০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ফের উত্তেজনা, চীনের দাবির বিরুদ্ধে ১৪ দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০১৬ সালের আন্তর্জাতিক সালিশি রায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১৪টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনের বিস্তৃত দাবির বিরোধিতা করেছে।

রবিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, বিরোধপূর্ণ জলসীমায় এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে। তারা ২০১৬ সালের রায়কে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

২০১৬ সালের রায় নিয়ে নতুন করে অবস্থান

২০১৬ সালের ১২ জুলাই নেদারল্যান্ডসের হেগে গঠিত আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনাল দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেয়। জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদের আওতায় দেওয়া ওই রায়ে ফিলিপাইনের বেশির ভাগ দাবির পক্ষে সিদ্ধান্ত আসে।

14 Nations, EU renew backing for South China Sea award

বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, ওই রায় চূড়ান্ত ও আইনগতভাবে কার্যকর। একই সঙ্গে তারা জোর দিয়ে বলে, শক্তি প্রয়োগ বা চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা করা হবে।

চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত

চীন শুরু থেকেই এই রায় প্রত্যাখ্যান করে আসছে। বেইজিংয়ের দাবি, ২০১৬ সালের সিদ্ধান্তের কোনো বৈধতা নেই এবং এটি চীনের ওপর কার্যকর নয়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ওই রায় গ্রহণ করে না এবং তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কোনো বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিও মেনে নেবে না। চীন দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরো অংশের ওপর নিজেদের দাবি বজায় রেখেছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বাড়ছে নজর

14 Nations Reject China's South China Sea Claims

দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ। এ অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা, জলসীমার দাবি এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, নতুন করে দেওয়া এই বিবৃতিগুলো প্রমাণ করছে যে দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক চাপ ও আলোচনা আরও বাড়ছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ফের উত্তেজনা, চীনের দাবির বিরুদ্ধে ১৪ দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান

১১:২৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০১৬ সালের আন্তর্জাতিক সালিশি রায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১৪টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনের বিস্তৃত দাবির বিরোধিতা করেছে।

রবিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, বিরোধপূর্ণ জলসীমায় এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে। তারা ২০১৬ সালের রায়কে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

২০১৬ সালের রায় নিয়ে নতুন করে অবস্থান

২০১৬ সালের ১২ জুলাই নেদারল্যান্ডসের হেগে গঠিত আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনাল দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেয়। জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদের আওতায় দেওয়া ওই রায়ে ফিলিপাইনের বেশির ভাগ দাবির পক্ষে সিদ্ধান্ত আসে।

14 Nations, EU renew backing for South China Sea award

বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, ওই রায় চূড়ান্ত ও আইনগতভাবে কার্যকর। একই সঙ্গে তারা জোর দিয়ে বলে, শক্তি প্রয়োগ বা চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা করা হবে।

চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত

চীন শুরু থেকেই এই রায় প্রত্যাখ্যান করে আসছে। বেইজিংয়ের দাবি, ২০১৬ সালের সিদ্ধান্তের কোনো বৈধতা নেই এবং এটি চীনের ওপর কার্যকর নয়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ওই রায় গ্রহণ করে না এবং তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কোনো বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিও মেনে নেবে না। চীন দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরো অংশের ওপর নিজেদের দাবি বজায় রেখেছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বাড়ছে নজর

14 Nations Reject China's South China Sea Claims

দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ। এ অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা, জলসীমার দাবি এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, নতুন করে দেওয়া এই বিবৃতিগুলো প্রমাণ করছে যে দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক চাপ ও আলোচনা আরও বাড়ছে।