১১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৮)

অধিকাংশ ছিলেন গরিব, পাঞ্জাব গিয়ে গুরু দর্শন সম্ভব ছিল না।

মাহায়ুত প্রেমদাস, ১৮৯০ সালে সংস্কারায়িত (১২৪০ শকাব্দ)। এর চেয়ে প্রাচীন যে ফলকটি ছিল তা সঙ্গতের কূপে পড়ে হারিয়ে গেছে। পরবর্তী মুঘল শাসকদের ধর্মসহিষ্ণুতার কারণে বিভিন্ন জায়গায় সঙ্গত গড়ে উঠতে থাকে। ১৬৬৬ সালে গুরু তেগাবাহাদুর যখন ঢাকা ভ্রমণ করেন তখন সিলেট, চট্টগ্রাম, সন্দ্বীপ এবং লসকর (রায়ের বাজার) ও সঙ্গতটোলায় [ঢাকার সূত্রাপুর। সঙ্গত ছিল।

গুরু নানকের উত্তরাধিকারীদের কেউ পাঞ্জাব ছেড়ে যাননি। অন্যদিকে উত্তর ভারতে শিখরা ছড়িয়ে পড়ছিলেন। তারা গুরুর দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। অধিকাংশ ছিলেন গরিব, পাঞ্জাব গিয়ে গুরু দর্শন সম্ভব ছিল না। বিষয়টি এত নাজুক হয়ে উঠল যে, নবম গুরু তেগ বাহাদুর ঠিক করলেন ভক্তদের দর্শন দেবেন। গদির জন্য তার প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিল অনেক। তাই তাঁর মনে হলো পাঞ্জাব থেকে কিছুদিন বাইরে কাটালে মন্দ হয় না।

১৬৬৫ সালে পাঞ্জাব ছেড়ে বেরুলেন। রাজপুত এক সেনাধ্যক্ষ যিনি খুব সম্ভব তখন পাটনায় ছিলেন, তিনি গুরুকে আমন্ত্রণ জানালেন আকুলভাবে একবার ঘুরে যেতে। সেই সেনাপতিকে নিয়ে গুরু পাটনা থেকে রওয়ানা হলেন ঢাকার পথে। ঢাকায় তিনি বেশিদিন থাকতে পারেননি। কারণ খবর পেলেন তার এক পুত্র জন্মেছেন। এই পুত্র পরবর্তীকালে ইতিহাসখ্যাত গোবিন্দ সিং।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৮)

০৭:০০:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

অধিকাংশ ছিলেন গরিব, পাঞ্জাব গিয়ে গুরু দর্শন সম্ভব ছিল না।

মাহায়ুত প্রেমদাস, ১৮৯০ সালে সংস্কারায়িত (১২৪০ শকাব্দ)। এর চেয়ে প্রাচীন যে ফলকটি ছিল তা সঙ্গতের কূপে পড়ে হারিয়ে গেছে। পরবর্তী মুঘল শাসকদের ধর্মসহিষ্ণুতার কারণে বিভিন্ন জায়গায় সঙ্গত গড়ে উঠতে থাকে। ১৬৬৬ সালে গুরু তেগাবাহাদুর যখন ঢাকা ভ্রমণ করেন তখন সিলেট, চট্টগ্রাম, সন্দ্বীপ এবং লসকর (রায়ের বাজার) ও সঙ্গতটোলায় [ঢাকার সূত্রাপুর। সঙ্গত ছিল।

গুরু নানকের উত্তরাধিকারীদের কেউ পাঞ্জাব ছেড়ে যাননি। অন্যদিকে উত্তর ভারতে শিখরা ছড়িয়ে পড়ছিলেন। তারা গুরুর দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। অধিকাংশ ছিলেন গরিব, পাঞ্জাব গিয়ে গুরু দর্শন সম্ভব ছিল না। বিষয়টি এত নাজুক হয়ে উঠল যে, নবম গুরু তেগ বাহাদুর ঠিক করলেন ভক্তদের দর্শন দেবেন। গদির জন্য তার প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিল অনেক। তাই তাঁর মনে হলো পাঞ্জাব থেকে কিছুদিন বাইরে কাটালে মন্দ হয় না।

১৬৬৫ সালে পাঞ্জাব ছেড়ে বেরুলেন। রাজপুত এক সেনাধ্যক্ষ যিনি খুব সম্ভব তখন পাটনায় ছিলেন, তিনি গুরুকে আমন্ত্রণ জানালেন আকুলভাবে একবার ঘুরে যেতে। সেই সেনাপতিকে নিয়ে গুরু পাটনা থেকে রওয়ানা হলেন ঢাকার পথে। ঢাকায় তিনি বেশিদিন থাকতে পারেননি। কারণ খবর পেলেন তার এক পুত্র জন্মেছেন। এই পুত্র পরবর্তীকালে ইতিহাসখ্যাত গোবিন্দ সিং।

(চলবে)