০৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পদবির আড়ালে যখন নাগরিকত্বের বিচার ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে তারকাদের চোখধাঁধানো সাজ হিমবাহ বাঁচাতে এবার ভেড়ার উল! ফ্লাইট বদলের ব্যস্ততায় আর না খেয়ে থাকতে হবে না যাত্রীদের জন্য ইউনাইটেডের নতুন সুবিধা মিয়ামি বিমানবন্দরে কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫; জার্মানিতে উগ্র ডানপন্থীদের বড় জয় চীনের যুদ্ধক্ষেত্রে আসছে মানবসদৃশ রোবট, বদলে যেতে পারে ভবিষ্যতের যুদ্ধ পোর্টসমাউথে অভিবাসীবাহী নৌকা ঘিরে পুলিশের সঙ্গে শত শত বিক্ষোভকারীর সংঘর্ষ মেয়ের জন্য বড় অভিনয়ের সুযোগ ফিরিয়ে দিলেন মিশেল কিগান উপসাগরে নতুন ‘নিষিদ্ধ অঞ্চল’ ঘোষণা করবে ইরান, হরমুজে নতুন নৌপথের মানচিত্রও আসছে লাহোরে নারীদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা বেড়েছে, কয়েক দিনে ধর্ষণের অভিযোগ ৬

পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা, ছয় মাসে আয় ১৯.৩৪ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) রপ্তানি আয়ে সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতা দেখেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে দেশের পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৯.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ০.৬৩ শতাংশ কম।

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে এই খাতের রপ্তানি আয় ছিল ১৯.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যদিও সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক হয়েছে, তবু খাতভেদে চিত্রে কিছু পার্থক্য দেখা গেছে।

বোনা ও নিট পোশাকে ভিন্ন প্রবণতা

ইপিবির খাতভিত্তিক তথ্য বলছে, বোনা পোশাক (ওভেন) রপ্তানিতে সামান্য ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বছরের প্রথম ছয় মাসে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৯.২০ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ০.৬৮ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে নিট পোশাক (নিটওয়্যার) রপ্তানিতে কিছুটা সংশোধন দেখা গেছে। এ সময়ে নিটওয়্যার থেকে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১০.১৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৮০ শতাংশ কম।

খাতের মূল্যায়ন

সর্বশেষ রপ্তানি পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল বলেছেন, সাম্প্রতিক রপ্তানি পরিসংখ্যান বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য একদিকে স্থিতিশীলতার, অন্যদিকে অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরেছে।

তার মতে, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদার ওঠানামা এবং পরিবর্তিত বাজার পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের পোশাক শিল্প রপ্তানির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এই পারফরম্যান্স খাতটির অভিযোজনক্ষমতা এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতারই প্রতিফলন।

প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর

শিল্পসংশ্লিষ্ট নেতারা মনে করছেন, ভবিষ্যতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানো জরুরি। উৎপাদন দক্ষতা, গুণগত মান এবং সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ পোশাক শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

তবে সর্বশেষ ইপিবির তথ্য বলছে, সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে সামান্য পতন হলেও খাতটি এখনও আন্তর্জাতিক বাজারে উল্লেখযোগ্য অবস্থান ধরে রেখেছে। বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি ০.৬৩ শতাংশ কমে ১৯.৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। ওভেন ও নিট পোশাকের প্রবণতায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।

জনপ্রিয় সংবাদ

পদবির আড়ালে যখন নাগরিকত্বের বিচার

পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা, ছয় মাসে আয় ১৯.৩৪ বিলিয়ন ডলার

০৮:২২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) রপ্তানি আয়ে সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতা দেখেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে দেশের পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৯.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ০.৬৩ শতাংশ কম।

২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে এই খাতের রপ্তানি আয় ছিল ১৯.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যদিও সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক হয়েছে, তবু খাতভেদে চিত্রে কিছু পার্থক্য দেখা গেছে।

বোনা ও নিট পোশাকে ভিন্ন প্রবণতা

ইপিবির খাতভিত্তিক তথ্য বলছে, বোনা পোশাক (ওভেন) রপ্তানিতে সামান্য ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বছরের প্রথম ছয় মাসে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ৯.২০ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ০.৬৮ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে নিট পোশাক (নিটওয়্যার) রপ্তানিতে কিছুটা সংশোধন দেখা গেছে। এ সময়ে নিটওয়্যার থেকে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১০.১৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১.৮০ শতাংশ কম।

খাতের মূল্যায়ন

সর্বশেষ রপ্তানি পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল বলেছেন, সাম্প্রতিক রপ্তানি পরিসংখ্যান বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য একদিকে স্থিতিশীলতার, অন্যদিকে অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরেছে।

তার মতে, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদার ওঠানামা এবং পরিবর্তিত বাজার পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের পোশাক শিল্প রপ্তানির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এই পারফরম্যান্স খাতটির অভিযোজনক্ষমতা এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতারই প্রতিফলন।

প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর

শিল্পসংশ্লিষ্ট নেতারা মনে করছেন, ভবিষ্যতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানো জরুরি। উৎপাদন দক্ষতা, গুণগত মান এবং সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ পোশাক শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

তবে সর্বশেষ ইপিবির তথ্য বলছে, সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে সামান্য পতন হলেও খাতটি এখনও আন্তর্জাতিক বাজারে উল্লেখযোগ্য অবস্থান ধরে রেখেছে। বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি ০.৬৩ শতাংশ কমে ১৯.৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। ওভেন ও নিট পোশাকের প্রবণতায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।