০০ ডলারের পরিস্থিতিতে পৌঁছালে তা হবে দেশের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য এক অস্তিত্বসংকট।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

তেলের দাম ব্যারেলে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে, সতর্কতা দিচ্ছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা

০৬:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছেন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা ও ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা। বিশ্বের তিন ডজনের বেশি জ্বালানি ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা, দালাল ও পরামর্শদাতার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এই সতর্কবার্তা জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য একটাই: “পৃথিবী এখনো এই সংকটের গভীরতা বুঝে উঠতে পারেনি।” তুলনা টানা হচ্ছে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সঙ্গে, বলা হচ্ছে এবারের পরিস্থিতি সেটিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে

হরমুজ থেকে তেল ও এলএনজি বেশি নেয় এশিয়ার দেশগুলো। চীন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া মিলে বিশ্বের ৭৫ শতাংশ তেল রপ্তানি গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো মূল্যের দিক থেকে আরও বেশি সংবেদনশীল। ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ বলছে, ১৭০ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের দৃশ্যকল্প

বাংলাদেশ বর্তমানে বার্ষিক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে, যার বড় অংশ হরমুজ রুট দিয়ে আসে। তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ালেই বাংলাদেশের চলতি হিসাবে বড় চাপ পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন। ২০০ ডলারের পরিস্থিতিতে পৌঁছালে তা হবে দেশের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য এক অস্তিত্বসংকট।