০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৩)

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল।

দৈনিক আজাদ [১৯৩৬-১৯৯০]

বলা যেতে পারে, পূর্ববঙ্গ/বাংলাদেশের প্রাচীনতম বাংলা দৈনিক আজাদ। ১৯৩৬ সালে মওলানা আকরাম খাঁ কলকাতা থেকে দৈনিক পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। প্রধানত বাঙালি মুসলমানদের মুখপত্র হিসেবে, আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে মুসলিম লীগের মুখপত্র হিসেবে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। দ্রুত পত্রিকাটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। আমাদের দেশের চল্লিশ থেকে ষাট দশকের প্রথিতযশা অনেক সাংবাদিক যুক্ত ছিলেন পত্রিকাটির সঙ্গে।

১৯৪৭ এর পর আবু জাফর শামসুদ্দীন ঢাকায় [ঢাকেশ্বরীর পাশে] আজাদ স্থানান্তর করেন। মওলানা আকরাম খাঁ এর মালিক হলেও সম্পাদনার ভার গ্রহণ করেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন।

দৈনিক আজাদের প্রথমপাতা; পুরানো একটি সংখ্যা

তিনি ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল। অদ্ভুত বানানরীতি প্রচলন করতে চেয়েছিল। ১৯৬৯ সালে আকরাম খাঁর মৃত্যু হলে পত্রিকাটি প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারা থেকে সরে আসার চেষ্টা করে।

পরবর্তীকালে মালিকানায় দ্বন্দ্ব ও পতনশীল সার্কুলেশনের কারণে আজাদ বন্ধ হয়ে যায়। তবে, মুসলমান ‘জাগরণে’ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান, আব্বাস উদ্দিনের গান এবং আজাদ বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।

মাওলানা আকরাম খাঁ। দৈনিক আজাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক 

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৩)

০৯:০০:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল।

দৈনিক আজাদ [১৯৩৬-১৯৯০]

বলা যেতে পারে, পূর্ববঙ্গ/বাংলাদেশের প্রাচীনতম বাংলা দৈনিক আজাদ। ১৯৩৬ সালে মওলানা আকরাম খাঁ কলকাতা থেকে দৈনিক পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। প্রধানত বাঙালি মুসলমানদের মুখপত্র হিসেবে, আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে মুসলিম লীগের মুখপত্র হিসেবে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। দ্রুত পত্রিকাটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। আমাদের দেশের চল্লিশ থেকে ষাট দশকের প্রথিতযশা অনেক সাংবাদিক যুক্ত ছিলেন পত্রিকাটির সঙ্গে।

১৯৪৭ এর পর আবু জাফর শামসুদ্দীন ঢাকায় [ঢাকেশ্বরীর পাশে] আজাদ স্থানান্তর করেন। মওলানা আকরাম খাঁ এর মালিক হলেও সম্পাদনার ভার গ্রহণ করেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন।

দৈনিক আজাদের প্রথমপাতা; পুরানো একটি সংখ্যা

তিনি ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল। অদ্ভুত বানানরীতি প্রচলন করতে চেয়েছিল। ১৯৬৯ সালে আকরাম খাঁর মৃত্যু হলে পত্রিকাটি প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারা থেকে সরে আসার চেষ্টা করে।

পরবর্তীকালে মালিকানায় দ্বন্দ্ব ও পতনশীল সার্কুলেশনের কারণে আজাদ বন্ধ হয়ে যায়। তবে, মুসলমান ‘জাগরণে’ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান, আব্বাস উদ্দিনের গান এবং আজাদ বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।

মাওলানা আকরাম খাঁ। দৈনিক আজাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক 

(চলবে)