০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

পোপাইসের বেইজিংয়ে প্রত্যাবর্তন, ২৪ বছর পর নতুন করে চীনা বাজারে জোরালো উপস্থিতি

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বেইজিংয়ে ফিরেছে মার্কিন ফাস্টফুড ব্র্যান্ড পোপাইস। শুক্রবার শহরে নতুন আউটলেট চালুর দিনই বিপুল ভিড় দেখা গেছে, যা প্রমাণ করে দুই দশকের বেশি সময় পরও ব্র্যান্ডটির প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ অটুট রয়েছে।

পটভূমি: কেন বন্ধ হয়েছিল, কেন ফিরল
পোপাইস ২০০২ সালে বেইজিংয়ের আগের আউটলেটগুলো বন্ধ করে এবং ২০০৩ সালে পুরোপুরি চীনা বাজার থেকে বেরিয়ে যায়। তবে ২০২০ সালে আবার চীনে ফিরে আসার পর এবার তারা আরও বড় পরিসরে সম্প্রসারণে নামতে প্রস্তুত। কোম্পানির মতে, সময়ের সঙ্গে চীনা ভোক্তাদের রুচিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের চাহিদা বেড়েছে।

চীনা বাজারে নতুন সম্ভাবনা
বিশ্লেষকদের মতে, চীন এখনও বিদেশি ফাস্টফুড চেইনগুলোর জন্য বড় সুযোগের বাজার। বিশেষ করে প্রথম সারির শহরগুলোতে নতুন ধারণা ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ বেশি।

তবে তারা সতর্ক করে বলেন, এখনকার বাজার আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিণত ও প্রতিযোগিতামূলক। শুধু ব্র্যান্ড পরিচিতি দিয়ে সফল হওয়া কঠিন। দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে স্থানীয় বাজারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, কার্যকর পরিচালনা, ভিন্নধর্মী পণ্য এবং সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে হবে।

মালিকানা পরিবর্তন ও পরিচালনা
২০২৪ সালে পোপাইসের চীন ব্যবসা কানাডাভিত্তিক একটি গ্রুপের হাতে যায়, যারা এর আগে একটি জনপ্রিয় কফি ও ডোনাট চেইনের চীন কার্যক্রম পরিচালনা করত। নতুন মালিকানার পর ব্র্যান্ডটি স্থানীয় দল নিয়ে চীনে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

বর্তমান অবস্থা ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনা
বর্তমানে পোপাইসের চীনে ৮০টির বেশি আউটলেট রয়েছে, যার বেশিরভাগই সাংহাইয়ে। এছাড়া ঝেজিয়াং ও জিয়াংসু প্রদেশের কয়েকটি শহরেও তাদের উপস্থিতি রয়েছে।

আগামী মাসগুলোতে আরও নতুন আউটলেট খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বেইজিংয়ে এ বছরই ১০ থেকে ২০টি নতুন শাখা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিয়ানজিনসহ উত্তর চীনের অন্যান্য শহরেও সম্প্রসারণ শুরু হয়েছে।

চাহিদা ও বাজারের গুরুত্ব

কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীন একটি বিশাল ও গুরুত্বপূর্ণ বাজার, যেখানে মুরগির মাংস ও ফ্রাইড চিকেনের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে পোপাইস ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ব্যবসা বিস্তারের পরিকল্পনা করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

পোপাইসের বেইজিংয়ে প্রত্যাবর্তন, ২৪ বছর পর নতুন করে চীনা বাজারে জোরালো উপস্থিতি

০৮:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বেইজিংয়ে ফিরেছে মার্কিন ফাস্টফুড ব্র্যান্ড পোপাইস। শুক্রবার শহরে নতুন আউটলেট চালুর দিনই বিপুল ভিড় দেখা গেছে, যা প্রমাণ করে দুই দশকের বেশি সময় পরও ব্র্যান্ডটির প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ অটুট রয়েছে।

পটভূমি: কেন বন্ধ হয়েছিল, কেন ফিরল
পোপাইস ২০০২ সালে বেইজিংয়ের আগের আউটলেটগুলো বন্ধ করে এবং ২০০৩ সালে পুরোপুরি চীনা বাজার থেকে বেরিয়ে যায়। তবে ২০২০ সালে আবার চীনে ফিরে আসার পর এবার তারা আরও বড় পরিসরে সম্প্রসারণে নামতে প্রস্তুত। কোম্পানির মতে, সময়ের সঙ্গে চীনা ভোক্তাদের রুচিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের চাহিদা বেড়েছে।

চীনা বাজারে নতুন সম্ভাবনা
বিশ্লেষকদের মতে, চীন এখনও বিদেশি ফাস্টফুড চেইনগুলোর জন্য বড় সুযোগের বাজার। বিশেষ করে প্রথম সারির শহরগুলোতে নতুন ধারণা ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ বেশি।

তবে তারা সতর্ক করে বলেন, এখনকার বাজার আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিণত ও প্রতিযোগিতামূলক। শুধু ব্র্যান্ড পরিচিতি দিয়ে সফল হওয়া কঠিন। দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে স্থানীয় বাজারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, কার্যকর পরিচালনা, ভিন্নধর্মী পণ্য এবং সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে হবে।

মালিকানা পরিবর্তন ও পরিচালনা
২০২৪ সালে পোপাইসের চীন ব্যবসা কানাডাভিত্তিক একটি গ্রুপের হাতে যায়, যারা এর আগে একটি জনপ্রিয় কফি ও ডোনাট চেইনের চীন কার্যক্রম পরিচালনা করত। নতুন মালিকানার পর ব্র্যান্ডটি স্থানীয় দল নিয়ে চীনে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

বর্তমান অবস্থা ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনা
বর্তমানে পোপাইসের চীনে ৮০টির বেশি আউটলেট রয়েছে, যার বেশিরভাগই সাংহাইয়ে। এছাড়া ঝেজিয়াং ও জিয়াংসু প্রদেশের কয়েকটি শহরেও তাদের উপস্থিতি রয়েছে।

আগামী মাসগুলোতে আরও নতুন আউটলেট খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বেইজিংয়ে এ বছরই ১০ থেকে ২০টি নতুন শাখা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিয়ানজিনসহ উত্তর চীনের অন্যান্য শহরেও সম্প্রসারণ শুরু হয়েছে।

চাহিদা ও বাজারের গুরুত্ব

কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীন একটি বিশাল ও গুরুত্বপূর্ণ বাজার, যেখানে মুরগির মাংস ও ফ্রাইড চিকেনের চাহিদা অত্যন্ত বেশি। এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে পোপাইস ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ব্যবসা বিস্তারের পরিকল্পনা করছে।